Brand logo light

স্থানীয় সংবাদ

ঝালকাঠির সারেংগল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতিতে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

হাসনাইন তালুকদার দিবস,ঝালকাঠি: ঝালকাঠির কেওড়া ইউনিয়নের “সারেংগল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি” ঘিরে উঠেছে অর্থ আত্মসাত, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার গুরুতর অভিযোগ। সমিতির সভাপতি শেখ মজিবরের বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে তদন্ত দাবি করেছেন সদস্যরা। অভিযোগের পক্ষে ৮০ জনের বেশি সদস্য স্বাক্ষর করে ঝালকাঠি জেলা সমবায় কর্মকর্তার কাছে ৪৯ ধারায় তদন্তের আবেদন জমা দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগপত্রে জানা যায়, সমিতির সভাপতি শেখ মজিবর এলাকায় “জ্বীনের বাদশা” নামেও পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, সমিতির কার্যালয় ব্যবহার করে প্রতি শুক্রবার সেখানে তাবিজ-কবজ ও ঝাড়ফুঁকের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। চলতি বছরের শুরুতে সমিতির সদস্য নম্বর ৪৯২-এর সদস্য মো. ইলিয়াস হোসেন সদস্যদের পক্ষে জেলা সমবায় কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ওই আবেদনে সমিতির আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদন্তের দাবি জানানো হয়। এরপর গত ১০ মে সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন মৃধা স্বাক্ষরিত আরও একটি আবেদন জেলা সমবায় কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা পড়ে। সেখানে সদস্যদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা, সমিতির কার্যালয় ও নথিপত্র উদ্ধার এবং নিয়ম অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়। অচল সমিতি, কার্যালয়ে তাবিজ বাণিজ্যের অভিযোগ সরেজমিনে সারেংগল গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির কার্যালয়টি সভাপতির বাড়ির ভেতরে অবস্থিত। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সমিতির কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে আছে। অভিযোগ রয়েছে, সমিতির অফিসে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের পরিবর্তে প্রতি শুক্রবার ঝাড়ফুঁক, জ্বীন চালান ও তাবিজ বিক্রির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগের বিষয়ে শেখ মজিবর বলেন, “এই অভিযোগকে আমি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি না, বিষয়টি আমার কাছে কিছুই না।” সদস্যদের অভিযোগ: হিসাব নেই, নির্বাচন নেই সারেংগল বাজার এলাকায় সমিতির সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই সমিতির আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সদস্য আবু সুফিয়ান মিন্টু, খাদেমুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন বাবুল, শাহীন মৃধা ও ইলিয়াস হোসেনসহ একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন, সভাপতি শেখ মজিবর কোনো ধরনের স্বচ্ছ হিসাব উপস্থাপন ছাড়াই সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিধি অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন না করে কাগজে-কলমে নিজের স্ত্রী মোসা. নাছিমা বেগমকে সভাপতি দেখিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযোগকারী সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সমিতির নামে লিজ নেওয়া রাস্তার পাশের কিছু আমড়া গাছের ফল বিক্রিকে কেন্দ্র করে বিরোধ তৈরি হয়। পরে বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ায় এবং স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এরপর নিজের অবস্থান শক্ত করতে শেখ মজিবর সমিতির সদস্য সচিব হিসেবে শাহীন মৃধা এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে হাসান মাহামুদ রিন্টুকে দায়িত্ব দিলেও তাদের কাছে কোনো নথিপত্র বা কার্যকর দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সদস্যদের দাবি, নানা গড়িমসির মাধ্যমে কমিটির মেয়াদ শেষ করা হলেও কোনো আর্থিক হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। তদন্তের আশ্বাস জেলা সমবায় কর্মকর্তার এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগপত্র হাতে পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, সমিতির কার্যক্রম সচল করতে নতুন অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২২, ২০২৬ 0
হরিণাকুণ্ডুরতে মাটি পরিবহনে ক্ষতিগ্রস্ত ৮৬ কোটি টাকার সড়ক
ঝিনাইদহে ৮৬ কোটি টাকার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত, অবৈধ মাটি পরিবহনে দুর্ভোগে স্থানীয়রা

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পায়রাডাঙ্গা থেকে সিঙ্গা অভিমুখে প্রায় ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি অবৈধভাবে মাটি পরিবহনের কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সড়কের বিভিন্ন অংশে কাদা জমে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, পায়রাডাঙ্গা এলাকায় ভেকু (এক্সকেভেটর) দিয়ে মাটি কাটার কারণে সড়কের ওপর কাদার স্তূপ তৈরি হয়েছে। এতে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও ছোট যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক স্থানে পথচারীদেরও কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পর গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি নির্মাণ করা হয়। তবে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি অবাধে মাটি কাটায় নতুন নির্মিত সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। এলাকার বাসিন্দা শরিফুল মন্ডল বলেন, “এত বড় প্রকল্পের রাস্তা অল্প সময়েই নষ্ট হওয়ার পথে। প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার হওয়া প্রয়োজন।” স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধভাবে মাটি পরিবহনের সময় কাদা ছড়িয়ে পুরো সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা। অবৈধ মাটি কাটার বিষয়ে জানতে হরিণাকুণ্ডু সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “আমি সম্প্রতি যোগদান করেছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ১৪, ২০২৬ 0
ঝালকাঠির পালবাড়িতে নিয়মবহির্ভূত নির্মাণের অভিযোগ
ঝালকাঠির পালবাড়িতে নিয়মবহির্ভূত নির্মাণের অভিযোগ, ঝুঁকিতে মাদ্রাসা ভবন

 ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : ঝালকাঠির পালবাড়িতে পৌর কর্তৃপক্ষের নিয়ম বহির্ভুত সেমি পাকা ঘড় নির্মান করার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে অপরিকল্পিত কাজের জন্য পার্শবর্তী একটি মাদ্রাসার ভবন ঝুকিরমুখে পরেছে। ঝালকাঠির বিশিষ্ট্য ব্যাবসায়ী শরীফ ফ্লাওয়ার এন্ড ফুড প্রডাক্ট এর সত্বাধিকারী সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. কামাল শরিফ ঐ মাদ্রাসাটি তার নিজের ভবনে পরিচালনা করেন। নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের পাশে থাকা কামাল শরীফের ভবনের দেয়াল সংযোগ করে পৌর কর্তৃপক্ষের নিয়ম না মেনে সেমিপাকা বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধের জন্য পৌরসভার প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  অভিযোগকারী কামাল শরীফ মুঠোফোনে বলেন, 'আমার বিল্ডিং পৌরসভার সকল নিয়ম মেনে তৈরি করেছি। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এতিমদের মাদ্রাসা পরিচালনা করা হচ্ছে। তাহার উত্তর পাশে একটি বিল্ডিং উত্তোলন কাজ চলতেছে। তারা অবৈধভাবে আমার বিল্ডিং এর দেয়াল ব্যবহার করেছে। অতিদ্রুত কাজ বন্ধ করার দাবী জানাই। এবিষয়ে অভিযুক্তরা বলেন, 'আমরা পাশে জমি পাবো তাই এমনটা করেছি।'

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৭, ২০২৬ 0
গৌরনদী  ইউএনও
গৌরনদীতে ইউএনওকে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ

গৌরনদী: গৌরনদী পৌরসভার হোল্ডিং নম্বর প্লেট স্থাপনের কাজ হঠাৎ করে অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ‘টার্গেট পিপল ফর ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (টিপিডিও)-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলীর পক্ষে এ নোটিশ পাঠান বরিশাল জজকোর্ট-এর আইনজীবী আনোয়ার হোসেন মিজান। তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১২ মার্চ গৌরনদী পৌরসভার হোল্ডিং নম্বর প্লেট স্থাপনের জন্য আবেদন করলে টিপিডিওকে কাজটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে পৌরসভার অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম চলমান থাকায় কাজটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১২ মার্চ পুনরায় কাজ শুরু করার আবেদন করলে ১৫ মার্চ পৌর প্রশাসন থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি প্রায় ১০ হাজার প্লেট প্রস্তুত, জনবল নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করে। কিন্তু হঠাৎ করেই একই কাজ অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এতে সংস্থাটির প্রায় ১৫ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। নোটিশে প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে— পূর্ব অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও কেন কাজটি অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হলো এবং কেন টিপিডিওকে কাজ থেকে বিরত রাখা হলো। একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে। আইনজীবী আনোয়ার হোসেন মিজান জানান, গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, তিনি পৌরসভা থেকে একটি আবেদনপত্র পেয়েছেন, তবে তা যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ পাননি। কেউ অভিযোগ করলে সেটিও বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টদের তার কার্যালয়ে এসে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলে কাজ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, যাদের কাজ দেওয়া হয়েছে তারা তার কোনো আত্মীয় নন।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
আটক পিকআপচালক নূর মোহাম্মদ মামুন।
শেরপুর থানায় ‘ম্যাডাম’ বলায় যুবককে আটকের অভিযোগ, দেড় ঘণ্টা আটক রেখে মুচলেকায় মুক্তি

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : বগুড়ার শেরপুর থানায় কর্তব্যরত এক নারী উপ-পরিদর্শক (এসআই) কর্তৃক ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে এক পিকআপচালককে প্রায় দেড় ঘণ্টা থানায় আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষে ঘটে বলে জানা গেছে। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হস্তক্ষেপ করলে মুচলেকা নিয়ে ওই ব্যক্তিকে তার অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ‘ম্যাডাম’ সম্বোধনে ক্ষোভ, আটকে রাখার অভিযোগ অভিযোগ অনুযায়ী, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের খন্দকারটোলা গ্রামের পিকআপচালক নূর মোহাম্মদ মামুন তার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে থানায় যান, যিনি একটি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। থানায় ডিউটি অফিসারের দায়িত্বে থাকা এসআই রোখসানা খাতুনকে সালাম দিয়ে ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করলে তিনি ক্ষুব্ধ হন—এমন অভিযোগ ওঠে। এরপর মামুনকে থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক কক্ষে আটক রাখা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ওসি এসএম মঈনুদ্দীনের হস্তক্ষেপে তাকে মুচলেকা নিয়ে স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়। স্থানীয়দের মধ্যে প্রতিক্রিয়া ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওই নারী এসআইয়ের বিরুদ্ধে অতীতেও অসদাচরণ ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী হিসেবে রেজাউল করিম, হাসান ও নাঈম ইসলাম জানান, কয়েক মাস আগে থানায় গেলে তাদের সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় এবং ধমক দিয়ে থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়। আরেক ভুক্তভোগী ইমরান হোসেন দাবি করেন, প্রায় পাঁচ মাস আগে একই ধরনের আচরণের বিষয়ে তিনি থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছিলেন। পুলিশের অবস্থান শেরপুর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দীন বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ‘ম্যাডাম’ সম্বোধনকে কেন্দ্র করে পিকআপচালককে আটক রাখার বিষয়টি তদন্তাধীন। অভিযোগের বিষয়ে এসআই রোখসানা খাতুনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি, কারণ তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। বদলি ও শাস্তির দাবি ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ মামুন এবং স্থানীয়রা অভিযুক্ত এসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তাকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
কাঁঠালিয়ায় সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ
কাঁঠালিয়ায় সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের নির্দেশ অমান্যের দাবি

মো. আমিনুল ইসলাম ,ঝালকাঠি : ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার পূর্ব ছিটকি এলাকায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সরকারি রাস্তা ও খালের পাশের জায়গা দখল করে পাকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম (৫০) এর বিরুদ্ধে। শহিদুল ইসলাম স্থানীয় মৃত্যু ফজলুর রহমানের ছেলে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে ভূমি অফিস থেকে তহসিলদার সরজমিন পরিদর্শন করে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাদের নজরদারি এড়িয়ে রাতের আধারে পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে তারা। শহিদুল ইসলামের বড় ভাই সাবেক স্কুল শিক্ষক ফখরুল ইসলাম বাদশা (৬২) স্থাপনা নির্মানে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। স্থানীয়রা এবস বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ভাড়াটে লোকজন দিয়ে তাদের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।  এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম এর বড়ো ভাই ফকরুল ইসলাম বাদশা জানায়, এটা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির দাগের মাথার জমি। এটা আমরা প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বছর যাবৎ ভোগ দখল করে আসছি। ওখানে পুরাতন একটা দোকান আছে,সেখানে আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে আমরা তা মেনে নেবো। এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম জানায়, এটা আমাদের দাগের মাথার সম্পত্তি। প্রায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ বছর যাবৎ আমরা ভোগ দখল করতেছি। এটা সরকারি জমি হলে আমরা ছেড়ে দিবো।    এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়ে ওখানে ভূমি অফিস থেকে তহসিলদারকে পাঠিয়েছি। তিনি কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। ওটা সরাসরি সম্পত্তি হলে খুব তারাতারি তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
নওগাঁ সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের ঈদ পুনর্মিলনী
নওগাঁ সদর উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ঈদ পুনর্মিলনী

নওগাঁ : নওগাঁ সদর উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৪০০ জন মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে, যা পরিবেশন করেন হাপানিতা ইউনিয়ন কমান্ডার মুসলিম উদ্দিন। একই সঙ্গে গীতা পাঠ করেন সন্তস কুমার। শিকারপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রশিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ সদর উপজেলা কমান্ডার এ.এফ.এম নুরুজ্জামান (নান্টু)। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল মজিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুসলেম উদ্দিন আকন্দ, আতাউর রহমান এবং আবু তাহেরসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম (ধলু) বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠান শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়, যা এক উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ইতালির স্বপ্নে কোটি টাকার ফাঁদ
ভাঙ্গায় ইতালি পাঠানোর প্রলোভনে মানবপাচার ও ৫০ লাখ টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ

ফরিদপুর: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবককে বিদেশে পাচার ও বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চারজনকে আসামি করে মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জসিম সরদার নামে একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের নওপাড়া এলাকার মনিরুজ্জামান মিয়া (৫১) তার ছেলে মো. মিনহাজ মিয়াকে (২১) বৈধভাবে বিমানে ইতালি পাঠানোর জন্য স্থানীয় কয়েকজন দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযুক্তরা ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে প্রথমে ২৬ লাখ টাকা দাবি করে এবং ধাপে ধাপে সেই অর্থ গ্রহণ করে। অভিযোগ অনুযায়ী, লিবিয়ায় অবস্থানরত মূল আসামি মনির সরদারের (৪৮) নির্দেশে তার স্ত্রী ও সহযোগীরা অর্থ সংগ্রহ ও বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করেন। অপর আসামিরা হলেন পপি আক্তারী (৩৫), জসিম সরদার (৪৭) এবং রেজাউল কাজী (৫৫)। তারা সংঘবদ্ধভাবে একটি মানবপাচার চক্র পরিচালনা করছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে প্রথম দফায় ২৬ লাখ টাকা পরিশোধের পর ২০২৫ সালের নভেম্বরে মিনহাজ মিয়াকে ঢাকা থেকে ইতালি না পাঠিয়ে দুবাই হয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি সেখানে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের হাতে আটক রয়েছেন বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে তাকে নির্যাতনের ভিডিও পাঠানো হয় এবং আরও ৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। চাপের মুখে পরিবার জমি বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে। প্রায় ৭ শতাংশ জমি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে তা আসামিদের নামে দলিল করে দিতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে আরও ১৮ লাখ টাকা বিভিন্ন ধাপে দেওয়া হয়। এত টাকা নেওয়ার পরও ভুক্তভোগীকে দেশে ফেরত না পাঠিয়ে পুনরায় অর্থ দাবি করা হয় এবং তাকে লিবিয়ায় আটকে রাখা হয়। বর্তমানে তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে চারজনকে আসামি করে মামলা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জসিম সরদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্কুলের টিউবওয়েল
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্কুলের টিউবওয়েলে কীটনাশক মিশিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি

 বরিশাল অফিস :   বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে কীটনাশক প্রয়োগের ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি, যা স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল (বুধবার) সকালে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের পূর্ব মোহনকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টিউবওয়েল থেকে পানি পান করতে গেলে দেখতে পায় পানির রং সাদা হয়ে গেছে এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকদের জানানো হলে তারা টিউবওয়েলটি বন্ধ করে দেন এবং প্রশাসনকে অবহিত করেন। ঘটনার পর থেকে শতাধিক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। দুর্বৃত্তদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা না হলে আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন অভিভাবকরা। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী বাড়ৈ বলেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা টিউবওয়েলটি বন্ধ করে দিই এবং বৃহস্পতিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। অন্যদিকে, ঘটনার দুই দিন পার হলেও উপজেলা প্রশাসন বা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কোনো প্রতিনিধি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে জিডি দায়েরের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক জানান, বিষয়টি জানার পর শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ধামইরহাটে হজযাত্রীদের বিদায় ও দোয়া মোনাজাত
ধামইরহাটে হজযাত্রীদের বিদায় ও দোয়া মোনাজাত

