সংযুক্ত আরব আমিরাত হওয়ার আগে, এই অঞ্চলটি ব্রিটিশ সুরক্ষার সাথে ট্রাসিয়াল স্টেটস নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭১ সালে, ছয়টি আমিরাত নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত গঠিত হয়, যার মধ্যে রাস আল খাইমা ১৯৭২ সালে পরে যোগদান করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাধীনতার মাত্র কয়েকদিন আগে ব্রিটিশদের সহযোগিতায় ইরান গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। ১৯৭১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত হিসেবে পুনর্গঠনের আগে, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ট্রুসিয়াল স্টেটস নামে পরিচিত করা হত, যা হরমুজ প্রণালী থেকে পশ্চিমে পারস্য উপসাগর বরাবর বিস্তৃত শেখ রাজ্যের একটি সমষ্টি ছিল। এটি কোনও দেশ ছিল না, বরং প্রায় ৩২,০০০ বর্গমাইল (৮৩,০০০ বর্গকিলোমিটার) জুড়ে ছড়িয়ে থাকা শিথিলভাবে সংজ্ঞায়িত উপজাতি গোষ্ঠীর একটি বিস্তৃত অঞ্চল ছিল, যা মেইন রাজ্যের আকারের সমান। আমিরাতের আগে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই অঞ্চলটি স্থানীয় আমিরদের মধ্যে স্থলভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জর্জরিত ছিল, যখন জলদস্যুরা সমুদ্রে অভিযান চালাত এবং রাজ্যের তীরগুলিকে তাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করত। ভারতের সাথে বাণিজ্য রক্ষার জন্য ব্রিটেন জলদস্যুদের উপর আক্রমণ শুরু করে । এর ফলে চুক্তিবদ্ধ রাজ্যের আমিরদের সাথে ব্রিটিশদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৮২০ সালে ব্রিটেন একচেটিয়াতার বিনিময়ে সুরক্ষা প্রদানের প্রস্তাব দেওয়ার পর এই সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়: ব্রিটেনের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি গ্রহণ করে আমিররা কোনও শক্তির কাছে কোনও জমি ছেড়ে না দেওয়ার বা ব্রিটেন ছাড়া অন্য কারও সাথে কোনও চুক্তি না করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তারা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী বিরোধ নিষ্পত্তি করতেও সম্মত হয়। অধীনস্থ সম্পর্কটি ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দেড় শতাব্দী স্থায়ী ছিল। ব্রিটেন হাল ছেড়ে দেয় ততক্ষণে, ব্রিটেনের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন রাজনৈতিকভাবে নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল এবং আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিল। ১৯৭১ সালে ব্রিটেন বাহরাইন , কাতার এবং সাতটি আমিরাত নিয়ে গঠিত ট্রাসিয়াল রাজ্যগুলিকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্রিটেনের মূল লক্ষ্য ছিল নয়টি সত্তাকে একত্রিত করে একটি ঐক্যবদ্ধ ফেডারেশনে পরিণত করা। বাহরাইন এবং কাতার দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে, নিজেদের স্বাধীনতাকেই প্রাধান্য দেয়। একটি ব্যতিক্রম ছাড়া, আমিরাত যৌথ উদ্যোগে সম্মত হয়, যদিও এটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়েছিল: আরব বিশ্ব তখন পর্যন্ত কখনও বিভিন্ন ধরণের আমিরদের একটি সফল ফেডারেশনের কথা জানত না, এমনকি বালুকাময় ভূদৃশ্যকে সমৃদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট অহংকার সহ ঝগড়া-প্রবণ আমিরদের কথা তো দূরের কথা। স্বাধীনতা: ২রা ডিসেম্বর, ১৯৭১ ফেডারেশনে যোগদানের জন্য সম্মত হওয়া ছয়টি আমিরাত হল আবুধাবি, দুবাই , আজমান, আল ফুজাইরাহ, শারজাহ এবং কুয়েন। ১৯৭১ সালের ২রা ডিসেম্বর, ছয়টি আমিরাত ব্রিটেন থেকে তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং নিজেদেরকে সংযুক্ত আরব আমিরাত বলে অভিহিত করে। (রাস আল খাইমাহ প্রথমে অস্বীকৃতি জানায়, কিন্তু অবশেষে ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেশনে যোগ দেয়)। সাতটি আমিরাতের মধ্যে সবচেয়ে ধনী আবুধাবির আমির শেখ জায়েদ বিন সুলতান ছিলেন ইউনিয়নের প্রথম সভাপতি, তার পরে ছিলেন দ্বিতীয় ধনী আমিরাত দুবাইয়ের শেখ রশিদ বিন সাঈদ। আবুধাবি এবং দুবাইতে তেলের মজুদ রয়েছে। বাকি আমিরাতগুলিতে তেলের মজুদ নেই। ইউনিয়ন ব্রিটেনের সাথে বন্ধুত্বের চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং নিজেদেরকে আরব জাতির অংশ ঘোষণা করে। এটি কোনওভাবেই গণতান্ত্রিক ছিল না এবং আমিরাতের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থামেনি। ইউনিয়নটি ১৫ সদস্যের একটি কাউন্সিল দ্বারা শাসিত হত, যা পরবর্তীতে সাতটিতে নামিয়ে আনা হয় - অনির্বাচিত আমিরদের প্রত্যেকের জন্য একটি করে আসন। ৪০ আসনের আইনসভার ফেডারেল জাতীয় কাউন্সিলের অর্ধেক সাত আমির দ্বারা নিযুক্ত হন; ২০ জন সদস্য ৬,৬৮৯ জন আমিরতি দ্বারা ২ বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন, যার মধ্যে ১,১৮৯ জন মহিলাও রয়েছেন, যাদের সকলেই সাতজন আমির দ্বারা নিযুক্ত হন। আমিরাতে কোনও অবাধ নির্বাচন বা রাজনৈতিক দল নেই। ইরানের পাওয়ার প্লে আমিরাত তাদের স্বাধীনতা ঘোষণার দুই দিন আগে, ইরানি সৈন্যরা পারস্য উপসাগরের আবু মুসা দ্বীপে এবং পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথে হরমুজ প্রণালীর উপর আধিপত্য বিস্তারকারী দুটি তুম্ব দ্বীপে অবতরণ করে। এই দ্বীপপুঞ্জগুলি রাস আল খাইমাহ আমিরাতের অন্তর্গত ছিল। ইরানের শাহ যুক্তি দিয়েছিলেন যে ব্রিটেন ১৫০ বছর আগে অন্যায়ভাবে আমিরাতকে দ্বীপপুঞ্জগুলি হস্তান্তর করেছিল। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, প্রণালী দিয়ে ভ্রমণকারী তেল ট্যাঙ্কারগুলির দেখাশোনার জন্য তিনি সেগুলি পুনরায় দখল করছিলেন। শাহের যুক্তি যুক্তির চেয়ে বেশি সুবিধাজনক ছিল: আমিরাতের তেল পরিবহনকে বিপন্ন করার কোনও উপায় ছিল না, যদিও ইরানের তা ছিল। জটিলতার মধ্যে ব্রিটেনের স্থায়ী জটিলতা তবে, ইরানি সৈন্যদের অবতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল শারজা আমিরাতের শেখ খালেদ আল কাসেমুর সাথে নয় বছর ধরে ৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে এবং ইরানের প্রতিশ্রুতি ছিল যে যদি দ্বীপে তেল আবিষ্কৃত হয়, তাহলে ইরান এবং শারজা আয় ভাগ করে নেবে। এই ব্যবস্থার ফলে শারজার শাসকের জীবন নষ্ট হয়: শেখ খালিদ ইবনে মুহাম্মদকে একটি অভ্যুত্থানের চেষ্টায় গুলি করে হত্যা করা হয়। ব্রিটেন নিজেই দখলদারিত্বে জড়িত ছিল কারণ তারা স্বাধীনতার একদিন আগে ইরানি সৈন্যদের দ্বীপটি দখল করতে দিতে স্পষ্টভাবে সম্মত হয়েছিল। ব্রিটেনের নজরদারিতে দখলদারিত্বের সময় নির্ধারণের মাধ্যমে, ব্রিটেন আশা করেছিল যে তারা আন্তর্জাতিক সংকটের বোঝা থেকে আমিরাতকে মুক্ত করবে। কিন্তু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ কয়েক দশক ধরে ইরান এবং আমিরাতের মধ্যে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলেছিল। ইরান এখনও দ্বীপপুঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করে। সূত্র এবং আরও তথ্য আবেদ, ইব্রাহিম এবং পিটার হেলিয়ার। "সংযুক্ত আরব আমিরাত: একটি নতুন দৃষ্টিকোণ।" লন্ডন: ট্রাইডেন্ট প্রেস, ২০০১। ম্যাটেয়ার, থমাস আর. "তিনটি অধিকৃত সংযুক্ত আরব আমিরাত দ্বীপপুঞ্জ: টুনবস এবং আবু মুসা।" আবুধাবি: এমিরেটস সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ, ২০০৫। পটস, ড্যানিয়েল টি. "আমিরাতের ভূমিতে: সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রত্নতত্ত্ব এবং ইতিহাস।" লন্ডন: ট্রাইডেন্ট প্রেস, ২০১২। সাইদ জাহলান, রোজমেরি। "সংযুক্ত আরব আমিরাতের উৎপত্তি: সমঝোতা স্থিতির একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস।" লন্ডন: রাউটলেজ, ১৯৭৮।
