Brand logo light

খেলাধুলা

নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা
নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলমান আসরে সবার আগে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। ডি গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ৩ ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে পরের পর্বে উঠেছে প্রোটিয়ারা। শনিবার ভারতের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৭৫ রান। নিউজিল্যান্ডের লড়াকু সংগ্রহ কিউইদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন Mark Chapman। এছাড়া ৩২ রান যোগ করেন Daryl Mitchell। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি তাদের। মার্করামের ব্যাটে জয়ের বন্দনা ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা কিছুটা সতর্ক ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। কিন্তু অধিনায়ক Aiden Markram ক্রিজে সেট হওয়ার পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় প্রোটিয়াদের হাতে। ৪৪ বলে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন মার্করাম। তার ব্যাটিং নৈপুণ্যে ১৭ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বড় জয় নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচে রানের রেকর্ড এই ম্যাচে দুই দল মিলে মোট ৩৫৩ রান করে, যা চলতি আসরের অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মিলিত রান। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে গড়ে ওঠে আরও একটি ব্যক্তিগত রেকর্ড। ডি ককের নতুন মাইলফলক দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান Quinton de Kock টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ডিসমিসালের রেকর্ড গড়েন। তিনি ছাড়িয়ে যান ভারতের কিংবদন্তি অধিনায়ক MS Dhoniকে। ডি ককের ডিসমিসালের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৩-এ। ডি গ্রুপ থেকে টানা তিন জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা এখন সুপার এইট পর্বের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দেবে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের জন্য সামনে অপেক্ষা করছে বাঁচা-মরার লড়াই।  

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
রাদারফোর্ড-মোতি
রাদারফোর্ড-মোতির নৈপুণ্যে টানা দ্বিতীয় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

ব্যাটার শেরফানে রাদারফোর্ড ও স্পিনার গুদাকেশ মোতির কল্যাণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।  গতরাতে ‘সি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩০ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ডকে। ব্যাট হাতে রাদারফোর্ড ৪২ বলে অনবদ্য ৭৬ এবং স্পিনার মোতি ৩ উইকেট নেন।  মুম্বাইয়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ রানে দুই ওপেনারকে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় উইকেটে ২৮ বলে ৪৭ রান যোগ করে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন শিমরোন হেটমায়ার ও রোস্টন চেজ। দলীয় ৭৭ রানের মধ্যে বিদায় নেন তারা। হেটমায়ার ২৩ ও চেজ ৩৪ রান করেন।  এরপর রোভম্যান পাওয়েলকে নিয়ে ২৯ বলে ৫১ এবং জেসন হোল্ডারের সাথে ৩২ বলে ৬১ রানের জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের সংগ্রহ এনে দেন রাদারফোর্ড। পাওয়েল ১৪ ও হোল্ডার ১৭ বলে ৩৩ রান করেন। ২টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৪২ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন রাদারফোর্ড।  জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিংয়ের সামনে বড় ইনিংস খেলতে পারেনি ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ১৯ ওভারে ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় তারা। দলের হয়ে স্যাম কারান ৪৩, জ্যাকব বেথেল ৩৩ ও ফিল সল্ট ৩০ রান করেন।  মোতি ৩৩ রানে ৩টি ও চেজ ২৯ রানে ২ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন রাদারফোর্ড।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
Japan aims to make 'new history' at Women's Asian Cup
নারী এশিয়ান কাপে ‘নতুন ইতিহাস’ গড়ার লক্ষ্য জাপানের

আগামী মাসের নারী এশিয়ান কাপের শিরোপা জিতে “নতুন ইতিহাস” গড়তে চায় জাপান, এমনটাই জানিয়েছেন দলের কোচ নিলস নিয়েলসেন। বৃহস্পতিবার ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন নিয়েলসেন। যেখানে তিনি ইংল্যান্ডভিত্তিক ১৬ জন খেলোয়াড়কে দলে রেখেছেন। জাপান এশিয়ার একমাত্র দেশ যারা নারী বিশ্বকাপ জিতেছে, তবে এ পর্যন্ত খেলা ২০ আসরের এশিয়ান কাপে তারা মাত্র দু’বার শিরোপা জিতেছে। সর্বশেষ শিরোপা আসে ২০১৮ সালে। জাপান নারী দলের প্রথম বিদেশী কোচ গ্রিনল্যান্ডে জন্ম নেওয়া নিয়েলসেন মনে করেন, আগামী ১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হওয়া টুর্নামেন্টে এবারই জাপানের সামনে সেরা সুযোগ। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেয়া ৫৪ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, “ঐতিহাসিকভাবে এই টুর্নামেন্ট জাপানের জন্য সহজ ছিল না। আমরা নতুন ইতিহাস গড়তে চাই। আমাদের এমন একটি দল আছে যারা শিরোপা জিততে সক্ষম। তাই ট্রফি না জেতা পর্যন্ত আমরা সন্তুষ্ট হতে পারছি না।” ২৬ সদস্যের দলে জায়গা পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হিনাতা মিয়াজাওয়া, যিনি ২০২৩ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। এছাড়া ম্যানচেস্টার সিটির ইউই হাসেগাওয়া ও আওবা ফুজিনোও রয়েছেন। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য এবং ১৬৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার সাকি কুমাগাই এখনও দলে আছেন। জাপানের ঘরোয়া ডব্লিউই লিগ থেকে মাত্র চারজন খেলোয়াড় দলে সুযোগ পেয়েছেন। নিয়েলসেন জানান, চোট-আঘাতের সমস্যা না থাকায় চূড়ান্ত দল নির্বাচন খুব কঠিন ছিল না। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি দল পেয়েছি যেখানে সব ধরনের বৈচিত্র্য আছে। প্রায় সব পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত। একই ধরনের অনেক খেলোয়াড় আমরা নেইনি। কারণ মাঠে কাউকে বদলি করলে আমরা ভিন্ন কিছু যোগ করতে চাই।” প্রথম রাউন্ডে তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ও ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে থাকা জাপান ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে। নিয়েলসেন বলেন, “প্রতিপক্ষ যে কৌশল নিয়ে আসুক না কেন, আমাদের স্কোয়াডে তার জবাব দেওয়ার মতো সমাধান আছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।”

