Brand logo light
রাজনীতি

তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা: বরিশালের বেলস পার্কে জনতার ঢল

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
বরিশালের বেলস পার্কে জনতার ঢল
বরিশালের বেলস পার্কে জনতার ঢল

বরিশালের বেলস পার্ক মাঠে জনতার ঢল। এই মাঠেই আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি )  বিএনপির জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় ২০ বছর পর বরিশালে আসছেন তিনি।

বরিশাল নগরীর ৩০টি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে ৬ জেলা আর ৪৪ উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে বেলস পার্ক মাঠে জড়ো হচ্ছেন।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার জানান, অতীতের যে জনসভার রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ আজ তারেক রহমানের জনসভায় যোগ দেবেন বলে আশা করছি আমরা। সবাই আসছেন গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য শুনতে। নগরীর বাইরে জেলা-উপজেলা থেকে বাস লঞ্চ বোঝাই হয়ে নেতাকর্মীরা আসছেন জনসভার উদ্দেশ্যে। অনেক আবার ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের বহর নিয়ে নদীর বুক চিড়ে ছুটছেন জনসভার উদ্দেশ্যে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে করে বরিশালে এসে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। সাড়ে ১২টা নাগাদ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। জনসভা সফলে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে স্থানীয় বিএনপি।

বরিশালের সমাবেশ শেষে ফরিদপুরে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যানের।

Popular post
ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

ডলারের দাম বাড়ছে: কী প্রভাব পড়ছে আমদানি-রপ্তানিতে?

ডলারের দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশে আমদানি ও রপ্তানি খাতে দেখা দিচ্ছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একদিকে আমদানিকারকরা পড়ছেন চাপের মুখে, অন্যদিকে রপ্তানিকারীরা কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন। আমদানি খাতে ডলারের দর বাড়ায় বিদেশ থেকে পণ্য আনতে খরচ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, ভোজ্যতেল, কাঁচামাল, ওষুধের উপাদান এবং প্রযুক্তিপণ্য—এসব আমদানিতে এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ব্যাংকগুলো ডলার সংকটে ভুগছে, ফলে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে এবং অনেক সময় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে ডলার সংগ্রহ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন। এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাজারে — পণ্যের দাম বাড়ছে, মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, রপ্তানির ক্ষেত্রে ডলার মূল্য বৃদ্ধির ফলে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলারে বেশি টাকা পাচ্ছেন। এতে তাদের আয় কিছুটা বাড়ছে, যা রপ্তানি খাতকে কিছুটা চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে ডলারের দরবৃদ্ধি একটি প্রণোদনার মতো কাজ করছে। তবে এর একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে — আন্তর্জাতিক ক্রেতারা অনেক সময় অর্ডারের মূল্য সমন্বয় করে দেয়, ফলে অতিরিক্ত লাভ সবসময় নিশ্চিত হয় না। রেমিট্যান্স প্রেরকদের জন্যও ডলারের দাম বাড়া স্বস্তির খবর। প্রবাসীরা এখন প্রতি ডলারে বেশি টাকা পাচ্ছেন, ফলে ব্যাংক চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে, যদিও আমদানি ব্যয় এখনও বেশি থাকায় চাপে রয়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক একদিকে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সকে উৎসাহ দিচ্ছে, অন্যদিকে আমদানির চাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে নানা নীতিগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিয়ন্ত্রিত বিনিময় হার ব্যবস্থা বা managed floating system এর মাধ্যমে ডলারের বাজারে ভারসাম্য আনার চেষ্টা চলছে। ডলারের দাম বৃদ্ধির এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। আমদানিকারকদের উচিত দীর্ঘমেয়াদি মূল্য চুক্তি ও বিকল্প উৎস নির্ধারণ করা। রপ্তানিকারকদের বাজার বৈচিত্র্য ও উৎপাদন দক্ষতায় নজর দেওয়া দরকার। একইসাথে সরকারের উচিত ডলার সংকট মোকাবিলায় কাঠামোগত সংস্কার ও রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আমদানিনির্ভর শিল্প ও সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ আরও বাড়বে। তাই এখনই প্রয়োজন ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা, সুচিন্তিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্সকে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে টেকসই করা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিপদের আশঙ্কা: বিশেষজ্ঞরা সতর্ক

বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) প্রযুক্তির ব্যবহার বিস্ময়কর হারে বাড়ছে। তবে এর বিপুল সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে নানা বিভ্রান্তি, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নৈতিক চ্যালেঞ্জ। এসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে এবং নীতিমালার আওতায় আনতে বিশেষজ্ঞরা এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত "এআই অ্যান্ড সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট" শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা বলেন, অতি দ্রুত এই প্রযুক্তির প্রসার ঘটলেও এর যথাযথ ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা এখনও প্রয়োজনীয় মাত্রায় পৌঁছায়নি।   ভুয়া তথ্য ছড়ানোর আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই দিয়ে তৈরি করা ভুয়া ভিডিও (ডিপফেইক), অটোমেটেড ভুয়া সংবাদ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিমূলক কনটেন্ট ইতিমধ্যেই সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক বলেন, "অনেকেই এখন বিশ্বাস করছে না কোন ছবি বা ভিডিও আসল। এর ফলে সত্য-মিথ্যার সীমা মুছে যাচ্ছে। রাজনীতি, আইন ও সামাজিক সম্প্রীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।"   চাকরির বাজারে শঙ্কা বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারে অনেক শ্রমনির্ভর ও মধ্যম স্তরের পেশা অদূর ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হতে পারে। বিশেষ করে কল সেন্টার, কনটেন্ট লেখক, গ্রাফিক ডিজাইনার এবং হিসাবরক্ষণ পেশায় ঝুঁকি বাড়ছে।   নীতিমালার ঘাটতি বাংলাদেশে এখনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য কোনো পূর্ণাঙ্গ আইন বা জাতীয় নীতিমালা নেই। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন থাকলেও তা এআই-নির্ভর প্রযুক্তির গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন প্রযুক্তিবিদরা।   বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তারা বলছেন, এখনই উচিত শিক্ষা, প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক মহলে এআই ব্যবহারের রূপরেখা তৈরি করা। নৈতিক ও নিরাপদ এআই উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও স্টার্টআপদেরও একসঙ্গে কাজ করা জরুরি।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে চরম ঝুঁকিতে খাদ্য নিরাপত্তা

ঢাকা, ২৫ জুন ২০২৫ – জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে দিন দিন বেড়ে চলেছে খাদ্য নিরাপত্তা সংকট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বিস্তার, অনিয়মিত বৃষ্টি ও ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ কৃষিজ উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, ২০২৪ সালে উপকূলীয় ১২টি জেলার মধ্যে অন্তত ৭টিতে ধানের উৎপাদন কমেছে ২০ শতাংশের বেশি। বিশেষ করে সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, ভোলা ও খুলনার কিছু অঞ্চলে একাধিক মৌসুমে চাষ সম্ভব হচ্ছে না। জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. ফারজানা রহমান বলেন, “উপকূলীয় মাটিতে লবণাক্ততার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ গুণ বেড়ে গেছে। এতে ধান, পাট, সবজি এমনকি মাছের চাষেও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ফলস্বরূপ এলাকার মানুষ বিকল্প জীবিকার সন্ধানে স্থানান্তর হচ্ছে।” স্থানীয় চাষিরা বলছেন, আগে যেখানে বছরে তিনবার ফসল হতো, এখন একবারও সঠিকভাবে ফসল ঘরে তোলা যাচ্ছে না। অনেকেই জমি ফেলে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা উপকূলীয় মানুষের জীবনে নতুন করে আঘাত হানে। ২০২৫ সালের মে মাসেই ঘূর্ণিঝড় ‘নির্মল’-এর আঘাতে বরগুনা ও পটুয়াখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে বহু কৃষিজমি জলমগ্ন হয়ে পড়ে এবং মিষ্টি পানির পুকুরে লবণাক্ত পানি ঢুকে যায়। পরিবেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার ২০২৫–৩০ সময়কালের জন্য একটি ‘জলবায়ু সহনশীল কৃষি কর্মপরিকল্পনা’ তৈরি করেছে, যার আওতায় উপকূলীয় কৃষকদের লবণসহিষ্ণু ফসল চাষে উৎসাহিত করা হবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড উপকূলবর্তী এলাকায় নতুন করে বাঁধ নির্মাণ ও পুরাতন বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করেছে, যাতে জোয়ারের পানি কৃষিজমিতে প্রবেশ না করতে পারে। তবে গবেষকরা বলছেন, এই উদ্যোগগুলো কার্যকর করতে হলে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিতে হবে। নইলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরণের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, যদি জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকে, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় কৃষিজ উৎপাদন আরও ৩০ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর ভবিষ্যতের শঙ্কা নয়, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বাস্তব ও প্রতিদিনকার চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

