ঝালকাঠিতে মিথ্যা মামলার শিকার সৈয়দ মিলন ও সাবেক ছাত্রনেতারা


ঝালকাঠিতে ঝালকাঠি জেলা যুবলীগ নেতা,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঝালকাঠি জেলা ও সদর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিলন সহ ১১জন সাবেক ছাত্রনেতা ও ১জন সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মাসুদ শিকদার নামে এক চায়ের দোকানি।
মামলার বিবারনে জানাযায় যে গত ৬সেপ্টেম্বর দুপুর ১২.৩০ মিনিটের দিকে ডাক্টারপট্টি সৈয়দ মিলনের মালিকানাধীন সৈয়দ টাওয়ারের সামনে বসে চা দোকানি মাসুদ শিকদার তার কাছে জেলা যুবলীগের কমিটির ব্যাপারে জানতে চাইলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে সাবেক ছাত্রনেতাদের নিয়ে তাকে মারধর করেন।তিনি তার মামলায় কমিটি জালিয়াতি বিষয়টি উল্লেখ করেন।
উদ্দেশ্য মূলক মামলায় আসামিরা হচ্ছেন হাদিসুর রহমান ওরফে মিলন (৩৮), মিলন হাওলাদার (৩৬), তরিকুল ইসলাম (৩০), মো. মনিরুজ্জামান (৩৮), শাখাওয়াত হোসেন (৩৬), মো. মরিয়াজ হাওলাদার (৩৫), আল আরাফাত (২৩), আসাদুজ্জামান তালুকদার (৪০), আলীম আল রজিব (৪০), মাহমুদুল সাগর (২৫), মোহাম্মদ রনি হাওলাদার (৩৫) এবং সাংবাদিক বশির আহম্মেদ খলিফাসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জন। আসামিরা অধিকাংশই সাবেক জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
মামলার ঘটনা অনুসন্ধানে ডাক্টারপট্টি সৈয়দ টাওয়ার সংলগ্ন এলাকা ও আশেপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করে দেখা যায়।৬ সেপ্টেম্বর মামলায় উল্লেখিত স্থান বা সময়ে সেখানে এই ধরনের কোনো ঘটনার কোনো ফুটেজ নেই এবং সেখানের দোকান গুলোতে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন এখানে এধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।
সৈয়দ মিলন জানায় যে তিনি মাসুদ সিকদার নামের কাউকে চেনেন না।তিনি বলেন কমিটির ব্যাপারেও তিনি কিছু জানেন না।একটি চক্র তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এই ষড়যন্ত্র রচনা করেছেন এটা তিনি তার ফেসবুকে আরো আগেই পোষ্ট করেছেন।তারপরও তাকে জড়িয়ে এ ধরনে কুতসা রটানো আর মিথ্যা মামলার তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।তিনি আরো বলেন আপনারা জানেন এর আগেও একটি চক্র ২০২০ সালে আমাকে এবং আমার সহযোদ্ধা সাবেক ছাত্রনেতাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছেন।যা আমরা আদালতের মাধ্যমে খালাশ গিয়েছি।সেই চক্র আবারো আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।নাটকীয় মামলার বাদী মোঃ মাসুদ সিকদার নামে কোন ব্যক্তিকে আমি চিনি না এবং তার সাথে আমার কোন শত্রুতা নাই রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যে মামলার বার বার আসামি হচ্ছি আমি। নিরপক্ষ তদন্ত করে আমি সহ আমার সাথের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে
মিথ্যে মামলা অতি বিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি।
মামলার ৩ নং আসামী ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এবং ঝালকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম অপু বলেন “ভাই আমরা মাসুদ সিকদার নামে কাউকে চিনি না। আর মামলায় ঘটনার স্থান ও সময় যখন উল্লেখ করেছে তখন তো আমরা সেখানে ছিলামই না।যাদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে তারা সবাই আমাদের অভিভাবক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ভাইয়ের সাথে আখড়া বাড়ি মন্দিরে ছিলাম আর তারপর ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রাঙ্গনে তার প্রোগ্রামে ছিলাম।আমি পুলিশ ও সাংবাদিক ভাইদের ডাক্টারপট্টি সৈয়দ টাওয়ার সংলগ্ন সকল সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।