মোঃ নুর সাইদ, ধামইরহাট : নওগাঁর ধামইরহাটে পবিত্র হজ পালনে যাত্রার আগে হজযাত্রীদের বিদায় জানাতে আয়োজন করা হয়েছে দোয়া ও মোনাজাতের এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টায় উপজেলার বিসমিল্লাহ শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। চকযদু কাশিয়াডাঙ্গা মদিনাতুল উলুম কওমি মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ মো. শরিফুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন শিবলী ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী এবং মাদ্রাসার মুহতামিম, হজ কাফেলার মোয়াল্লিম হাফেজ মো. তরিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে হজযাত্রীদের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় দিকনির্দেশনা ও নসিহত তুলে ধরেন সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম খেলাল ই রব্বানী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আতাউর রহমান, জনতা ব্যাংকের সাবেক এজিএম ও ইসলামী বক্তা মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, ধামইরহাট বণিক সমিতির সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং চকপ্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সালেহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মোয়াল্লিম তরিকুল ইসলাম জানান, মহান আল্লাহর ইচ্ছায় এ বছরের হজযাত্রীরা বাংলাদেশ থেকে প্রথম ও উদ্বোধনী ফ্লাইটে সৌদি আরবে গিয়ে বাইতুল্লাহ শরীফে উপস্থিত হবেন—এমনটাই আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে হজযাত্রীদের সুস্থতা, নিরাপদ সফর এবং হজ পালন শেষে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
আন্ডা রফিক
গণমাধ্যমে খবরের পর গা ঢাকা, দেশত্যাগের চেষ্টার অভিযোগ আন্ডা রফিকের বিরুদ্ধে

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আলোচিত রফিকুল ইসলাম রফিক ওরফে ‘আন্ডা রফিক’কে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পর তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যাওয়ার পর হঠাৎ তার গা ঢাকা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। ‎ ‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগেও কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া এলাকায় তাকে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তার এমন প্রকাশ্য উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দেয়। তবে গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর থেকেই তিনি হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর থেকেই এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। ‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে জমি দখল, প্রতারণা, ভুয়া দলিল তৈরি, একই জমি একাধিকবার বিক্রি এবং নিরীহ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো গুরুতর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এসব অভিযোগে একাধিক মামলা থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। ‎নাওড়া এলাকার স্থানীয়রা বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই সে এলাকায় নেই। আমরা শুনতেছি, সে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছে। এখনই যদি তাকে আটক না করা হয়, তাহলে সে পালিয়ে যাবে এবং আমরা আর বিচার পাবো না। ‎ভুক্তভোগী এক পরিবার জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছেন। কিন্তু মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতির কারণে তারা হতাশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি দেশত্যাগ করলে বিচার পাওয়া আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। ‎ ‎স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী হওয়ায় এতদিন তিনি প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। তারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এখন দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে পুরো বিষয়টি আরও জটিল হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন তারা। ‎ ‎এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন)  তারেক আল মেহেদী বলেন, রফিক প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছে এ বিষয়টি আমি খবর নিচ্ছি। সে যেহেতু আসামি অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রগণ করা হবে। আসামি কোনোভাবেই প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করতে পারবে না।  আসামির জামিন নিতে হবে নয়তো বা গ্রেফতার হতে হবে। সে জামিনে আছে কি না আমার জানা নেই। যদি প্রকাশ্যে ঘুরে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে যাবো। ।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

কুড়িগ্রামের তাজু ভাই ২.০: ‘সরকারি রেটে জিলাপি’ প্রশ্নে ভাইরাল এক নির্মাণশ্রমিকের গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে।  কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে।  কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।  কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি।  মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংক,

ইসলামী ব্যাংকে আস্থা সংকট কেন কাটছে না?: দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে ঘিরে নতুন প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ২২, ২০২৬ 0




অপরাধ

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ৩০ বিলিয়ন ডলার জালিয়াতি ও অর্থপাচার অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৪, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

ধান

শেরপুরে বোরো ধানের দাম কমে লোকসানে কৃষকরা, উৎপাদন খরচও উঠছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬ 0