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
তামিম
জীবনে প্রথম ভোট দিয়ে উচ্ছসিত তামিম

উৎসবমুখর পরিবেশে জীবনের প্রথমবারের মত ভোট দিতে পেরে উচ্ছসিত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। আজ বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি এলাকার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একটি বুথে ভোট প্রদান করেন তামিম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের তামিম ইকবাল বলেন, ‘জীবনের প্রথম ভোট দিলাম। খুবই এক্সাইটেড। পরিবেশ খুবই ভাল লাগছে। নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি।’ পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের ভেরিফাইড পেজে ভোট দেওয়ার ছবি দিয়ে তামিম লিখেন, ‘ভোট আমার নাগরিক অধিকার। নিজে ভোট দিলাম এবং দেখলাম স্বতস্ফূর্ত উৎসাহে অনেকেই ভোট দিচ্ছেন। সুশৃঙ্খল ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সবাইকে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব বাহিনীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’ যে কেন্দ্রে তামিম ভোট দিয়েছেন, সেটি চট্টগ্রাম-৯ আসন। কোতোয়ালি থানার এ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, ১১ দলীয় জোটের এ কে এম ফজলুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুস শুক্কুর, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ, বাসদের মো. শফি উদ্দিন কবির, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী ও জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
Ashraful-Akbar-Saifuddin
ভোট দিলেন আশরাফুল-আকবর-সাইফুদ্দিনরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের ভেরিফাইড পেজে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা।  ঢাকা-৯ আসনে দক্ষিণ বনশ্রী মডেল হাই স্কুলে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় দলের বর্তমান ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। ভোট দেওয়ার ছবি আপলোড করে ফেসুবকে আশরাফুল লিখেছেন, ‘সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আজ ভোট দিলাম। দায়িত্ববোধ শেখানো শুরু ঘর থেকেই।’ রংপুরে নিজ এলাকায় প্রথমবার ভোট দিয়েছেন ২০২০ সালে আইসিসি যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলি। নিজ এলাকার মানুষদের সাথে ভোট দেওয়ার ছবি আপলোড করেছেন তিনি। ছবির ক্যাপশনে আকবর লিখেছেন, ‘প্রথম ভোট।’ আকবরের মত প্রথমবার ভোট দিয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান। নিজ এলাকা দৌলতপুরে ভোট দিয়েছেন তিনি। ভোট কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তোলা ছবি ফেসবুকে দিয়েছেন সোহান। ছবির ক্যাপশনে সোহান লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, প্রথমবার ভোট দিলাম।’ জীবনের প্রথম ভোট দিয়ে আনন্দিত জাতীয় দলের ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘দিয়ে আসলাম, জীবনের প্রথম ভোট।’ ফেনিতে ভোট দিয়েছেন জাতীয় দলের পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ভোট দেওয়ার ছবি ফেসবুকে আপলোড করে সাইফুদ্দিন লিখেছেন, ‘অবশেষে  ভোট দিলাম। যেখানে আমার শৈশব কেটেছে, মাটির গন্ধে বড় হওয়া সেই চেনা জায়গাতেই। এটা শুধু একটা ভোট নয়, এটা নিজের শিকড়কে ছুঁয়ে দেখার অনুভূতি, নিজের দায়িত্বকে অনুভব করার এক নীরব গর্ব। ছোটবেলার স্মৃতি, আজকের সিদ্ধান্ত- এই দুটো একসাথে মিলেই আজকের দিনটা আমার কাছে আলাদা।’ ভোট দিয়েছেন জাতীয় দলের হার্ডহিটার ব্যাটার সাব্বির রহমানও। ফেসবুকে এই ডান-হাতি ব্যাটার লিখেছেন, ‘আমার ভোটটা কিন্তু দিয়ে দিলাম।’ সবমিলিয়ে এবার সারাদেশে ভোটার রয়েছেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
বিসিবি পরিচালক মোখলেছুর
দুর্নীতির অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রে বিসিবি পরিচালক মোখলেছুর

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আবারও অস্বস্তি, আবারও দুর্নীতির গন্ধ। দুর্নীতি ও ফিক্সিং- সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিতর্কিত বিসিবি পরিচালক মোখলেছুর রহমান শামীম দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। মাঠের ক্রিকেটে শুদ্ধতার কথা বলা বোর্ডের অন্দরেই যখন অনিয়মের অভিযোগ ঘুরপাক খায়, তখন সেটি শুধু একজন পরিচালকের বিষয় থাকে না- পুরো ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাই টালমাটাল হয়ে ওঠে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, শামীমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ একদিনের নয়। স্বার্থের সংঘাত, আর্থিক অনিয়ম এবং ফিক্সিং- সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই বোর্ডের ভেতরে আলোচনায় ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসব অভিযোগ নতুন তথ্য ও নথির সঙ্গে জড়িত হয়ে সামনে আসায় আর চুপ থাকার সুযোগ ছিল না বিসিবির সামনে। পরিস্থিতির চাপে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি, আর দায়িত্ব ছাড়তে হয়েছে অভিযুক্ত পরিচালককে। এ ঘটনায় আবারও স্পষ্ট হয়েছে- বাংলাদেশ ক্রিকেটে দুর্নীতি শুধু মাঠের খেলোয়াড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরেও তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, তদন্ত সত্য উন্মোচন করবে, নাকি এটি পরিণত হবে আরেকটি চাপা পড়ে যাওয়া অধ্যায়ে। অভিযোগের সূত্রপাত যেভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) মোখলেছুর রহমান শামীমকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সূত্রপাত হঠাৎ করে নয়। বিসিবি ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই বোর্ডের অভ্যন্তরে আলোচনায় ছিল। তবে এতদিন এসব অভিযোগ নির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে আনুষ্ঠানিক পর্যায়ে গড়ায়নি। পরিস্থিতির মোড় ঘুরতে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে, যখন কিছু অভ্যন্তরীণ নথি, সন্দেহজনক যোগাযোগের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত প্রশ্ন সামনে আসে। সূত্রগুলো বলছে, এসব তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়- একাধিক ঘটনায় স্বার্থের সংঘাত এবং নিয়ম বহির্ভূত যোগাযোগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিষয়টি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন অভিযোগে সীমাবদ্ধ না থেকে ধারাবাহিকভাবে সামনে আসায় বিসিবির ভেতরেই উদ্বেগ বাড়তে থাকে। বোর্ডের এক দায়িত্বশীল সূত্রের ভাষায়, “অভিযোগগুলো যদি বিচ্ছিন্ন হতো, তাহলে হয়তো অভ্যন্তরীণভাবেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যেত। কিন্তু যখন একই ধরনের প্রশ্ন বারবার উঠতে থাকে এবং নতুন নতুন তথ্য সামনে আসে, তখন বোর্ডের ভাবমূর্তি রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।” এই প্রেক্ষাপটেই বিষয়টি আর উপেক্ষা করার সুযোগ ছিল না বিসিবির সামনে। শেষ পর্যন্ত অভিযোগগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড, যার ধারাবাহিকতায় তদন্ত কমিটি গঠন এবং অভিযুক্ত পরিচালকের দায়িত্ব ছাড়ার ঘটনা ঘটে। কী ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ মোখলেছুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলো কয়েকটি স্তরে বিভক্ত বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। প্রথম এবং সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগ হলো স্বার্থের সংঘাত। অভিযোগ রয়েছে, বিসিবির পরিচালক পদে থাকার সময় তিনি এমন কিছু সিদ্ধান্তে যুক্ত ছিলেন, যেগুলোতে ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা ঘনিষ্ঠ মহলের সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বোর্ডের নীতিমালায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানোর সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও, কিছু সিদ্ধান্ত সেই নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল বলে অভিযোগকারীদের দাবি। দ্বিতীয় স্তরের অভিযোগগুলো আর্থিক অনিয়ম ঘিরে। ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রকল্প, চুক্তি ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিসিবির ভেতরেই প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্বচ্ছতা ও নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে দরপত্র প্রক্রিয়া এবং ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা। তৃতীয় এবং সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগটি ফিক্সিং-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে। যদিও এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি, তবে অভিযোগের গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতার কারণে বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ ছিল না। এ কারণেই বিসিবি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়। দায়িত্ব ছাড়লেন কেন বিসিবির আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলমান তদন্ত প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত রাখতে মোখলেছুর রহমান শামীম সাময়িকভাবে তার পরিচালকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বোর্ডের ভাষায়, এটি একটি নৈতিক সিদ্ধান্ত, যাতে তদন্ত কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং কোনো ধরনের প্রভাব বা স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ না ওঠে। তবে বাস্তব চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন বলে মনে করছেন বিসিবির ভেতরের একাধিক সূত্র। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত একান্তই স্বেচ্ছায় নেওয়া হয়নি। অভিযোগগুলো প্রকাশ্যে আসার পর খুব দ্রুতই বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ক্রিকেট বিশ্লেষক, সাবেক খেলোয়াড় ও সমর্থকদের একাংশ বিসিবির ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলতে থাকেন। বিশেষ করে ফিক্সিং-সংশ্লিষ্ট অভিযোগ সামনে আসার পর বোর্ডের ভাবমূর্তি নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও সমালোচনার মাত্রা বাড়তে থাকে, যা বিসিবির ওপর সরাসরি চাপ তৈরি করে। বোর্ডের এক দায়িত্বশীল সূত্রের ভাষায়, “এই চাপ উপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না। পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়।” ফলে তদন্তের স্বার্থের পাশাপাশি বোর্ডের ভাবমূর্তি রক্ষাই দায়িত্ব ছাড়ার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তদন্ত কমিটি- কতটা স্বাধীন? মোখলেছুর রহমান শামীমকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের পরিণতি এখন অনেকটাই নির্ভর করছে বিসিবি গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যক্রমের ওপর। বোর্ড সূত্র জানায়, কমিটির মূল দায়িত্ব হলো অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা সুপারিশ করা। কাগজে-কলমে এই দায়িত্বগুলো যথেষ্ট শক্তিশালী মনে হলেও, বাস্তবে তদন্তের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ, তদন্ত কমিটির সদস্যদের বড় একটি অংশই বিসিবির বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ফলে ‘নিজেদের লোক দিয়ে নিজেদের তদন্ত’- এই সমালোচনা জোরালো হচ্ছে। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, এতে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এক ক্রীড়া বিশ্লেষক বলেন, “বোর্ডের অভ্যন্তরীণ কমিটি যতই সদিচ্ছা দেখাক না কেন, বাইরের নিরপেক্ষ নজরদারি ছাড়া আস্থা তৈরি করা কঠিন।” সমালোচকদের আশঙ্কা, যদি তদন্ত প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে প্রতিবেদন যাই হোক না কেন- তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। ফলে এই তদন্ত শুধু শামীম ইস্যু নয়, বিসিবির সামগ্রিক সুশাসন পরীক্ষার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। বিসিবিতে দুর্নীতির অভিযোগ- নতুন নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইতিহাসে বিতর্ক ও অভিযোগ নতুন কোনো ঘটনা নয়। অতীতেও একাধিকবার দুর্নীতির অভিযোগে বিসিবিকে বিব্রত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত ছিল ফিক্সিং কেলেঙ্কারি, যেখানে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কঠিন সময় পার করেছে এবং একাধিক খেলোয়াড়কে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। এর পাশাপাশি আর্থিক অনিয়ম, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার অভাব এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। কখনো টিকিট বিক্রি, কখনো অবকাঠামো উন্নয়ন, আবার কখনো লিগ পরিচালনা- প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রশ্ন উঠেছে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা নিয়ে। যদিও বিসিবি প্রায়শই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বা অভ্যন্তরীণ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পূর্ণাঙ্গ ও বিশ্বাসযোগ্য সমাধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মোখলেছুর রহমান শামীম ইস্যুকে অনেকেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছেন না। বরং এটিকে বিসিবির দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করছেন। সমালোচকদের মতে, বারবার একই ধরনের অভিযোগ ওঠা প্রমাণ করে- সমস্যা ব্যক্তি নয়, বরং ব্যবস্থার ভেতরেই রয়ে গেছে। খেলোয়াড় বনাম পরিচালক: দ্বিমুখী মানদণ্ড? শামীম ইস্যু ঘিরে সবচেয়ে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে- খেলোয়াড় ও পরিচালকদের ক্ষেত্রে বিসিবির আচরণ কি সমান? সমালোচকদের দাবি, এখানে স্পষ্ট একটি দ্বিমুখী মানদণ্ড কাজ করছে। অতীতে ফিক্সিং বা অনৈতিক আচরণের অভিযোগে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন, কারও ক্রিকেট ক্যারিয়ার কার্যত শেষ হয়ে গেছে। অথচ পরিচালনা পর্যায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলেও, সেসব ক্ষেত্রে তদন্ত দীর্ঘায়িত হয় এবং সিদ্ধান্ত নিতে গড়িমসি দেখা যায়- এমন অভিযোগ বহুদিনের। শামীমের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরও তিনি পদে বহাল ছিলেন, পরে চাপের মুখে সাময়িকভাবে সরে দাঁড়ান। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈষম্য ক্রিকেট প্রশাসনের প্রতি আস্থাকে দুর্বল করে দেয়। একজন সাবেক খেলোয়াড়ের মন্তব্য, “খেলোয়াড়রা যদি নিয়ম ভাঙে, শাস্তি নিশ্চিত। কিন্তু পরিচালকের ক্ষেত্রে নিয়ম যেন নমনীয় হয়ে যায়।” এই প্রশ্নের সঠিক জবাব না মিললে, বিসিবির নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভিন্ন সুর শামীমের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোখলেছুর রহমান শামীম। তার দাবি, তাকে জড়িয়ে যে অভিযোগগুলো তোলা হয়েছে, সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত অপপ্রচার। গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আমি কোনো ধরনের দুর্নীতি বা ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত নই। তদন্তেই সত্য বেরিয়ে আসবে।” তবে এখন পর্যন্ত অভিযোগগুলোর নির্দিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা তথ্যভিত্তিক জবাব প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। সমালোচকদের মতে, শুধু অস্বীকার করাই যথেষ্ট নয়; বরং প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত ও যোগাযোগের বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। বিসিবির ভেতরের একটি সূত্র জানায়, তদন্ত চলাকালীন শামীম প্রকাশ্যে খুব বেশি কথা না বলার কৌশল নিয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠদের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরই তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন। তবে ততদিনে জনমত কোন দিকে যায়, সেটাই তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রতিক্রিয়া শামীমকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। ফেসবুক, এক্স (টুইটার) ও ইউটিউবে বিসিবির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অসংখ্য ক্রিকেটপ্রেমী। অনেকেই মনে করছেন, বোর্ড নিজেই যখন স্বচ্ছ নয়, তখন ক্রিকেটের উন্নয়ন শুধু স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকে। “বোর্ড আগে নিজেকে শুদ্ধ করুক”- এমন মন্তব্য বারবার উঠে আসছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, “দুর্নীতি যদি প্রশাসনেই থাকে, ক্রিকেট এগোবে কীভাবে?” এই প্রতিক্রিয়াগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে, বিসিবির প্রতি আস্থার জায়গাটি কতটা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে তরুণ ক্রিকেটভক্তদের মধ্যে ক্ষোভ বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের মতে, খেলোয়াড়দের কাছ থেকে নৈতিকতা আশা করা হলেও, প্রশাসনের ক্ষেত্রে সেই মানদণ্ড প্রয়োগ না হওয়া হতাশাজনক। এই জনমত বিসিবির জন্য একটি সতর্ক বার্তা বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভাবমূর্তির প্রশ্ন বিসিবির কোনো পরিচালকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বরাবরই সদস্য বোর্ডগুলোর সুশাসন ও স্বচ্ছতার ওপর নজর রাখে। অতীতে বিভিন্ন বোর্ডে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে আইসিসি হস্তক্ষেপের নজিরও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শামীম ইস্যু যদি সঠিকভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নিষ্পত্তি না হয়, তাহলে বিসিবির ওপর বাড়তি নজরদারি আসতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হতে পারে এবং বিভিন্ন সহযোগিতা ও উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া বিশ্লেষকের ভাষায়, “ক্রিকেট এখন শুধু মাঠের খেলা নয়, প্রশাসনিক বিশ্বাসযোগ্যতাও বড় বিষয়।” এই কারণেই তদন্ত প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সামনে কী অপেক্ষা করছে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী শামীম ইস্যুতে কয়েকটি পথ খোলা রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার পরিচালক পদ বাতিলসহ বিসিবির অভ্যন্তরীণ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। গুরুতর অপরাধের প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থার পথও খোলা থাকবে। তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, বিসিবিতে তদন্ত প্রক্রিয়া অনেক সময় দীর্ঘায়িত হয়। ফলে দ্রুত ও দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত আসবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। ক্রিকেটপ্রেমীদের বড় প্রত্যাশা- এবার যেন তদন্ত শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। এই ইস্যুর পরিণতি শুধু একজন পরিচালকের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না; বরং বিসিবি আদৌ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির পথে হাঁটতে চায় কি না, সেই পরীক্ষাও দেবে।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা
নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এক অনন্য ইতিহাস গড়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ দল শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয় করে। এই ঐতিহাসিক অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। জাতির এই গৌরবময় সাফল্যকে সম্মান জানাতে ‘এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস’ লিমিটেড  মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তাদের তেজগাঁও প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলের সকল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চিফ অপারেটিং অফিসার, মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক, ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের পরিচালকসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের নারীরা আজ প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গৌরব ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। নারী ফুটবলারদের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস বরাবরের মতোই দেশের স্বাস্থ্যখাতের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনের অর্জনকে সম্মান জানাতে অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে এবং সামাজিক ও ক্রীড়াজগতের উন্নয়নে গত ৮ বছর ধরে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের এই ঐতিহাসিক জয়কে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের এক উজ্জ্বল মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন সংশ্লিষ্টরা এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সাফল্যের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার স্বপ্নে গ্যাকারেস, স্পোর্টিং লিসবন ছাড়তে প্রস্তুত!

স্পোর্টিং লিসবনের সুইডিশ স্ট্রাইকার ভিক্টর গ্যাকারেস চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপিয়ান ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি। ২০২৪–২৫ মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর এবার তিনি নিজেই ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। প্রিমিয়ার লিগের তিনটি বড় ক্লাব—আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং লিভারপুল—তাকে দলে নিতে মরিয়া। গ্যাকারেস কেন আলোচনায়? গত মৌসুমে স্পোর্টিং লিসবনের হয়ে গ্যাকারেস ৫২ ম্যাচে ৪৩টি গোল এবং ১৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন। শুধু লিগে নয়, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতাতেও তিনি নজর কেড়েছেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। শক্তিশালী ফিনিশিং, শারীরিক শক্তি এবং গোলে নজরদারি গ্যাকারেসকে ইউরোপের সেরা স্ট্রাইকারদের কাতারে তুলে এনেছে। খেলোয়াড়ের মনোভাব সম্প্রতি একাধিক ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গ্যাকারেস ক্লাব সভাপতিকে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর স্পোর্টিংয়ে খেলতে চান না। প্রিমিয়ার লিগে খেলাই তার মূল লক্ষ্য, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে। সূত্র বলছে, তিনি ইতোমধ্যে পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরও জানিয়ে দিয়েছেন—তিনি ইংল্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ট্রান্সফার ফি এবং ক্লাবের অবস্থান গ্যাকারেসের বর্তমান চুক্তিতে একটি রিলিজ ক্লজ রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ইউরো। স্পোর্টিং ক্লাব স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই পুরো পরিমাণ না পেলে তারা তাকে ছাড়বে না। যদিও কিছু আগে গুঞ্জন ছিল যে, ৬০ মিলিয়ন ইউরো অফার করলেই চুক্তি হতে পারে, তবে ক্লাবের সাম্প্রতিক কড়া অবস্থানের কারণে আলোচনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। কোন ক্লাব কোথায় দাঁড়িয়ে? আর্সেনাল আর্সেনাল ইতিমধ্যে গ্যাকারেসের জন্য প্রায় ৬০ মিলিয়ন ইউরোর একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যা স্পোর্টিং প্রত্যাখ্যান করেছে। ক্লাবটি আবারো প্রস্তাব বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণ নিশ্চিত, যা গ্যাকারেসের জন্য বড় প্রলুব্ধকারী হতে পারে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ম্যান ইউ গ্যাকারেসকে দলে নিতে আগ্রহী। তার এজেন্টের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোচিং স্টাফের পক্ষ থেকে ইতিবাচক বার্তা থাকলেও চূড়ান্ত প্রস্তাব এখনো দেওয়া হয়নি। লিভারপুল লিভারপুল গ্যাকারেসকে একটি বিকল্প স্ট্রাইকার হিসেবে দেখছে, কারণ আলেক্সান্ডার ইসাকের ট্রান্সফার সম্ভবত ভেস্তে যাচ্ছে। তবে তারা এখনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়নি। চূড়ান্ত পরিস্থিতি স্পোর্টিং লিসবন আগামী ১ জুলাই থেকে তাদের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে। গ্যাকারেস সেই প্রস্তুতিতে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, খেলোয়াড় হয়তো ক্লাবের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে অনুশীলন বর্জনের পথ বেছে নিতে পারেন। সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা খেলোয়াড়ের ইচ্ছা ক্লাব ছাড়তে চান, প্রিমিয়ার লিগে যেতে আগ্রহী স্পোর্টিংয়ের অবস্থান ৮৫ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজে অনড় আর্সেনালের অবস্থান ৬০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ম্যান ইউনাইটেড আগ্রহী, তবে প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত নয় লিভারপুল বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে সম্ভাব্য সমাপ্তি জুলাইয়ের আগে সিদ্ধান্ত না হলে দ্বন্দ্ব বাড়তে পারে ভিক্টর গ্যাকারেসের ট্রান্সফার সাগা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইউরোপিয়ান ফুটবলের বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে। তিনি কোথায় যাবেন—আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড না লিভারপুল? নাকি থেকে যাবেন স্পোর্টিংয়ে? উত্তরটি পেতে নজর রাখতে হবে জুলাইয়ের শুরুতে ক্লাবগুলোর আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের দিকে.

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!
টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এ যেন এক রোমাঞ্চকর দিন! চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আবারও প্রমাণ করল — টাইগাররা কোনো অংশে কম নয়। পুরো ম্যাচজুড়ে ছিল আত্মবিশ্বাস, পরিকল্পনা আর নিখুঁত বাস্তবায়ন। ভারতের দেওয়া 265 রানের টার্গেট সহজেই টপকে যায় বাংলাদেশ। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন অধিনায়ক শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজ। বিশেষ করে শান্তর ব্যাট থেকে আসে এক চমৎকার সেঞ্চুরি, যেটি ছিল পুরো ইনিংসের মূল চালিকা শক্তি। এর আগে বল হাতে দারুণ শুরু করেন মোস্তাফিজ ও তাসকিন। পাওয়ার প্লে'তে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় টাইগাররা। মিডল অর্ডারে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত থামে 264 রানে। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক শান্ত বলেন, "এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। পুরো দল একসঙ্গে ভালো খেলেছে। বিশেষ কৃতিত্ব দিতে হবে আমাদের বোলারদের।" বাংলাদেশের এই জয়ে স্টেডিয়াম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে উচ্ছ্বাসের জোয়ার। সমর্থকরা বলছেন, "এটাই আসল টাইগাররা!" 🇧🇩🕊️ এই জয় শুধু একটি ম্যাচ নয় — এটি এক আত্মবিশ্বাসের গল্প, এক লড়াইয়ের নাম। টাইগাররা আবারও দেখিয়ে দিল, তারা হার মানতে জানে না। 👏🔥

