Brand logo light
সংবাদ

Etihad Airways profits soars nearly 50% as fleet, network expansion support strong demand

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
etihad-airways
etihad-airways

Etihad Airways reported a near 50% jump in net profit to $698 million last year, the carrier said on Tuesday, as increased capacity supported strong demand across markets and lifted its load factor. "We've been investing a lot in our product, in customer satisfaction. We've been growing a lot, adding capacity, right?...So I would say it's a combination of efforts," CEO Antonoaldo Neves told Reuters.

The Abu Dhabi airline said passenger numbers rose 21% to 22.4 million in 2025, with the fleet expanding to 127 aircraft after 29 new jets were added during the year through deliveries from both Boeing (BA.N), opens new tab and Airbus (AIR.PA), opens new tab, along with the return to service of the A380. The airline sees signs of continued strength in demand this year, with "more and more premium demand", Neves said. "Our load factors were 88% last year," he said. "We're getting many, many days of 90% this year. We wouldn't have that if economy was not strong as well." "I think the great news that we have is that the new markets are performing much better than we thought ... they're maturing much, much more quickly than we actually anticipated," he said,

without mentioning specific geographies.PLANS TO EXPAND IN ASIA, EUROPE Last year, the Gulf airline launched new routes including Prague, Hanoi and Hong Kong. Asked about further route expansion for this year, Neves said the company plans to further expand in China, Southeast Asia and Europe. In recent years, airlines have struggled with aircraft deliveries amid increasing demand, as Boeing undergoes multiple crises and Airbus struggles with supply chain constraints. Neves said Etihad is focused on keeping its retrofit programme on schedule while working with manufacturers to secure timely deliveries.

"So far, I mean, I wouldn't say it's amazing ... but it's improving," Neves said, noting the carrier expects about 20 more aircraft to be delivered this year, primarily from Airbus.

Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

কুড়িগ্রামের তাজু ভাই ২.০: ‘সরকারি রেটে জিলাপি’ প্রশ্নে ভাইরাল এক নির্মাণশ্রমিকের গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে।  কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে।  কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।  কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি।  মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংবাদ

View more
ফ্লোটিলার কর্মীদের আটকে ধর্ষণের অভিযোগ ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে
গাজা ফ্লোটিলা কর্মীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ: যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন ডেস্ক : গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে যাওয়া আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলার কর্মীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মুক্তি পাওয়া কয়েকজন কর্মী দাবি করেছেন, আটক অবস্থায় তারা মারধর, অপমানজনক আচরণ, এমনকি যৌন সহিংসতারও শিকার হয়েছেন। শুক্রবার প্রকাশিত বিভিন্ন সাক্ষ্য ও সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে আটক হওয়া কর্মীদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন ভুক্তভোগী ধর্ষণের অভিযোগও তুলেছেন। মানবিক সহায়তা বহনকারী এই বহরে অংশ নেওয়া কর্মীদের সংগঠন ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে প্রায় ৪৩০ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের একটি অংশকে জাহাজে তৈরি অস্থায়ী বন্দিশিবিরে রাখা হয়, যেখানে কনটেইনার ও কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যে অমানবিক পরিবেশে দিন কাটাতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ‘কনটেইনার বন্দিশিবিরে’ নির্যাতনের অভিযোগ মুক্তি পাওয়া কয়েকজন কর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের ওপর অপমানজনক দেহ তল্লাশি, শারীরিক নির্যাতন এবং যৌন হয়রানি চালানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্পর্শকাতর অঙ্গে আঘাত, জোরপূর্বক তল্লাশি এবং একাধিক ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। ইতালীয় কর্মী ইলারিয়া মানকোসু দাবি করেছেন, অনেকের হাত ও পাঁজর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। টেজার গান ব্যবহারের কারণে কয়েকজনের কান ও চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তিনি। আরেক ইতালীয় কর্মীর অভিযোগ, আটক ব্যক্তিদের টানা দুই দিন পানি পান করতে দেওয়া হয়নি এবং গুরুতর আহতদেরও চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ঘটনাটি ঘিরে ইউরোপের কয়েকটি দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইতালির রোমে প্রসিকিউটররা অভিযোগ তদন্তে প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। জার্মানি ঘটনাগুলোকে “অত্যন্ত গুরুতর” হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে আহত কয়েকজন ফরাসি নাগরিক বর্তমানে তুরস্কে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা নিয়েও আলোচনা শুরু করেছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটিতে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রীকে আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাস করতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও ভিডিওটির প্রেক্ষাপট নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার ইসরায়েলের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসরায়েলের কারা কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, আটক কর্মীদের ওপর নির্যাতন বা যৌন সহিংসতার অভিযোগ “ভিত্তিহীন” এবং “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”। তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সংঘটিত ঘটনাগুলোর সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগ ও পাল্টা দাবির মধ্যেই ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে। আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ঘটনার নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেছে। তাদের মতে, অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, গাজাকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই অভিযোগ নতুন করে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে পারে এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৩, ২০২৬ 0
তুলসি গ্যাবার্ড

ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়লেন তুলসি গ্যাবার্ড, স্বামীর ক্যান্সার চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ

দিল্লিতে কোরবানি

ঈদুল আজহা সামনে রেখে দিল্লিতে কঠোর বিধিনিষেধ, প্রকাশ্যে কোরবানি নিষিদ্ধ

ইরানের তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ইঙ্গিত

শান্তি আলোচনার মধ্যে ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিলে নীতিগত সম্মতি যুক্তরাষ্ট্রের

কুমারী মেয়ের ‘নীরবতাই’ বিয়ের সম্মতি
আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন পারিবারিক আইন: নীরবতাই কি বিয়ের সম্মতি, বৈধতা পেল বাল্যবিয়ে?

ইত্তেহাদ নিউজ, অনলাইন ডেস্ক : আফগানিস্তানে তালেবান সরকার নতুন একটি পারিবারিক আইন জারি করেছে, যা ঘিরে দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। শরিয়াহ আইনের তালেবানি ব্যাখ্যার ভিত্তিতে তৈরি ৩১ অনুচ্ছেদের এই অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ‘দম্পতিদের পৃথকীকরণের নীতিমালা’ শিরোনামের এই আইনের বেশ কয়েকটি ধারা ইতোমধ্যে মানবাধিকার সংগঠন, নারী অধিকারকর্মী এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ‘নীরবতা মানেই সম্মতি’—সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা নতুন আইনের সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত অংশে বলা হয়েছে, কোনও ‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাকে বিয়ের ক্ষেত্রে তার সম্মতি হিসেবে বিবেচনা করা যাবে। তবে একই নিয়ম পুরুষ বা বিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। সমালোচকদের মতে, এই ধারা নারীর ব্যক্তিগত মতামত ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিশেষ করে এমন একটি সমাজে, যেখানে নারীরা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে চাপে রয়েছেন, সেখানে নীরবতাকে সম্মতি হিসেবে ধরা জবরদস্তিমূলক বিয়েকে বৈধতা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ ক্ষেত্রে বৈধতা পাচ্ছে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে আইনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে বিশেষ পরিস্থিতিতে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বিয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাবা কিংবা দাদাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে ঠিক হওয়া কোনও নাবালক ছেলে বা নাবালিকা মেয়ের বিয়ে বৈধ হিসেবে গণ্য হতে পারে—যদি পাত্র সামাজিকভাবে ‘উপযুক্ত’ হয় এবং মোহরানার পরিমাণ ধর্মীয় মানদণ্ড পূরণ করে। তবে এখানে একটি শর্তও যুক্ত করা হয়েছে। ‘যৌবনোত্তীর্ণ হওয়ার পর সিদ্ধান্তের অধিকার’ নামের একটি আইনি নীতির আওতায় বলা হয়েছে, বয়ঃসন্ধির আগে সম্পন্ন হওয়া বিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি চাইলে বাতিলের আবেদন করতে পারবে। যদিও সেই আবেদন গ্রহণের চূড়ান্ত ক্ষমতা থাকবে ধর্মীয় আদালতের হাতে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিধান আংশিক আইনি সুরক্ষা দিলেও বাস্তবে সামাজিক চাপ, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং নারীদের সীমিত স্বাধীনতার কারণে তা কার্যকর হওয়া কঠিন হতে পারে। বিচারকদের বাড়তি ক্ষমতা নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে তালেবান বিচারকদের পারিবারিক ও সামাজিক বিষয়ে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ধর্মান্তর, স্বামীর দীর্ঘ অনুপস্থিতি কিংবা পারিবারিক বিরোধের মতো বিষয়ে বিচারকেরা সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবেন। প্রয়োজনে তারা বিচ্ছেদ, কারাদণ্ড বা অন্য শাস্তিও দিতে পারবেন। আইন বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এই ধারা বিচারিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ বাড়াবে এবং ব্যক্তিগত জীবনে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করবে। নারীদের ওপর ধারাবাহিক নিয়ন্ত্রণ ২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই তালেবান সরকার আফগান নারীদের ওপর একের পর এক বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। বর্তমানে আফগানিস্তানে ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের স্কুলে যাওয়া নিষিদ্ধ। নারীদের বহু সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে অংশগ্রহণ সীমিত করা হয়েছে। একা ভ্রমণ, জনসমক্ষে উপস্থিতি এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডেও রয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, নতুন পারিবারিক আইন সেই নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইতোমধ্যে তালেবানের এই নতুন আইনের সমালোচনা শুরু করেছে। তাদের মতে, এই আইন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ, নারী অধিকার এবং শিশু সুরক্ষা নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “নীরব সম্মতি” এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের বৈধতা—এই দুটি ধারা ভবিষ্যতে আফগান সমাজে নারী ও শিশুদের ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে। তাদের আশঙ্কা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক স্বাধীনতায় আগেই পিছিয়ে পড়া আফগান নারীরা নতুন এই আইনের ফলে আরও প্রান্তিক হয়ে পড়বেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ১৭, ২০২৬ 0
ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার অক্ষত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনও অক্ষত: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি প্রশ্নে

মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার

হরমুজ প্রণালিতে ফের শক্তিশালী ইরান: ৩০ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল, নতুন তেল সংকটের শঙ্কা

বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসে তানভীর কবিরকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ইরাকের মরুভূমিতে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটি
ইরাকের মরুভূমিতে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটির দাবি, তথ্য দিলেন এক মেষপালক

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় দুর্গম মরুভূমিতে ইসরায়েলের একটি গোপন সামরিক ঘাঁটির অস্তিত্বের দাবি সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম The Wall Street Journal–এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বিমান হামলা ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার সহায়ক কেন্দ্র হিসেবে এই ঘাঁটি ব্যবহার করা হতো। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মার্চ মাসের শুরুতে এক ইরাকি মেষপালক মরুভূমির নির্জন এলাকায় অস্বাভাবিক হেলিকপ্টার চলাচল এবং সন্দেহজনক সামরিক তৎপরতা লক্ষ্য করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইরাকি বাহিনী সেখানে তল্লাশি অভিযান চালায়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওই এলাকায় অবস্থানরত ইসরায়েলি কমান্ডোদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত একজন ইরাকি সেনা নিহত হন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার সময় বাগদাদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে জাতিসংঘে অভিযোগ জানায়। তবে নতুন এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার নেপথ্যে ছিল ইসরায়েলের বিশেষ সামরিক অভিযান। সূত্রগুলোর বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মরুভূমির ওই ঘাঁটিটি মূলত একটি “লজিস্টিক হাব” হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেখানে ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন ছিল। বিশেষ করে ইরানের ভেতরে অভিযানের সময় কোনো ইসরায়েলি পাইলট বিপদে পড়লে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য এই ঘাঁটির ব্যবহার করা হতো বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ জ্ঞাতসারেই এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরাক ও ইসরায়েল—কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ইরাকের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা প্রতিবেদনের সত্যতা অস্বীকার করেছেন। তবে মেষপালকের দেওয়া তথ্য, পরবর্তী সামরিক অভিযান এবং বিমান হামলার ঘটনাকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ১১, ২০২৬ 0
হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন

হরমুজে ইরানের ‘ডলফিন’ সাবমেরিন, প্রস্তুত হচ্ছে ব্রিটেন-ফ্রান্সের নৌমিশন

সরকার গঠনের পথে বাধা কাটল অভিনেতা থালাপতির

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের পথে থালাপতি বিজয়ের টিভিকে, সমর্থনে ভিসিকে ও আইইউএমএল

মমতা...

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন: বড় ব্যবধানে বিজেপির জয়, অন্তর্বর্তী মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারেন মমতা

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম, কৃষি ব্যাংকে নূরুল আমিন: ব্যাংক খাতে নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৪, ২০২৬ 0




অপরাধ

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ৩০ বিলিয়ন ডলার জালিয়াতি ও অর্থপাচার অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৪, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

ধান

শেরপুরে বোরো ধানের দাম কমে লোকসানে কৃষকরা, উৎপাদন খরচও উঠছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬ 0