Thousands of international travellers are experiencing flight delays and cancellations as rising tensions in the Middle East trigger widespread airspace closures and temporary airport shutdowns across the region. Three major aviation hubs that connect Europe and Africa with Asia and Australia — Doha, Dubai, and Abu Dhabi — have suspended or limited operations amid the conflict. Major regional carriers including Emirates, Qatar Airways, and Etihad Airways initially halted several services, though some flights have gradually resumed. Despite the disruption, aviation experts stress that the airlines themselves remain among the safest in the world. According to AirlineRatings.com, the safety reputation of these Middle Eastern carriers remains unchanged. “The airlines themselves remain safe operators,” said Sharon Peterson, chief executive of AirlineRatings. “The concern during conflicts is usually the safety of the surrounding airspace rather than the airlines.” Top Full-Service Airlines for 2026 AirlineRatings recently released its list of the world’s top full-service airlines for 2026. The top 10 include: Etihad Airways Cathay Pacific Qantas Qatar Airways Emirates Air New Zealand Singapore Airlines EVA Air Virgin Australia Korean Air Among them, Emirates and Qatar Airways retain the organisation’s highest seven-star safety rating, while Etihad Airways — ranked the world’s safest airline for 2026 — holds a Seven Star Plus safety rating, a distinction unique in the region. Passenger reviews, however, show comparatively lower scores, with Etihad rated 4.6/7, Emirates 5/7, and Qatar Airways 5.7/7. Peterson explained that while AirlineRatings sometimes deducts safety stars for airlines operating in regions facing major political or environmental risks, the current geopolitical tensions do not affect the operational safety standards of these carriers. She noted that the situation differs significantly from the Russia‑Ukraine War, where sanctions directly affected airlines. During that conflict, Russian airlines operating aircraft manufactured by Boeing and Airbus faced serious maintenance challenges due to restrictions on spare parts and certified servicing. Travellers Face Ongoing Uncertainty For travellers, the biggest challenge remains uncertainty. “The frustrating part of this situation is that no one knows when it will end,” Peterson said. While natural events such as volcanic eruptions can disrupt air travel for days or weeks, experts say geopolitical conflicts are far harder to predict and could affect travel for months.
Abu Dhabi: Etihad Airways has announced that it is operating a limited schedule of flights between March 6 and March 19, as authorities introduced temporary restrictions on parts of the United Arab Emirates airspace. In a statement released on Friday morning (March 6), the Abu Dhabi-based airline said it would continue operating flights between Abu Dhabi and a number of key global destinations during this period. The airline noted that passengers who had previously booked tickets would be accommodated on these flights “as soon as possible,” while tickets for the limited services remain available through its official website. Dozens of International Routes Continue According to the airline, flights are scheduled to operate between Abu Dhabi and several major destinations across Europe, Asia, Africa, North America and the Middle East. These destinations include major cities such as London Heathrow, New York JFK, Paris, Tokyo, Sydney, Singapore, Bangkok, Mumbai, Delhi, Islamabad, Karachi, Kuala Lumpur, Melbourne, Toronto, Washington and Amsterdam, among many others. However, Etihad cautioned that not all routes will operate daily and services remain subject to operational approvals. The airline said schedules could change depending on regional airspace conditions. Passengers are therefore advised to regularly check the latest flight information on the airline’s website before travelling to the airport. Advice for Passengers Etihad issued several instructions for travellers affected by the changes: Passengers should check their flight status online before leaving for the airport. Contact details in booking records should be kept up to date to receive airline notifications. Guests holding Etihad tickets issued on or before February 28, 2026, with original travel dates up to March 21, can rebook free of charge on Etihad-operated flights until May 15, 2026. Passengers scheduled to travel on Etihad flights until March 21 may also request a refund through the airline’s website or their travel agent. The airline also stressed that passengers should not travel to the airport unless they have been contacted directly by Etihad or hold a confirmed booking on one of the newly scheduled flights. Warning Over Social Media Scams Earlier, on March 4, the airline warned customers about fraudulent social media accounts impersonating Etihad in an attempt to obtain personal information. The company said that the only official accounts on the social media platform X are @Etihad and @EtihadHelp, and emphasised that the airline would never request sensitive personal details through social media messages. UAE Airspace Restrictions Behind Disruptions The limited flight operations come after the UAE’s General Civil Aviation Authority introduced a temporary partial closure of the country’s airspace. The authority described the move as an “exceptional precautionary measure” taken in response to rapidly evolving regional security developments. Abu Dhabi Airports had earlier advised travellers to check with their airlines before heading to the airport. High Call Volumes Expected Etihad said it is currently experiencing a very high volume of customer calls due to the disruptions. The airline added that affected passengers are being contacted directly and provided with rebooking options, and hotel accommodation where necessary. “The situation remains fluid and further adjustments may be required,” the airline said. Etihad added that it continues to work closely with relevant authorities and expects to resume normal flight operations once conditions permit. “The safety of Etihad’s guests and staff is our highest priority,” the airline said, while apologising for the inconvenience caused to passengers.
British Airways has announced the cancellation of all flights to Abu Dhabi until later this year, citing continued uncertainty and instability in Middle Eastern airspace. The UK-based airline confirmed on Tuesday (10 March) that it has temporarily suspended operations to several destinations across the region while reducing its overall flight schedule. According to the airline, all services to Zayed International Airport have been cancelled until later in 2026. However, the airline has not yet announced a specific date for when the flights will resume. Multiple Middle East Routes Suspended In addition to Abu Dhabi, the airline has suspended flights to Dubai International Airport, as well as services to Amman, Bahrain, Doha, and Tel Aviv until later this month. The airline said the decision was taken due to the continuing uncertainty surrounding the regional security situation and instability in surrounding airspace. In an official statement, British Airways said: “Due to the continuing uncertainty of the situation in the Middle East and airspace instability, we’ve had to temporarily reduce our flying schedule in the region.” The airline added: “We’ve cancelled all flights to and from Amman, Bahrain, Doha, Dubai and Tel Aviv until later this month and to and from Abu Dhabi until later this year.” British Airways said it is continuously reviewing the situation and remains in contact with affected customers to provide alternative travel arrangements. Repatriation Flights from Oman The airline also announced that limited seats remain available on repatriation flights from Muscat to London Heathrow Airport scheduled for 11 and 12 March. These flights are primarily intended for passengers who already hold existing bookings. After those dates, the airline said the repatriation flights will be temporarily paused due to reduced demand, although the situation will continue to be monitored. Limited Flights Continue from Abu Dhabi Despite the wider disruptions, Etihad Airways is currently operating a limited flight schedule from Abu Dhabi between 6 March and 19 March. The airline previously confirmed that passengers with existing bookings would be accommodated on available services wherever possible. Etihad has also made a number of seats available for purchase through its official website while it works to manage travel demand during the ongoing disruption. Regional Aviation Disruption The flight cancellations come amid broader aviation disruptions across the Middle East following temporary airspace restrictions introduced by UAE authorities as a precautionary measure due to rapidly evolving regional security developments. Airlines continue to monitor the situation closely, with further schedule adjustments possible depending on how conditions in the region develop. Passengers travelling to or from the affected destinations are advised to check directly with their airline for the latest flight updates before heading to the airport.
বাংলা ভাষাভিত্তিক আন্তর্জাতিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ঘটনাবলি তুলে ধরছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ইত্তেহাদ নিউজ। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় দৃঢ় অবস্থান ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিষয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, যাতে জনগণ প্রকৃত তথ্য জানতে পারে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এই সংবাদমাধ্যম। নৈতিক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে— সততা ও নির্ভুলতা: সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়। নিরপেক্ষতা: কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন করা হয়। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পরিচয় গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকে। মিথ্যা সংবাদ বর্জন: বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রকাশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর সমাজের প্রান্তিক ও নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে ইত্তেহাদ নিউজ। কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করাই এই সংবাদমাধ্যমের অন্যতম লক্ষ্য। বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। যেমন— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত ধর্ম, প্রযুক্তি ও মিডিয়া ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ইত্তেহাদ নিউজ বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একটি শক্তিশালী মাধ্যম। তাই যেখানে অন্যায় ও অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় এই সংবাদমাধ্যম। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতার চর্চার মাধ্যমে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করাই ইত্তেহাদ নিউজের অঙ্গীকার। 📌 আরও সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও বিশেষ ফিচার পেতে ভিজিট করুন: 👉 https://www.etihad.news
বাংলা ভাষাভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news)। প্রবাসীদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে ইত্তেহাদ নিউজ। অল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও নির্ভরযোগ্যতার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এই সংবাদমাধ্যম। ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি আধুনিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক বিষয়গুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উপস্থাপন করে আসছে। নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার নৈতিকতা (Ethics) কঠোরভাবে অনুসরণ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা সাংবাদিকতার মূল নীতিগুলো মেনে সংবাদ প্রকাশ করে আসছে— সততা ও নির্ভুলতা: যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই (Fact-check) করা হয়। নিরপেক্ষতা: রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে নাম গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন কোনো সংবাদ বা ছবি প্রকাশ করা হয় না। মিথ্যা ও প্রপাগান্ডা বর্জন: ইত্তেহাদ নিউজ কখনোই অসত্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে না। নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। সমাজের বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরে মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করাই এই সংবাদমাধ্যমের মূল লক্ষ্য। বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিত গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করছে— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত মিডিয়া, ধর্ম ও প্রযুক্তি ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা, সাহিত্য ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মার্জিত ভাষা ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনার কারণে ইত্তেহাদ নিউজ বর্তমানে অনলাইন মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী একটি নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত। স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে সোচ্চার ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি অধিকার আদায়ের একটি আন্দোলন। তাই যেখানে অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় ইত্তেহাদ নিউজ। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতা চর্চায় পাঠক ও সাংবাদিকদের উৎসাহিত করাই এই প্ল্যাটফর্মের অঙ্গীকার।
সম্প্রতি বরিশালের আঞ্চলিক বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ঐশী মঞ্জিল’ শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি মোঃ মীজানুর রহমান বাদল, বর্তমানে বানারীপাড়া উপজেলা ভূমি অফিসে সার্ভেয়ার হিসেবে কর্মরত আছি। দীর্ঘ সরকারি চাকরি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। প্রতিবেদনে খাস জমি, নামজারি ও রেকর্ড সংশোধন সংক্রান্ত কাজে অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বরিশাল নগরীর উত্তর সাগরদী ইসলামপাড়া সড়কে নির্মিত আমার ভবন ‘ঐশী মঞ্জিল’ সম্পূর্ণ বৈধ উপায়ে নির্মিত। আমার পিতার পেনশনের অর্থ এবং আমার দীর্ঘদিনের বৈধ উপার্জনের সমন্বয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সম্পদের তথ্য নিয়মিত আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে।বৈধ উপার্জনেকে সন্দেহজনক আখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিকর। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, আমার সুনাম ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। মো. মীজানুর রহমান বাদল। সার্ভেয়ার, বানারীপাড়া উপজেলা ভূমি অফিস।
ডিজিটাল যুগে কনটেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, আর এর কেন্দ্রে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)। এখন আর কনটেন্ট মানেই বড় প্রোডাকশন হাউস, ক্যামেরা বা অভিনেতা নয়—একজন নির্মাতা কম্পিউটার ও কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করে পুরো ভিডিও তৈরি করতে পারছেন। বিশেষ করে ইউটিউব ও ফেসবুক-এ দেখা যাচ্ছে, বানর, বিড়াল, সিংহের মতো ভার্চুয়াল চরিত্র দিয়ে গল্প বলা ভিডিওগুলো খুবই ভাইরাল হচ্ছে। অনেক ভিডিওর ভিউ সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে কোটি হচ্ছে, আর নির্মাতারাও উল্লেখযোগ্য আয় পাচ্ছেন। এআই কনটেন্টের জনপ্রিয়তার কারণ এ ধরনের কনটেন্ট এত দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কিছু বড় কারণ রয়েছে: কম খরচে উৎপাদন – আগে যেখানে বড় স্টুডিও দরকার হতো, এখন একটি কম্পিউটার ও সফটওয়্যারেই কাজ সম্ভব। দ্রুত উৎপাদন – স্ক্রিপ্ট লেখা, ভয়েস ও চরিত্র ডিজাইন সবকিছু কয়েক মিনিটে সম্পন্ন। আকর্ষণীয় ভিডিও – ছোট, মনোযোগ ধরে রাখার মতো ভিডিও প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদমকে প্রভাবিত করে। বৈশ্বিক দর্শক পৌঁছানো সহজ – একই ভিডিওকে বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব। কনটেন্ট নির্মাতাদের নতুন আয়ের পথ এই প্রযুক্তি নির্মাতাদের নতুন আয়ের সুযোগ খুলে দিয়েছে। একজন নির্মাতা দিনে একাধিক ভিডিও তৈরি করতে পারছেন, একই কনটেন্ট বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করতে পারছেন এবং বিজ্ঞাপন, স্পনসরশিপ বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় বাড়াচ্ছেন। কম বিনিয়োগে বেশি আয়ের সুযোগ থাকায় নতুন নির্মাতাদের প্রবেশও বেড়েছে। ভবিষ্যৎ কনটেন্ট ইকোসিস্টেম যদিও এই পরিবর্তন অবশ্যই হবে, বিশেষজ্ঞদের মতে তা ধীরে ধীরে এবং আংশিকভাবে হবে। ভার্চুয়াল বা AI-নির্ভর কনটেন্টের বৃদ্ধি দেখা যাবে, ফেসলেস চ্যানেল জনপ্রিয় হবে, এবং একক নির্মাতারা ছোট স্টুডিওর কাজ একাই করতে সক্ষম হবেন। তবে মানুষের সৃজনশীলতা, মৌলিক গল্প বলার দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক কনটেন্টের মূল্য কখনো কমবে না। অর্থাৎ, আগামী দিনে কনটেন্ট জগত হবে মানব ও AI-এর যৌথ সহযোগিতার যুগ। চ্যালেঞ্জ ও সতর্কতা এআই কনটেন্ট বৃদ্ধির সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও যুক্ত: মানের নিম্নগতি ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর ভিডিও মৌলিক নির্মাতাদের জন্য প্রতিযোগিতা প্ল্যাটফর্মের নতুন নীতিমালা তবুও, ব্যক্তিগতকৃত ভিডিও, রিয়েল-টাইম জেনারেটেড গল্প, ভার্চুয়াল ইনফ্লুয়েন্সার ও ইন্টারঅ্যাকটিভ ভিডিও হবে নতুন বাস্তবতা।
গত দশকে ইন্টারনেটের ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে গেছে। এক ক্লিকেই তথ্য পাওয়া, শেখা ও বিনোদনের সুযোগ ইন্টারনেটকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ করে দিয়েছে। তবে ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা শুধু ব্যবহারের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়; সার্চের প্রযুক্তিও ক্রমবর্ধমান উন্নতি করেছে। প্রাথমিক সময়ে ইয়াহু, আর্চি, লাইকোস এবং আল্টা ভিস্তার মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলো জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুগল সার্চ ইঞ্জিন প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি সার্চ ইঞ্জিনগুলোর ব্যবহার অনেকাংশে কমে গেছে। গুগল মূলত যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এটি শুধু সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং ইন্টারনেটের তথ্য ব্যবস্থাপনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ইন্টারনেটে কিছু খুঁজতে হলে বিশ্বজুড়ে গুগলই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। ক্রম শব্দ যতবার সার্চ করা হয়েছে ১ Facebook ১.৪ বিলিয়ন ২ Youtube ১.২ বিলিয়ন ৩ Google ৫৯৪.১ মিলিয়ন ৪ Gmail ৪২৮.৬ মিলিয়ন ৫ Amazon ৩৫০.৭ মিলিয়ন ৬ Weather ২৯৯.৪ মিলিয়ন ৭ Hotmail ২৭২.১ মিলিয়ন ৮ Translate ২৬৬.৭ মিলিয়ন ৯ google translate ২৪৩.৬ মিলিয়ন ১০ Instagram ২২৪.৭ মিলিয়ন ১১ Traductor ২২০.৯ মিলিয়ন ১২ Fb ২১৪ মিলিয়ন ১৩ Whatsapp web ২০৯.৭ মিলিয়ন ১৪ Clima ২০১.৮ মিলিয়ন ১৫ Cricbuzz ১৪২.৪ মিলিয়ন ১৬ google maps ১৪১.৫ মিলিয়ন ১৭ Yahoo ১২৬.৬ মিলিয়ন ১৮ Maps ১০৮.১ মিলিয়ন ১৯ Netflix ১০৫.৭ মিলিয়ন ২০ yahoo mail ১০৫ মিলিয়ন ২১ Ebay ১০০.১ মিলিয়ন ২২ you tube ৯৪.৮ মিলিয়ন ২৩ Twitter ৯১.৯ মিলিয়ন ২৪ Tiempo ৯১.৪ মিলিয়ন ২৫ Вк ৯০.১ মিলিয়ন ২৬ Yt ৮৩.১ মিলিয়ন ২৭ Facebook login ৮২.৯ মিলিয়ন ২৮ Погода ৮২.১ মিলিয়ন ২৯ Tradutor ৮০.১ মিলিয়ন ৩০ Outlook ৭৪.১ মিলিয়ন ৩১ Переводчик ৬৫.৪ মিলিয়ন ৩২ Whatsapp ৬৫ মিলিয়ন ৩৩ Walmart ৬৪.৮ মিলিয়ন ৩৪ Coronavirus ৬৪.৪ মিলিয়ন ৩৫ Meteo ৬৯.৬ মিলিয়ন ৩৬ Livescore ৫৮.৫ মিলিয়ন ৩৭ BBC News ৫৬.৬ মিলিয়ন ৩৮ News ৫৬.