Admin জুন ২৮, ২০২৫ 0
২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবল: কোরিয়া দক্ষিণ ও জাপান ফাইনালে মুখোমুখি

দোহা, ২৬ জুন ২০২৫ – আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জাতীয় দল। এই দুই দল এশিয়ার সেরা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত এবং তাদের লড়াই ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করেছে।   দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক পার্ক চুল-হো বলেন, “আমরা ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছি এবং এখন পুরো দল প্রস্তুত সেরা পারফরম্যান্স দেখানোর জন্য। জাপানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে হলে আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য লাগবে। আমরা দলগত একতা ও দ্রুতগতির খেলায় বিশ্বাস করি।”   অন্যদিকে, জাপানের কোচ ইয়ামামোতো শিগেরু বলেছেন, “দক্ষিণ কোরিয়া একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, কিন্তু আমরা ইতোমধ্যে কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। খেলোয়াড়রা শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফাইনালের জন্য প্রস্তুত।”\   এই ফাইনাল ম্যাচটি আগামী শনিবার কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো এশিয়া মহাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা সরাসরি সম্প্রচারে এটিকে দেখবেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ম্যাচটি গত দশকের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ এশিয়ান কাপ ফাইনাল হতে চলেছে।   দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান উভয়ই তীক্ষ্ণ আক্রমণ এবং দৃঢ় রক্ষণভাগ নিয়ে মাঠে নামবে। তাদের মধ্যে কোন দল জয়ী হবে তা অনেকটাই নির্ভর করবে তাদের কৌশল, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মানসিক স্থিতিশীলতার উপর।   ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই দুই দলের মধ্যে লড়াই শুধু জয়ের জন্য নয়, বরং এশিয়ার ফুটবলের মান উন্নয়নে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার সুযোগ।” আগামী ম্যাচের জন্য দুই দলের প্রস্তুতি চলছে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মোকাবেলায়। কোচরা খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির উপর জোর দিচ্ছেন যাতে তারা চাপ সামলাতে সক্ষম হয়। ফুটবল ভক্তরা এখন প্রতিক্ষায় রয়েছেন, সেই মুহূর্তের জন্য যখন এই দুই শক্তিধর দল মাঠে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে এবং নতুন ইতিহাস গড়বে।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

Admin ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
আন্তর্জাতিক হকিতে উত্তেজনার পারদ: আজ শুরু হচ্ছে ২০২৫ আইএইচএফ বিশ্ব কাপ

মাস্ট্রিখ্ট, নেদারল্যান্ডস, ২৬ জুন ২০২৫ – আজ থেকে নেদারল্যান্ডসের মাস্ট্রিখ্ট শহরে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন (আইএইচএফ) বিশ্ব কাপ, যা বিশ্ব হকির এক অন্যতম বড় টুর্নামেন্ট হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের সেরা ১৬টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আরও কয়েকটি শক্তিশালী দল।   এই বিশ্বকাপ হকির ভক্তদের জন্য এক অনবদ্য উৎসব। প্রতিটি দল তাদের সেরা খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে নামবে এবং আগামী তিন সপ্তাহ ধরে চলবে কঠোর লড়াই ও দারুণ খেলা। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে নেদারল্যান্ডস বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি সবচেয়ে বেশি নজর কাড়বে, যেখানে দুই দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা ও কৌশল প্রদর্শন করবেন।   ভারতের অধিনায়ক রাহুল সিংহ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এই বিশ্বকাপে সেরা অবস্থান অর্জন করা। আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং দলের মধ্যে একতা বজায় রেখে প্রতিটি ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত।” অপরদিকে, পাকিস্তান দলের কোচ কামরান আকবর জানিয়েছেন, “টুর্নামেন্টটি খুবই চ্যালেঞ্জিং হবে, কিন্তু আমাদের খেলোয়াড়রা আত্মবিশ্বাসী। আমরা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিয়ে নিজেদের সেরা ফলাফল আনতে চেষ্টা করব।” বিশ্ব হকির বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিশ্বকাপ হকির আধুনিক কৌশল ও দ্রুত গতির খেলার জন্য একটি মাইলফলক হবে। তারা বলেন, “বর্তমান যুগের হকি খেলোয়াড়রা যেভাবে দ্রুতগতিতে বল নিয়ন্ত্রণ ও পাস করছে, তা ভবিষ্যতে খেলার ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে।”   বিশ্বকাপ চলাকালীন দর্শকদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও ভক্তরা একসঙ্গে মিলিত হয়ে এই খেলা উপভোগ করবেন। আগামী তিন সপ্তাহের এই টুর্নামেন্ট বিশ্ব হকির ভক্তদের কাছে সেরা বিনোদন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।  