নিজেস্ব প্রতিবেদক nomani

রাজনীতি

View more
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
ঝালকাঠিতে শীতল পাটি উপহার পেয়ে জনসভা মঞ্চেই শুয়ে পড়লেন জামায়াত আমির

ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি উপহার পেয়ে ব্যতিক্রমী প্রতিক্রিয়া দেখালেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। জনসভা শেষে মঞ্চেই শীতল পাটি বিছিয়ে শুয়ে পড়েন তিনি, যা উপস্থিত জনতার দৃষ্টি কাড়ে এবং মুহূর্তেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি জেলা শহরের বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভা শেষে এই ব্যতিক্রমী দৃশ্যের অবতারণা হয়। এ সময় শীতল পাটি উপহার দেওয়া দুই সনাতন ধর্মালম্বী ব্যক্তিকে তিনি সাদরে জড়িয়ে ধরে কুশল বিনিময় করেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উপস্থিত জনতার প্রশংসা কুড়ায়। এর আগে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, কেউ যদি শক্তি প্রয়োগ করে ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, তাহলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে তাঁর নামেই মামলা করা হোক—তবুও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করা যাবে না। জামায়াত আমির বলেন, তাঁরা এমন বাংলাদেশ চান না যেখানে মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাঁদের লক্ষ্য এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করা, যেখানে ঘরে ও বাইরে, কর্মক্ষেত্র এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন। তিনি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণকে সচেতন ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম, সহিংসতা কিংবা ভোট কারচুপি বরদাশত করা হবে না। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাই তাঁদের রাজনৈতিক আন্দোলনের মূল লক্ষ্য। জনসভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভাকে কেন্দ্র করে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা

জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা, ২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার

বরিশাল নগরীর বেলস পার্ক মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

গুপ্ত দলের লোকেরা জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে- বরিশালে তারেক রহমান

সহিংসতা
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়ছে

জাতীয় সংসদ নির্বাচন কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়েই চলেছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, গত ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। মঙ্গলবার আসক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতার ১৮টি ঘটনা ঘটে, যাতে ২৬৮ জন আহত এবং ৪ জন নিহত হন। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৫টিতে, এতে ৬১৬ জন আহত এবং ১১ জন নিহত হন বলে আসক জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ও ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচার শুরু হওয়ার পর সংঘর্ষের মাত্রা বেড়ে যায়। আসক জানায়, শুধু ২১ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যেই ৪৯টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। যাতে ৪১৪ জন আহত এবং ৪ জন নিহত হন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে—ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, সহিংসতার প্রবণতা ততই ঊর্ধ্বমুখী। এছাড়া সাংবাদিকরাও হামলার শিকার হচ্ছেন। আসকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ১১ জন সাংবাদিক বাধা বা হামলার মুখে পড়েন, যা জানুয়ারিতে বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ জনে। দেশের এই ক্রমবর্ধমান সহিংস পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আসক। সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সহনশীলতা ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে আসক এর পক্ষ থেকে।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়: জামায়াত আমির

বরিশালে পৌঁছে নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বরিশালে বিএনপির জনসভায় তারেক রহমান

বরিশালের বেলস পার্কে জনতার ঢল

তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা: বরিশালের বেলস পার্কে জনতার ঢল