৩ মিলিয়ন ৩৯ previsão do tempo ৫৬.১ মিলিয়ন ৪০ Satta ৫৬.১ মিলিয়ন ৪১ satta king ৫৫.৭ মিলিয়ন ৪২ Sarkari result ৫৫.৭ মিলিয়ন ৪৩ Ютуб ৫৩.৮ মিলিয়ন ৪৪ Roblox ৫২.৬ মিলিয়ন ৪৫ google traduction ৫২.২ মিলিয়ন ৪৬ Olx ৫০.৬ মিলিয়ন ৪৭ satta Matka ৪৫.৮ মিলিয়ন ৪৮ Pinterest ৪৫.৩ মিলিয়ন ৪৯ Restaurants ৪৪.৯ মিলিয়ন ৫০ Wetter ৪৪.৭ মিলিয়ন গুগল সার্চের কাজের পদ্ধতি গুগল কীভাবে কাজ করে তা বোঝার জন্য অ্যালগরিদম ও আর্কিটেকচার জানা জরুরি। গুগল সার্চের ফলাফল তৈরি করার জন্য প্রধানভাবে তিনটি উপাদান ব্যবহার করে: স্পাইডার বা ক্রলার: এটি একধরনের স্বয়ংক্রিয় বট, যা ওয়েবের বিভিন্ন পেজ ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে ইনডেক্সে রাখে। সার্চ রেজাল্টে কোন ওয়েবসাইট প্রদর্শিত হবে, তা এই স্পাইডার নির্ধারণ করে। কীওয়ার্ড ডাইরেক্টরি: গুগলের বিশাল আয়তনের কীওয়ার্ড ডাইরেক্টরি সার্চ রেজাল্ট সাজানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করে। অ্যালগরিদম: ব্যবহারকারীর সার্চ রেজাল্ট প্রদর্শনের জন্য গুগল অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এই অ্যালগরিদম নিশ্চিত করে যে, ব্যবহারকারী যেই শব্দটি সার্চ করেছেন, সেই শব্দযুক্ত কনটেন্ট বা ওয়েবসাইটই তালিকার শুরুর দিকে দেখানো হবে। গুগল ট্রেন্ডস: কোন কীওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি সার্চ হয় গুগলে কোন বিষয় বা কীওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হচ্ছে, তা জানতে গুগল ট্রেন্ডস (Google Trends) ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয়। এখানে গ্রাফ ও মানচিত্রের মাধ্যমে প্রতিটি অঞ্চলে কী কী শব্দ সার্চ হচ্ছে, তা সহজেই দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি জানতে পারবেন কোন শব্দ কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, বা সময়ের সঙ্গে কী কীওয়ার্ডের সার্চ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা ৫০টি শব্দের তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে, যা বিভিন্ন নিউজ ও অনলাইন গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেট ও সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি তথ্যের সহজলভ্যতা ও ট্রেন্ড বিশ্লেষণও আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। গুগল সার্চ শুধুমাত্র তথ্য খোঁজার মাধ্যম নয়, এটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মনোভাব ও আগ্রহের প্রতিফলনও। গুগল ট্রেন্ডস ব্যবহার করে ব্যবসা, শিক্ষা, মিডিয়া ও গবেষণার জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব।
রায়হানুল ইসলাম : মিয়ানমারভিত্তিক মাদক উৎপাদন ও পাচার ক্রমেই বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুতর সামাজিক ও নিরাপত্তা সংকটে পরিণত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মাদক উৎপাদন অঞ্চলের সঙ্গে মিয়ানমারের সম্পৃক্ততা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতার সুযোগে মাদক কারবার ভয়াবহ মাত্রা পেয়েছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে প্রতিবেশী বাংলাদেশে, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও নগরকেন্দ্রিক সমাজব্যবস্থায়। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ভৌগোলিক বাস্তবতা মাদক পাচারকারীদের জন্য বড় সুবিধা তৈরি করেছে। দুর্গম পাহাড়, নাফ নদী ও বিস্তীর্ণ সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে ইয়াবা ও আইসের মতো সিনথেটিক মাদক নিয়মিত দেশে প্রবেশ করছে। কক্সবাজার ও টেকনাফ হয়ে এসব মাদক রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে, যা ক্রমে একটি সুসংগঠিত অপরাধ নেটওয়ার্কে রূপ নিচ্ছে। মাদকের সবচেয়ে উদ্বেগজনক প্রভাব পড়ছে তরুণ সমাজে। শিক্ষার্থী ও কর্মক্ষম যুবসমাজের একটি অংশ মাদকাসক্তিতে জড়িয়ে পড়ায় সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে। পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়া, পারিবারিক অস্থিরতা, সহিংসতা ও অপরাধপ্রবণতা—এসব সমস্যার সঙ্গে মাদকাসক্তির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এখন আর অস্বীকার করার উপায় নেই। একটি জাতির ভবিষ্যৎ যখন বিপথগামী হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে, তখন তা শুধু সামাজিক নয়, রাষ্ট্রীয় সংকটেও পরিণত হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্ষেত্রেও মাদক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। মাদক পাচারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে সশস্ত্র চক্র, বাড়ছে সহিংসতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাদক কারবারিদের সংঘর্ষের ঘটনাও নতুন নয়। মাদক অর্থনীতির অবৈধ অর্থ সমাজের অন্যান্য অপরাধকে উৎসাহিত করছে, যা সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রভাবও কম নয়। মাদকাসক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, আইন প্রয়োগ ও বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রকে উল্লেখযোগ্য ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি অংশ উৎপাদনশীলতা হারালে জাতীয় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উন্নয়নশীল দেশের জন্য এ ধরনের অপচয় দীর্ঘমেয়াদে বড় চাপ তৈরি করতে পারে। রোহিঙ্গা সংকটের সঙ্গে মিয়ানমারের মাদক সমস্যার একটি জটিল সংযোগও স্পষ্ট হচ্ছে। কিছু অপরাধচক্র রোহিঙ্গা সংকটকে কাজে লাগিয়ে মাদক পাচারের চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময় উঠে এসেছে। যদিও অধিকাংশ রোহিঙ্গা এসব অপরাধে জড়িত নয়, তবুও এই বাস্তবতা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন তৈরি করেছে। সরকার ইতোমধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ ইতিবাচক হলেও বাস্তবতা হলো, কেবল অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মাদক উৎপাদনের মূল উৎস মিয়ানমারে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না এলে পাচার পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন। এ কারণে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। মিয়ানমারের মাদক উৎপাদন ও পাচারের বিষয়টি কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক সমস্যা নয়; এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে এবং মিয়ানমারের ওপর কার্যকর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। সবশেষে বলা যায়, মিয়ানমারের মাদকের ভয়াবহ প্রভাব বাংলাদেশে একটি গভীর সংকট তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণ সমাজকে সুস্থ বিকল্প পথে সম্পৃক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করাই হতে পারে টেকসই সমাধানের পথ। নচেৎ এই সংকট ভবিষ্যতে আরও বড় আকার ধারণ করার আশঙ্কা থেকেই যাবে। লেখকঃ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : বাংলা ভাষায় পরিচালিত একটি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টালের নাম ইত্তেহাদ নিউজ ((Etihad.news)। প্রবাসীদের খবর এবং ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে ইত্তেহাদ নিউজের পথচলা শুরু হয়। সৎ ও সাহসিকতার সাথে দুর্নীতি, অনিয়মের অনুসন্ধানী মুলক সংবাদ প্রকাশ করে আসছে ইত্তেহাদ নিউজ। সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি আধুনিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক খবর প্রকাশ করে।