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
সেরা দলগুলো কঠোর পরিশ্রমে, খেলোয়াড়দের ফিটনেসে জোর

ইউরোপ, ২৬ জুন ২০২৫ – আগামী সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া ইউরো ২০২৫ ফুটবল টুর্নামেন্টের উত্তেজনা ইতিমধ্যে পুরো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপের ২৪টি সেরা জাতীয় দল কঠোর অনুশীলন ও প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছে। এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে খেলোয়াড়রা নিজেদের ফিটনেস বৃদ্ধি, কৌশলগত দক্ষতা ও দলগত সমন্বয়ের দিকে বিশেষ জোর দিচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা দল জার্মানি, স্পেন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ইতালি ও নেদারল্যান্ডস তাদের তরুণ ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গঠন করেছে। জার্মানির প্রধান কোচ হান্স মুলার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমরা ইউরো জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামছি। আমাদের তরুণ খেলোয়াড়রা গত কয়েক বছরে অনেক উন্নতি করেছে এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিলিয়ে আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল গড়ে তুলেছি।” স্পেনীয় কোচ মিগুয়েল রামোস নতুন কৌশল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ফুটবল ক্রমশ পরিবর্তিত হচ্ছে। গত কয়েক বছর আমরা একটি নতুন খেলার ধরন অনুশীলন করেছি। ইউরো ২০২৫-এ আমরা সেই নতুন কৌশল মাঠে প্রয়োগ করবো এবং প্রতিপক্ষদের চমকে দেব।” ইংল্যান্ডের কোচ লরেন্স হারপারের মতে, তরুণদের সঙ্গে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঠিক সমন্বয় দলকে শক্তিশালী করবে, এবং তারা এই টুর্নামেন্টে উচ্চমানের খেলা প্রদর্শন করবে। তিনি বলেন, “আমাদের যুবপ্রজন্ম ফুটবলের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। তাদের সঙ্গে অভিজ্ঞদের একসাথে কাজ করার ফলে আমরা আশাবাদী।” টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব ইউরোপের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ইউরো ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই টুর্নামেন্টে নতুন তারকাদের আবির্ভাব হবে, যারা বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যত গড়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বিশ্ব ফুটবল বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের ইউরো হবে গত কয়েক বছরে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ও উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। বিভিন্ন দল তাদের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নামবে এবং দর্শকদের জন্য মনোমুগ্ধকর মুহূর্ত উপহার দেবে। বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তরা উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছেন এই আসরের জন্য, যেখানে তাদের প্রিয় দল এবং তারকারা একসঙ্গে ফুটবল ইতিহাস রচনা করবে।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই, ঢাকা ও চট্টগ্রামের ম্যাচে রোমাঞ্চ ছড়াল

ঢাকা, ২৬ জুন ২০২৫ – দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এ এবারও উত্তেজনার পারদ চড়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা ডায়নামাইটস ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মধ্যকার ম্যাচটি দর্শকদের জন্য ছিল এক অনবদ্য ক্রিকেট মহোৎসব। উভয় দলই মাঠে লড়াই করেছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে, যা খেলা থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত অবিরাম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।   ঢাকার বিপক্ষে চট্টগ্রামের বোলাররা শক্তিশালী বোলিং প্রর্দশন করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছে। তবে ঢাকা ডায়নামাইটসের ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে রানের গতিকে ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ গড়তে সক্ষম হয়েছে। ম্যাচ শেষে ঢাকা ডায়নামাইটস ১৫০ রান করে, যা প্রতিহত করতে চট্টগ্রাম ব্যাটসম্যানরা নেমেছে।   এই ম্যাচে ঢাকার তরুণ ব্যাটসম্যান সোহেল রহমান তার অর্ধশতক দিয়ে দলকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছেন। চট্টগ্রামের পেসার আবু বক্কর ম্যাচে চার উইকেট নিয়েছেন, যা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ ও দলের কৌশল নিয়েও বিশেষ আলোচনা হয়েছে।   ঘরোয়া ফুটবলেও চলেছে তীব্র লড়াই। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত জাতীয় লীগে ঢাকার কয়েকটি দল নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা ইউনাইটেড ও রাজশাহী রেঞ্জার্সের ম্যাচে লক্ষ্যণীয় ছিল দলের স্ট্র্যাটেজি ও খেলোয়াড়দের দক্ষতা। দুই দলই সমানভাবে সুযোগ তৈরি করেছে, যার ফলে ম্যাচটি সমবয়স্ক ও উত্তেজনাপূর্ণ হয়েছে।   এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলার ক্রীড়া সংস্থা ও ক্লাবগুলো নিয়মিত টুর্নামেন্ট ও প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করছে, যা দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশের ঘরোয়া ক্রীড়া আরও বেশি মনোযোগ ও বিনিয়োগ পেলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হবে। তারা বলেন, “ঘরোয়া পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা ও দক্ষ প্রশিক্ষণ দেশের খেলোয়াড়দের সক্ষমতা বাড়ায় এবং জাতীয় দলের শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।”   পরবর্তী মাসগুলোতে ঘরোয়া ক্রিকেট ও ফুটবলের নানা ম্যাচ ও টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় খেলাধুলাপ্রেমীরা নতুন রোমাঞ্চের প্রত্যাশায় রয়েছেন।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট সিরিজে উত্তেজনার পারদ চড়ছে