শেখ হাসিনা
এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন :আমেরিকার কুখ্যাত যৌন অপরাধী ও মানবপাচারকারী জেফরি এপস্টেইনের সম্প্রতি প্রকাশিত ‘গোপন ফাইল’ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে। মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক অবমুক্ত করা প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার এই নথিতে নাম এসেছে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। নথিতে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সাথে এপস্টেইন চক্রের এক রহস্যময় ‘গোপন সমঝোতা’ ও ধোঁয়াশাপূর্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কি আছে সেই গোপন ফাইলে? প্রকাশিত নথির তথ্যমতে, ২০১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর খুনি হাসিনা যখন ঢাকা-লন্ডন-নিউ ইয়র্ক সফরে ছিলেন, ঠিক সেই সময়েই  এপস্টেইন নেটওয়ার্কের সাথে তার এক বিশেষ যোগাযোগের সূত্রপাত হয়। এপস্টেইনের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সহকারী লেসলি গ্রফকে পাঠানো একটি ইমেইলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরওয়ের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বোর্জ ব্রেন্ডের নেতৃত্বাধীন একটি দলের মাধ্যমে একটি ‘অপ্রকাশিত বিষয়ে’ সমঝোতায় পৌঁছেছেন। রেকর্ডে ‘bilat’ (দ্বিপাক্ষিক) শব্দের ব্যবহার ইঙ্গিত দেয় যে, পর্দার অন্তরালে অত্যন্ত গোপনীয় কোনো বৈঠক বা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছিল। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, সেই সময়ে সরকারি সফরে থাকা হাসিনার পক্ষ থেকে নরওয়ের সাথে এমন কোনো চুক্তির কথা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি টাইম ল্যাপস নিউজ পোর্টালসহ কোনো দাপ্তরিক নথিতেও এর হদিস মেলেনি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, একজন আন্তর্জাতিক অপরাধী ও মানবপাচারকারীর সহকারীর কাছে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর গোপন সমঝোতার খবর কেন এবং কীভাবে পৌঁছালো? এপস্টেইনের রাডারে বাংলাদেশ নথিগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এপস্টাইন ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশকে তাদের স্বার্থসিদ্ধির চারণভূমি বানাতে চেয়েছিল। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন ও জনস্বাস্থ্য খাতের আড়ালে বড় ধরনের বিনিয়োগের নামে অর্থ পাচার বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা নিয়ে খতিয়ে দেখার অবকাশ রয়েছে। এপস্টেনের ফাইলে আইসিডিডিআর, বি-কে ‘বিনিয়োগের উত্তম জায়গা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ২০১৪ সালের একটি মেইলে প্রোবায়োটিক প্রকল্পে ১০ বছরের জন্য ৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দেখা যায়, যেখানে ৩ শতাংশ নিশ্চিত মুনাফার কথা উল্লেখ ছিল। স্বয়ং এপস্টাইন একটি আইমেসেজ সংলাপে স্বীকার করেছেন যে, তিনি বাংলাদেশে কলেরা সংক্রান্ত একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘চরম বিশৃঙ্খলা’ ও আর্থিক ক্ষতির মধ্য দিয়ে ব্যর্থ হয়। এপস্টাইনের নথিতে বাংলাদেশের নামকরা এনজিও ‘ব্র্যাক’ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়েস্ট কনসার্ন’-এর নামও পাওয়া গেছে। কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং এবং জলবায়ু অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহের নামে এপস্টাইন চক্র বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়েছিল। বাংলাদেশি কর্মীর সংশ্লিষ্টতা এপস্টাইনের ম্যাসাজ পার্লার ও বাসভবনে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার তথ্যও এসেছে নথিতে। মামলার অন্যতম সাক্ষী আলফ্রেডো রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এপস্টাইনের ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় ‘বাংলাদেশি দম্পতি’ নিয়োজিত ছিলেন। যদিও তাদের প্রকৃত পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে, তবে এই অন্ধকার সাম্রাজ্যে বাংলাদেশি যোগসূত্র থাকার বিষয়টি এখন স্পষ্ট। ড. ইউনূস ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নথিতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামও এসেছে, তবে তা নেতিবাচক কোনো প্রসঙ্গে নয়। বরং বিখ্যাত কার্টুন সিরিজ ‘দ্য সিম্পসনস’-এ তার উপস্থিতি এবং কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিং-এর সাথে পরিচয়ের বিষয়টি সেখানে উঠে এসেছে। এছাড়া রাজনৈতিক অনুদান তালিকায় ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর নাম থাকলেও তার সাথে এপস্টাইনের সরাসরি কোনো সম্পর্কের প্রমাণ মেলেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিদেশি লবিস্ট নিয়োগ এবং অন্ধকার জগতের প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যের যে অভিযোগ দীর্ঘদিনের, এপস্টাইন ফাইল তার একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। খুনি হাসিনার এই তথাকথিত ‘গোপন সমঝোতা’র স্বরূপ উন্মোচন এখন সময়ের দাবি।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
মিয়া গোলাম পরওয়ার

জামায়াত সেক্রেটারির এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার আটক

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফাইল ছবি

আজ বরিশাল ও ফরিদপুরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান