জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা,ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল


ইত্তেহাদ নিউজ,ঢাকা : প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময়ে নির্বাচন হবে কি হবে না এমন আশঙ্কা ছিল রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলে। এর কারণ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোডম্যাপ ঘোষণায় দেরি। অবশেষে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ কাজকে প্রাধান্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।
গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্ত করা। ইসি আগেই জানিয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে। আর তফসিল ঘোষণা করা হবে এ বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে। এদিকে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মহল। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন।
৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরদিন ৬ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সিইসিকে চিঠি দিয়ে জাতীয় নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ করতে বলা হয়। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয় দ্রুতই নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে বলে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক দলসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহলের ইসির প্রতি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার বিষয়ে নানামুখী চাপ ছিল। এ পরিস্থিতিতে আরও দুই সপ্তাহ আগেই রোডম্যাপ ঘোষণা করতে চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কিছু বিষয়ে প্রস্তুতি আরও অগ্রসর করে শেষ পর্যন্ত রোডম্যাপ ঘোষণা দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন দেশের অধিকাংশ মানুষ ভোট দিতে না পারায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ইসির প্রতি নানামুখী চাপ রয়েছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন। তাই এবার যে কোনো সময়ের চেয়ে একটি ভালো নির্বাচন হবে বলে ইসি আশা করছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে বৃহস্পতিবার বিকেলে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এতে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আমরা আগামী নির্বাচন নিয়ে কর্মপরিকল্পনা ২৪ ভাগে ভাগ করে প্রস্তুত করেছি। কর্মপরিকল্পনায় একটি কাজ আরেকটির সঙ্গে সম্পর্কিত। এর একটি হচ্ছে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ। রাজনৈতিক দল, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, নারী নেতৃত্বের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ করা হবে।
ভোটের তারিখ ও তফসিলের তারিখ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ইসি সচিব বলেন, ভোটগ্রহণের ৬০ দিন আগে তফসিল দেওয়া হবে। আমাদের প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর বলেছেÑ আগামী রমজানের আগে ভোট করার জন্য। আমার যদি ভুল না হয় তা হলে ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু। আবার রমজান চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। এভাবে আপনারা নির্বাচনের তারিখ বের করতে পারেন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, তফসিলের আগে ও পরের কাজ অনেক থাকবে। এসব কাজ বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময় ধরে ইসির প্রস্তুতি চলছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আমাদের যে চিঠি দেওয়া হয় তাতে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি-২০২৬ এর রোজার আগে নির্বাচন আয়োজন করতে। তাই আমরা আমাদের অ্যাকশন প্ল্যান জানাচ্ছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে লক্ষ্য করে পদক্ষেপগুলোকে মূলত ২৪টি ভাগে ভাগ করে আমরা আমাদের অ্যাকশন প্ল্যান প্রস্তুত করেছি।
তিনি বলেন, কর্মপরিকল্পনা যে কাজগুলো আছে তা একটার সঙ্গে আরেকটা যুক্ত। ইতোমধ্যে এর মধ্যে কিছু কিছু কাজ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইসি সচেতনতামূলকা প্রচার কাজ শেষ করতে চায় ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা, ফল কীভাবে প্রকাশ ও প্রচার করা হবে, বেসরকারি ফলাফল প্রচারসংক্রান্ত কার্যক্রম নির্ধারণসহ যাবতীয় প্রস্তুতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করা হবে। ইসির রোডম্যাপে বিষয়গুলোর প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে যথাসময়ে এ কাজগুলো শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে ইসি।
সীমানা নির্ধারণ ॥ নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুসারে সংসদীয় আসনগুলোর সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশের জন্য ১৫ সেপ্টেম্বরকে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের ভৌগোলিক সীমানা চূড়ান্ত করা হবে। একই সঙ্গে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা জিআইএস (ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা) ম্যাপ প্রকাশ করা হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। এই ম্যাপের মাধ্যমে প্রতিটি আসনের সীমানা ডিজিটাল ফরম্যাটে তুলে ধরা হবে, যার স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করবে ইসি।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ ॥ ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ধাপের সম্পূরক খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যা চূড়ান্ত করা হবে ৩১ আগস্ট। ৩১ অক্টোবরের সম্পূরক তালিকা শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩০ নভেম্বর।
নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ॥ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের প্রক্রিয়া পুরোদমে চলছে বলে রোডম্যাপে প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য ১৪ সেপ্টেম্বরকে সময়সীমা ধরা হয়েছে। যেসব দল এই সময়ের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন করবে, তাদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত হবে।
রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ ॥ ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসারে সেপ্টেম্বরে শেষ সপ্তাহে থেকে শুরু হবে রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকসহ অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ। এই সংলাপ শেষ হতে সময় লাগবে দেড় মাস।
নির্বাচনী আইনবিধি ॥ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং অন্যান্য আইনবিধি ৩১ আগস্টের মধ্যে সংশোধনের প্রস্তাব ও প্রণয়ন করা হবে। এ ছাড়া সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ আইন সংশোধন, ভোটার তালিকা আইন সংশোধন, সংসদ নির্বাচনের ভোটা কেন্দ্র নীতিমালা ও ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নীতিমালা চূড়ান্ত, নির্বাচন পরিচালনা (সংশোধন)-২০২৫ প্রতীকসহ, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন -১৯৯১, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন-২০০৯ এগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে যা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার আশা।
কারাবন্দিদের ভোটাধিকার ॥ নির্বাচন কমিশন কারাবন্দি ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। ভোটের ঠিক দুই সপ্তাহ আগে দেশের বিভিন্ন জেলখানায় কারাবন্দিদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে তারাও ভোট দিতে পারেন। এই পদক্ষেপটি কারাবন্দিদের নাগরিক অধিকার সংরক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
পোস্টাল ভোটিং ও ব্যালট ॥ পোস্টাল ভোটিং ও ব্যালটের জন্য প্রকল্প অনুমোদন, সফটওয়্যার চূড়ান্ত, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, নিবন্ধন ও প্র্যাকিং মডিউল, প্রচার- অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। প্রবাসে নভেম্বরে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে।
পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন ॥ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর চূড়ান্ত নিবন্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এই সংস্থাগুলোর নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হবে। নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রগুলোতে তাদের প্রতিনিধি পাঠাতে পারবে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
নির্বাচনী তথ্য প্রচার ॥ নির্বাচনী তথ্য প্রচারের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, টিঅ্যান্ডটি, বিটিআরসিসহ বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সঙ্গে সভা আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সঠিকভাবে নির্বাচনী প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রশিক্ষণ ॥ রোডম্যাপ অনুসারে ২৮ আগস্ট, বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয়েছে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, যা শেষ হবে ভোটের কয়েক দিন আগে।
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুতি ॥ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুতি শেষ হবে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।
নির্বাচন সামগ্রী ॥ নির্বাচনী ম্যানুয়েল, নির্দেশিকা, পোস্টার ইত্যাদি মুদ্রণসহ ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের মালামাল সংগ্রহ ও বিতরণ কার্যক্রম ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ॥ ব্যবহার উপযোগী স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স চূড়ান্ত করা হবে ৩০ নভেম্বর মধ্যে।
নির্বাচনের বাজেট ॥ ১৫ নভেম্বর চূড়ান্ত করা হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাজেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুকূলে অর্থ বরাদ্দের জন্য বৈঠক ১৬ নভেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা ॥ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম সভা হবে ২৫ সেপ্টেম্বর, এরপর আরও সভা হবে।
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ॥ নির্বাচনের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হবে ৩১ অক্টোবর হবে। এ সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহায়তা চাওয়া হবে। এ ছাড়া ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আইসিটি সংক্রান্ত সব কাজ সম্পন্ন করা হবে।
অন্যান্য প্রস্তুতি ॥ ম্যানুয়েল নির্দেশিকা পোস্টার পরিচয়পত্র মুদ্রণ; প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স উপযোগীকরণ, নির্বাচনী বাজেট বরাদ্দ, প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণ, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সুসংহতকরণ, ডিজিটাল মনিটর স্থাপন ও যন্ত্রপাতি সংযোজন, বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল প্রচার, ফলাফল প্রদর্শন, প্রকাশ ও প্রচারসহ বিবিধ প্রস্তুতি রাখা হবে।
প্রয়োজনে হেলিকপ্টার ব্যবহার ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে তফসিলের ২ মাস আগে। রোডম্যাপ ঘোষণকালে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ কথা জানান। কোন কোন ভোট কেন্দ্রের জন্য হেলিকপ্টার প্রয়োজন এমন ভোটকেন্দ্র বাছাই করে কক্ষ সংখ্যা, কাছের হেলিপ্যাড, যাত্রা শুরু ও শেষ এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্য জানানোর জন্য জেলা নির্বাচন অফিসার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া তফসিল ঘোষণার ১০ দিন আগে কাছের টেক অব ও ল্যান্ডিং স্টেশন নির্দিষ্ট করে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র ও কক্ষ সংখ্যার ভিত্তিতে যাতায়াতের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্ধারণ করে হেলিকপ্টার সহায়তা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রস্তুত করা হবে।
সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন। ভিজিট করুন : http://www.etihad.news
* অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায় ।