সাংবাদিকতায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মার্জিত ভাষার জন্য ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) জনপ্রিয়। বর্তমানে অনলাইন মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news)। সংবাদের জন্য ইত্তেহাদ নিউজ সাধারণ পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) নিজেদের 'ঐতিহ্যবাহী' এবং 'নির্ভরযোগ্য' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং অধিকার আদায়ের আন্দোলন হিসেবে কাজ করে আসছে ইত্তেহাদ নিউজ । ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার নৈতিকতা (Ethics) মেনে সংবাদ প্রকাশ করে।ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) এর সাংবাদিকরা সততা এবং নির্ভরযোগ্যতার সাথে সংবাদ তৈরি করে। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার মূল নীতিগুলো অনুসরন করে আসছে প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই। ইত্তেহাদ নিউজ সব সময় - সততা ও নির্ভুলতা: কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই তথ্যের সত্যতা যাচাই (Fact-check) করে নেয়। নিরপেক্ষতা: সংবাদের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত না করেই সংবাদ প্রকাশ করে। গোপনীয়তা রক্ষা: তথ্যের উৎসের (Source) নিরাপত্তার খাতিরে অনেক সময় নাম গোপন রাখা সাংবাদিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক দিক। সেদিক শতভাগ নিশ্চিত করে ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। ক্ষতি না করা: এমন কোনো সংবাদ বা ছবি প্রকাশ করেনা ইত্তেহাদ নিউজ যাতে করে রাষ্ট্র বা সমাজ বা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনের জন্য অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি বা ক্ষতির কারণ হয়। ইত্তেহাদ নিউজ সব সময় মিথ্যা,প্রপাগান্ডা ও অসৎ সংবাদ প্রকাশ করেনা।ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) অসহায়,নিপিড়িত,নির্যাতিত, কৃষক, শ্রমিক ও অসহায় মানুষের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে আসছে।প্রকাশ করে আসছে সব সমস্যা ও সম্ভাবনার সংবাদ। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) গুরুত্বের সাথে এশিয়া,মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক,বাংলাদেশ,রাজনীতি,অনুসন্ধানী সংবাদ,বিনোদণ,সম্পাদকীয়,অর্থনীতি,খেলাধুলা,মতামত,মিডিয়া,ধর্ম,প্রযুক্তি,ফিচার,ভ্রমন,শিক্ষা,সাহিত্য,স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে। ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সব সময়ই সততা,নির্ভুলতা ও পক্ষপাতহীন সংবাদ প্রকাশ করছে।সততা ও ন্যায্যতার সাথে সাংবাদিকতা চর্চায় উৎসাহ করছে।নৈতিক ও দ্বায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সব সময়ই সোচ্চার।ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে।যেখানেই অনিয়ম সেখানেই সোচ্চার ইত্তেহাদ নিউজ(Etihad.news)। এম. এম. রহমান প্রধান সম্পাদক ইত্তেহাদ নিউজ ইমেইল: [email protected] Web: https://etihad.news .সংবাদের জন্য: [email protected] .বিজ্ঞাপনের জন্য: [email protected] .যেকোনো তথ্যের জন্য: [email protected] সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম …… .ফেসবুক: https://www.facebook.com/Etihadnewsuae .ইউটিউব:https://www.youtube.com/@etihadnewsmail .টুইটার: https://twitter.com/EtihadNews24 .ইনস্টাগ্রাম : https://www.instagram.com/etihadnewsuae
etihad news is one of the famous Bangla news portals published from Abudhabi-UAE. It has begun with a commitment to fearless, investigative, informative, and independent journalism. This online portal has started to provide real-time news updates with maximum use of Smart Technology ডিজিটাল ও স্মার্ট সাংবাদিকতার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করতে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলা ভাষায় যাত্রা শুরু করেছে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম “ইত্তেহাদ নিউজ”। ২০২০ সালে এই গণমাধ্যমটির প্রচার ও প্রকাশনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও, বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে কার্যক্রম কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়। তবে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বর্তমানে পূর্ণোদ্যমে এগিয়ে চলেছে ইত্তেহাদ নিউজ। ইত্তেহাদ নিউজের মূল লক্ষ্য—বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলাভাষী মানুষের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য, আধুনিক ও অংশগ্রহণমূলক সংবাদমাধ্যম তৈরি করা। এখানে অনুসৃত নীতিই হলো—“যারাই লেখক, তারাই পাঠক”। অর্থাৎ পাঠকরাই তাদের নিজস্ব ভাষা, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সংবাদ তৈরি ও প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক, ফিচার, অনুসন্ধানী সংবাদ, প্রযুক্তি, মতামতসহ বিভিন্ন বিভাগে পাঠকদের চাহিদা ও পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে থাকছে ভিডিও সংবাদ, যা দেখা যাবে অ্যাপ, ইউটিউব, টুইটারসহ সকল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। “ইত্তেহাদ নিউজ” অনলাইন সাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রতিদিন পরিবেশন করছে নানামুখী খবর, বিশ্লেষণধর্মী লেখা এবং শিক্ষণীয় প্রতিবেদন—ভিডিও ও টেক্সট উভয় ফরম্যাটে। এই সংবাদমাধ্যম থেকে প্রচারিত উন্নতমানের ও বিশ্বাসযোগ্য কনটেন্ট বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পাঠক ও দর্শক ইন্টারনেটের মাধ্যমে পড়তে, শুনতে ও দেখতে পারছেন। ইত্তেহাদ নিউজের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবী সদর দপ্তর থেকে। এছাড়া ঢাকা, বরিশাল, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব ও সাইপ্রাসে রয়েছে নিজস্ব সংবাদদাতা। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সংবাদদাতাদের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা ইত্তেহাদ নিউজের প্রতিনিধিরা নিয়মিত পাঠাচ্ছেন তরতাজা সংবাদ, তথ্য ও বিশ্লেষণ, যা দ্রুততম সময়ে প্রকাশ করা হচ্ছে এই প্ল্যাটফর্মে। ডিজিটাল সাংবাদিকতার এই নতুন উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এম. এম. রহমান প্রধান সম্পাদক ইত্তেহাদ নিউজ ইমেইল: [email protected] Web: https://etihad.news .সংবাদের জন্য: [email protected] .বিজ্ঞাপনের জন্য: [email protected] .যেকোনো তথ্যের জন্য: [email protected] সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম …… .ফেসবুক: https://www.facebook.com/Etihadnewsuae .ইউটিউব:https://www.youtube.com/@etihadnewsmail .টুইটার: https://twitter.com/EtihadNews24 .ইনস্টাগ্রাম : https://www.instagram.com/etihadnewsuae
