শাহবাগের ন্যারেটিভ ফিরিয়ে আনা মানে আ.লীগের কালচার অ্যাকটিভ করা

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু বলেছেন, শাহবাগের যে ন্যারেটিভকে বাংলাদেশের একটা শিশু বাচ্চাও ঘৃণা করে ,সেই ন্যারেটিভকে ফিরিয়ে আনা মানে আওয়ামী লীগের কালচার অ্যাকটিভ করা।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, চেতনার মন্দির ধানমন্ডি ৩২ কে ঘৃণার সঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেইভাবেই নতুন করে গড়ে ওঠা চেতনাব্যবসা গুড়িয়ে দেয়া হবে। বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের রাজাকার ন্যারেটিভ ধারণ করা যেকোনো ক্ষুদ্রগোষ্ঠী আর আওয়ামী লীগের কালচারাল সেলের গোষ্ঠীর কঠোর দমন চলমান রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শাহবাগের আওয়ামী লীগের ন্যারেটিভ ঘৃণা করতে করতেই রাজনীতি বুঝেছি। হাসিনাকে ঘৃণা করতে শিখেছি। শাপলা চত্বর থেকে শুরু করে সেই সময়কার নাস্তিকদের (পড়ুন অ্যান্টিইসলামিস্টদের আচরণ) দেখে দেখে আরও প্রতিবাদী হয়ে উঠেছি। আমার সেই ফেবু জীবনের ১৪ বছরের দাগ কাঁটা অনেক ঘটনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ইসলামপন্থীদের ওপর অত্যাচার। সেই সময়ে আমার মতো জিন্স প্যান্ট পড়ে ঘুরে বেড়ানো মেয়েটা শুধুমাত্র বিবেকের তাড়নায়ই শাহবাগের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব বলেন, ২৪ যেমন আমার জন্য ট্রমার; তেমনি সেসকল অত্যাচারের ভিডিও, ছবি, ডাইনিটার রঙ মেখে শুয়ে থাকা বলা সেই ভয়েজ কিংবা বিশ্বজিৎকে মারার সেই দৃশ্যও আমার জন্য ট্রমার। আমরা সেই সময় থেকেই একটা যুদ্ধ চলমান রেখেছি। এসব বললে আবার জামায়াতি কিংবা ইসলামি আন্দোলন কিংবা হেফাজতের লোক বলে ট্যাগ দিতে সুবিধা হয়।
ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, গত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনামলে আমার ফেসবুক জীবন হচ্ছে ১৪ বছর। এই ১৪ বছরে হাজারবার আমাকে রাজাকার বলা হয়েছে। কিন্তু ২৪ এ মানুষ শহীদ হওয়ার পর কোনো ফর্মে এই শাহবাগীদের সেই পুরনো আওয়ামী ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না। ৭১ আমরা সকলেই ধারন করি তাই বলে একাত্তর বেচে দমনপীড়নের দিন আর আসতে দেয়া যাবে না।
সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন। ভিজিট করুন : http://www.etihad.news
* অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায় ।