এআইয়ের যুগে ডিজিটাল নিরাপত্তা সুরক্ষায় করণীয় বর্তমান যুগ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI)। আমরা যখন আমাদের জীবনকে সহজ করতে এআইয়ের ওপর নির্ভর করছি, ঠিক তখন সাইবার অপরাধীরাও একে বানাচ্ছে তাদের শক্তিশালী অস্ত্র। আগে সাইবার হামলা মানেই ছিল বানান ভুলে ভরা ইমেইল বা অদ্ভুত লিংকে ক্লিক করার প্রলোভন। কিন্তু এখন এআইয়ের যুগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আর কেবল পাসওয়ার্ড বদলে সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন একটি মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তিগত যুদ্ধক্ষেত্র। এআই যখন বিপদের নাম এআই এখন এমন সব ফিশিং ইমেইল তৈরি করতে পারে যা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি কোনো প্রতারকের কাজ। একে বলা হচ্ছে হাইপার-পার্সোনালাইজড স্ক্যাম। শুধু তাই নয়, ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপনার পরিচিত কারও কণ্ঠস্বর বা ভিডিও হুবহু নকল করে আপনার কাছে টাকা চাওয়া হতে পারে। আপনার দীর্ঘদিনের চেনা মানুষের কণ্ঠস্বরই হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে বড় ফাঁদ। এর পাশাপাশি, এআই ব্যবহার করে হ্যাকাররা এখন কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে লাখ লাখ পাসওয়ার্ড ভাঙার চেষ্টা (Brute Force Attack) করতে পারছে। আধুনিক সুরক্ষা আমরা এতদিন মনে করতাম একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা অ্যান্টি-ভাইরাসই যথেষ্ট। কিন্তু এআইয়ের যুগে এই ধারণাটি একটি বিপজ্জনক ভুল। এখন প্রয়োজন জিরো ট্রাস্ট আর্কিটেকচার। অর্থাৎ কাউকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস না করা। এমনকি আপনার অফিসের বস বা পরিবারের সদস্যের কাছ থেকে আসা ডিজিটাল অনুরোধও যাচাই করা প্রয়োজন। করণীয় মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) : শুধু পাসওয়ার্ডে ভরসা না করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা অ্যাপ-ভিত্তিক টু-ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করুন। মানসিক সচেতনতা বা হিউম্যান ফায়ারওয়াল প্রযুক্তির চেয়েও বড় সুরক্ষা হলো আপনার সাধারণ জ্ঞান। কোনো জরুরি অনুরোধে বিচলিত না হয়ে আগে অফলাইনে বা ভিন্ন মাধ্যমে তার সত্যতা যাচাই করুন। এআই-চালিত নিরাপত্তা সরঞ্জাম : কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো, এআইয়ের হামলা ঠেকাতে এআই-ভিত্তিক সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন; যা অস্বাভাবিক প্যাটার্ন শনাক্ত করতে পারে। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট কমানো : ইন্টারনেটে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যত কম থাকবে, এআই আপনাকে টার্গেট করা তত কঠিন হবে। প্রযুক্তি যত উন্নত হবে, আক্রমণ তত সূক্ষ্ম হবে। আমরা যদি মনে করি আধুনিক সব টুলস আমাদের বাঁচিয়ে দেবে, তবে আমরা ভুল করছি। এআইয়ের এই যুগে মানুষের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো তার সন্দেহ করার ক্ষমতা এবং যাচাই করার প্রবণতা। মনে রাখবেন, ডিজিটাল নিরাপত্তার যুদ্ধে প্রযুক্তির চেয়েও আপনার সচেতনতা বেশি কার্যকর।
নিপুণ বাসা তৈরির দক্ষ করিগর বাবুই পাখি ও এর বাসা এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। পরিবেশ বিপর্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজাড়, নতুন বণায়নে বাসযোগ্য পরিবেশ ও খাদ্যের অভাব, নির্বিচারে তালগাছ কর্তন, অসাধু শিকারীর ফাঁদসহ বহুবিধ কারণে কালের আবর্তে প্রকৃতির স্থপতি, বয়ন শিল্পী এবং সামাজিক বন্ধনের প্রতিচ্ছবি বাবুই পাখি ও এর দৃষ্টিনন্দন বাসা ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে। আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগেও গ্রামগঞ্জে ব্যাপকভাবে বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ত। কিচিরমিচির শব্দ আর এদের শৈল্পিক বাসা মানুষকে পুলকিত করত। অপূর্ব শিল্প শৈলীতে প্রকৃতির অপার বিস্ময় এদের সেই ঝুলন্ত বাসা বাড়ির তালগাছসহ নদীর পাড়ে, পুকুর পাড়ে, বিলের ধারে এখন আর সচরাচর চোখে পড়ে না। আগের মতো বাবুই পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয় না গ্রাম বাংলার জনপদ। নিরীহ, শান্ত প্রকৃতির এই বাবুই পাখি উচু এবং নিরিবিলি পরিবেশে বাসা তৈরি করে। গ্রামগঞ্জের তাল, সুপারি, নাড়িকেল, খেজুর গাছে বাসা তৈরি করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে এরা। এসব গাছের সংকটে মাঝে মাঝে হিজল গাছেও বাসা বাধতে দেখা যায় তাদের। এই পাখি বাসা তৈরির কাজে ব্যবহার করে খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালের কচি পাতা, ঝাউ ও কাঁশবনের লতা। চমৎকার আকৃতির এই বাসা বিশেষ করে তাল গাছের ডালে এমনভাবে সাটানো থাকে যাতে কোনো ঝড়-তুফানে সহসাই ছিড়ে না পড়ে। এদের বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই নয়, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক জোগায় এবং স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করে। এটি দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমই মজবুত ও টেকসই । ঠোট দিয়ে বাবুই পাখি আস্তর ছড়ায়। পেট দিয়ে ঘঁষে তা আবার মসৃণ করে। বাসা বানাতে শুরুতেই দুটি নিম্নমুখী গর্ত করে থাকে। পরে তা একদিকে বন্ধ করে ডিম পাড়ার জায়গা করে। অন্যদিকে লম্বা করে প্রবেশ ও প্রস্থান পথ তৈরি করে। ব্যালেন্স করার জন্য বাসার ভিতরে কাদার প্রলেপ দেয়। এমন বাসাও তৈরি করে যেখানে বসে দোলনার মতো দোল খায়। আধুনিক যুগে যা বড়ই যুক্তি সংগত। বাসার ভিতরে ঠিক মাঝখানে একটি আড়া তৈরি করে বাবুই পাখি। যে আড়াতে পাশাপাশি বসে এরা প্রেম আলাপসহ নানা রকম গল্প করে। এ আড়াতেই এরা নিদ্রা যায়। কি অপূর্ব বিজ্ঞান সম্মত চেতনাবোধ। ছোট হলেও বুদ্ধিতে সব পাখিকে হার মানায়। এক গাছ থেকে আরেক গাছ, এক বাসা থেকে আরেক বাসায় এরা সঙ্গী খুঁজতো। পছন্দ হলে সঙ্গী বানানোর জন্য কত কিছুই না করে। পুরুষ বাবুই নিজের প্রতি আকর্ষণ করার জন্য ডোবার গোসল সেরে ফুর্তিতে নেচে নেচে উড়ে বেড়ায় এক ডাল থেকে অন্য ডালে। এরপর উচুঁ গাছের ডালে বাসা তৈরির কাজ শুরু করে। অর্ধেক কাজ হলে কাঙ্খিত স্ত্রী বাবুইকে ডেকে সেই বাসা দেখায়। বাসা পছন্দ হলেই কেবল পুরো কাজ শেষ করে। তা না হলে অর্ধেক কাজ করেই নতুন করে আরেকটি বাসা তৈরির কাজ শুরু করে। অর্ধেক বাসা বাঁধতে সময় লাগে ৪-৫ দিন। কাঙ্খিত স্ত্রী বাবুই পাখির পছন্দ হলে বাকিটা শেষ করতে সময় লাগে আরো ৪ দিন। পুরুষ বাবুই এক মৌসুমে ৬ টি পর্যন্ত বাসা বুনতে পারে। তাছাড়া এরা ঘর করতে পারে ৬ টির সঙ্গে। স্ত্রী বাবুইদের এতে কোনো বাঁধা নেই। প্রজনন প্রক্রিয়ায় স্ত্রী বাবুই ডিমে তা দেয়ার দুসপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা ফোটে। আর বাচ্চা বাসা ছেড়ে প্রথম উড়ে যায় জন্মের তিন সপ্তাহের মধ্যে। কৃষকের ধান ঘরে ওঠার মৌসুম হলো বাবুই পাখির প্রজনন মৌসুম। দুধ ধান সংগ্রহ করে এনে স্ত্রী বাবুই বাচ্চাদের খাওয়ায়। তবে এখন সঙ্গত কারণেই বাবুই পাখি তালগাছ ছেড়ে ভিন্ন গাছে নীড় বেঁধেছে। এই দক্ষ স্থপতি বাবুই পাখির নীড় ভেঙে দিচ্ছে এক শ্রেণীর অসাধু মানুষ। এক সময় গাজীপুরের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামে গ্রামে দেখা যেতো অগণিত বাবুই পাখির বাসা। এই এলাকার গাঁও গ্রাম ঘুরেও এখন আর দৃষ্টি নন্দন বাবুই পাখির ঝুলন্ত বাসা আগের মতো দেখা যায় না। উপজেলার আধবই গ্রামের পাখি প্রেমিক নওশীন বাবু ঐশী বলেন, সারাবিশ্বে বাবুই পাখির প্রজাতির সংখ্যা ১১৭টি। তবে বাংলাদেশে তিন প্রজাতির বাবুই পাখির বাস। তিনি আরও বলেন, বাবুই পাখির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করার জন্য এরা জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে আবার তাদের ছেড়ে দেয়। ধান, চাল, গম ও পোকা-মাকড় প্রভৃতি তাদের প্রধান খাবার। উপজেলা কৃষক ইব্রাহিম বলেন, নিপুণ কারিগর বাবুই পাখি ও তার বাসা টিকিয়ে রাখতে হলে বৃক্ষ নিধনকারীদের হাত থেকে উক্ত গাছ রক্ষা করতে হবে। প্রকৃতিক সোন্দর্য বৃদ্ধিতে বাবুই পাখির বাসা তৈরির পরিবেশ সহজ করে দিতে হবে।
লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির আতাকামা মরুভূমিতে এক বিরল দৃশ্য দেখা দিয়েছে। বছরের বেশির ভাগ সময় যেখানে ধুলা উড়তে থাকে, সেই নির্জন মরুপ্রান্তরে এখন ছড়িয়ে আছে রঙিন ফুলের গালিচা। এ যেন মরুর বুকে ক্ষণিকের এক রূপকথা। চিলির লানোস দে চায়ে জাতীয় উদ্যান এলাকায় এ বছর অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পর বুনো ফুল গাছে ভরে গেছে আতাকামা মরুভূমি। বিশ্বের সবচেয়ে শুষ্ক এই মরুভূমিতে বছরে গড়ে মাত্র দুই মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। তবে এ বছরের শীতে পাহাড়ি অঞ্চল এবং পাদদেশে নজিরবিহীনভাবে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। সেই বৃষ্টির পানিতেই মাটির নিচে ঘুমিয়ে থাকা দুই শতাধিক প্রজাতির বীজ জেগে ওঠে ফুলে ফুলে ভরে গেছে। গোলাপি, বেগুনি, হলুদ আর নীল—নানা রঙের এই উৎসবে মরুভূমি যেন নতুন প্রাণ পেয়েছে। চিলির জাতীয় প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘরের উদ্ভিদবিদ ভিক্টর আরদিলেস বলেন, ‘বছরের পর বছর এই বীজগুলো মাটির নিচে ঘুমিয়ে থাকে। যথেষ্ট আর্দ্রতা পেলে তারা জেগে ওঠে, অঙ্কুরিত হয়, আর ফুটে ওঠে ফুল।’ তবে সব বীজ যে জেগে ওঠে, তা নয়। পর্যাপ্ত পানি, তাপমাত্রা, আলো আর আর্দ্রতা—এই চারটি উপাদান একসঙ্গে না মিললে ফুল ফোটে না। এই সৌন্দর্যের আয়ুও খুব বেশি নয়। নভেম্বর নাগাদ বেশির ভাগ ফুল ঝরে যাবে। কেবল শক্ত প্রাণের কিছু বুনো ফুল জানুয়ারি পর্যন্ত টিকে থাকবে। এই ক্ষণস্থায়ী ফুলেল মরু দেখার জন্য ছুটে আসছেন হাজারো মানুষ। রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে ৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে অনেকেই আসছেন এই রঙিন গালিচা দেখতে। পর্যটক মারিৎসা বারেরা বললেন, ‘ভাবনার চেয়েও বেশি মোহময় এই দৃশ্য।’ এই বিরল প্রকৃতি রক্ষায় চিলি সরকার ২০২৩ সালে ৫৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করে। নাম দেওয়া হয়েছে ডেজার্ট ব্লুম ন্যাশনাল পার্ক। গবেষকেরা বলছেন, পৃথিবীর আর কোথাও মরুভূমি এভাবে ফুলে ফুলে ভরে ওঠে না। তাই আতাকামার এই ক্ষণিকের রূপ, যত দিন আছে, উপভোগ করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার আজ আর বিলাসিতা নয় বরং দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। অফিসে কাজের সময়, যাত্রাপথে গান শোনা বা বাসায় স্মার্ট স্পিকারের সহায়তাÑ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা ব্লটুথ হেডফোন, ওয়্যারলেস ইয়ারবাড বা ওয়াই-ফাই ভিত্তিক অডিও সিস্টেম ব্যবহার করছি। তবে আরামের পাশাপাশি নীরবে বাড়ছে সাইবার ঝুঁকিও। কারণ এই ডিভাইসগুলো এখন শুধু অডিও শোনার মাধ্যম নয়; এগুলো ব্যবহারকারীর কণ্ঠ, অভ্যাস, অবস্থানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ডেটাও ধারণ করছেÑ যা অসতর্ক হলে সহজেই হ্যাকারদের টার্গেটে পরিণত হতে পারে। ব্লটুথে আড়িপাতার সুযোগসবচেয়ে প্রচলিত তারবিহীন প্রযুক্তি ব্লুটুথ। কিন্তু অনেক ডিভাইসই এখনও দুর্বল বা পুরনো এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এর ফলে সাইবার অপরাধীরা খুব সহজেই আপনার ব্লুটুথ সিগন্যাল ক্যাপচার করতে পারে। এনক্রিপশন ভেঙে কথোপকথন শুনতে পারে। অথবা অডিও ট্রান্সমিশন জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবর্তন করতে পারে। আরও বড় ঝুঁকি তৈরি হয় পেয়ারিংয়ের সময়। যখন আপনি নতুন হেডফোন বা স্পিকার কানেক্ট করেন, তখন ডিভাইস ‘ডিস্কভারেবল মোডে থাকে। এই সুযোগে হ্যাকার ভুয়া ডিভাইস হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে পারে। আপনার পেয়ারিং সিগন্যাল ইন্টারসেপ্ট করতে পারে। এমনকি নকল কানেকশনের মাধ্যমে আপনার অডিও ট্র্যাফিক শুনে ফেলতে পারে। পাবলিক জায়গায় ব্লটুথ স্ক্যানিং ক্যাফে, রেলস্টেশন বা বিমানবন্দরে ব্লুটুথ অন অবস্থায় রাখলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। কারণ হ্যাকাররা বিশেষ স্ক্যানিং টুল দিয়ে আশপাশের সব ব্লুটুথ সিগন্যাল খুঁজে দুর্বল ডিভাইস শনাক্ত করে। এরপর অডিও স্ট্রিমে গোপনে প্রবেশের চেষ্টা করে। স্মার্ট অডিও ডিভাইস : অদৃশ্য ডেটা সংগ্রহকারী নতুন প্রজন্মের ওয়্যারলেস ইয়ারবাড বা স্মার্ট স্পিকার এখন সেন্সর, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ও অ্যাপ কানেকশনসহ নানা সুবিধা দেয়। কিন্তু একই সঙ্গে তারা ব্যবহারকারীর ভয়েস কমান্ড, লোকেশন ডেটা, শোনার অভ্যাস এমনকি বায়োমেট্রিক তথ্যও সংগ্রহ করে। এগুলো যদি কোম্পানি সঠিকভাবে সুরক্ষিত না রাখে, কিংবা ডেটা ফাঁস হয়Ñ তাহলে বড় মাত্রার গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সম্ভাবনা থাকে। ওয়াই-ফাই স্পিকারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক হ্যাকিং বড় মাপের স্মার্ট স্পিকার বা হোম অডিও সিস্টেম মূলত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কাজ করে। রাউটারের দুর্বল পাসওয়ার্ড, পুরনো ফার্মওয়্যার বা অনিরাপদ নেটওয়ার্কের কারণে হ্যাকাররা ঘরের নেটওয়ার্কে প্রবেশ, অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ, এমনকি র্যানসমওয়্যার ছড়িয়ে পুরো সিস্টেম লক করে দিতে পারে। এভাবে একটি সাধারণ অডিও ডিভাইস পুরো স্মার্ট হোমকে বিপদে ফেলতে পারে। ভয়েস ক্লোনিং হুমকি AI দিয়ে ভয়েস কপি এখন সহজ। হ্যাকার ইয়ারবাড বা স্মার্ট স্পিকার থেকে কণ্ঠস্বর সংগ্রহ করে ব্যাংক কল যাচাই, পরিচিতির ছদ্মবেশÑ এসবও করতে পারে। ঝুঁকি কমানোর উপায় ফার্মওয়্যার সব সময় আপডেট রাখুন। ব্লটুথ ডিসকভারেবল মোড বন্ধ রাখুন। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ পারমিশন বন্ধ করুন। পাবলিক জায়গায় নতুন ডিভাইস পেয়ারিং এড়ান। সন্দেহজনক কানেকশন দেখলে রিসেট করুন। তারবিহীন অডিও ডিভাইস আমাদের জীবনকে সহজ ও কার্যকর করেছে। তবে নিরাপত্তার দিকে সামান্য অসাবধানতা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যবহারকারীর সচেতনতাও সমান জরুরি।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ। ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী। ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে, স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”
বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।
মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও বি এম কলেজ এর সাবেক জি এস এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা। নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।