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে চলমান টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উত্তেজনায় ভরপুর ছিল। গতকাল অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের খেলা শেষে শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে অবস্থান নিয়েছে। আজকের দ্বিতীয় দিনেও বোলিং ও ব্যাটিং দু’দিক থেকেই খেলোয়াড়রা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে মাঠ মাতাচ্ছে।   বাংলাদেশ দলের বোলাররা শুরু থেকেই শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে মুশফিকুর রহমান দুর্দান্ত বোলিং করেছে; তিনি আজকের দিনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছেন। তার ধারাবাহিক বোলিং বাংলাদেশকে বড় ধরনের সুবিধা দিয়েছে। পাশাপাশি অধিনায়ক তানভীর হাসানের বোলিং স্ট্র্যাটেজি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে কার্যকর হয়েছে।   শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা প্রথম দিকে কিছুটা চাপ সামলে লড়াই করলেও, দিনশেষে তারা বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের একজন অলরাউন্ডার মাহিন্দা আজকের দিনে কিছু মুহূর্তে খেলা নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। কিন্তু দল হিসেবে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ এখনো পূর্ণ শক্তিতে আঘাত করতে পারেনি।   আজকের দিনটিকে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা ম্যাচের রূপকার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আজকের খেলা বাংলাদেশ দলের জন্য একটি বড় স্কোর গড়ে সিরিজে জয় নিশ্চিত করার সুযোগ এনে দিতে পারে, অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার বোলারদের জন্য তা একটি কঠিন পরীক্ষা যেখানে তাদের পুরো দলের শক্তি ও ধৈর্য্যের প্রয়োজন। চট্টগ্রামের মাঠে উপস্থিত ক্রিকেট ভক্তরা প্রতিটি বল ও every উইকেটের জন্য উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে। ম্যাচের উত্তেজনা এবং উভয় দলের লড়াই মাঠে প্রাণ সঞ্চার করেছে। মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশন ও অনলাইনে দেশের ক্রিকেট প্রেমিরা খেলার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছেন।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই সিরিজটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, যেখানে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটাররা নিজেদের দক্ষতা ও মানসিকতা প্রমাণ করছে। শ্রীলঙ্কা দলও হার মানতে নারাজ, তাই আজকের ম্যাচে পুরোটা সময় কঠিন লড়াই হবে।”   আগামী দিনগুলোতেও সিরিজের ফলাফল নির্ধারণে এই ম্যাচের ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উভয় দলই চেষ্টা করছে সেরা পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করতে।   বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই সিরিজকে সামনে রেখে মাঠ ও প্রশিক্ষণে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি দেশের ক্রিকেটাররা নিজেদের সেরাটা দেয়ার জন্য মাঠে অঙ্গীকার দেখাচ্ছে।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
5-important-life-lessons-to-learn-from-messi
মেসির জীবন থেকে শেখার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, একজন খাটো, চুপচাপ, অসুস্থ ছেলেটা কীভাবে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠল? প্রশ্নটা সহজ, কিন্তু উত্তরটা যতটা বাস্তব, ততটাই অনুপ্রেরণামূলক। এই গল্পটা কারো রূপকথা নয়। এটা লিওনেল আন্দ্রেস মেসি — এক বাস্তব জীবনের কিংবদন্তির কাহিনি।   মেসির জন্ম ১৯৮৭ সালে, আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। ছোটবেলায়ই দেখা দেয় শারীরিক সমস্যা — তার শরীরে বৃদ্ধি হরমোন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল না। চিকিৎসা ব্যয় এত বেশি ছিল যে তার পরিবার প্রায় দিশেহারা হয়ে পড়ে। কিন্তু ভাগ্য বদলায় যখন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা তার প্রতিভা চিনে নেয়, এবং দায়িত্ব নেয় মেসির চিকিৎসার। সেখান থেকেই শুরু হয় এক মহান যাত্রা—যা শুধুই ট্রফি বা গোল নয়, বরং আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় আর নীরব সাফল্যের প্রতীক।   আমরা যখন সফলতা ভাবি, তখন চোখে ভেসে ওঠে জাঁকজমক, জয়ের উল্লাস আর গ্ল্যামার। কিন্তু মেসির গল্প আমাদের শেখায়—নীরবে কাজ করে যাও, সময় আসলে পুরো দুনিয়া তোমাকে চিনবে।   এই লেখায় আমরা মেসির জীবন থেকে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরব—যা কেবল একজন ফুটবলপ্রেমী নয়, বরং যে কেউ, যেকোনো বয়সে নিজের জীবনে কাজে লাগাতে পারে। চলো, শিখে নিই সেই শিক্ষা, যে শিক্ষা একজন খাটো ছেলেকে ফুটবলের আকাশছোঁয়া শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।   ১. ছোটখাটো সীমাবদ্ধতা দিয়ে জীবন থেমে যায় না   যখন ছোট ছিল, তখন কেউ ভাবত না এই ছেলেটা একদিন বিশ্বের সেরা ফুটবলার হবে। লিওনেল মেসির উচ্চতা স্বাভাবিক ছিল না, কারণ তার দেহে “Growth Hormone Deficiency (GHD)” ছিল। অর্থাৎ, তার শরীর ঠিকভাবে বেড়ে উঠছিল না। বয়স বাড়ছিল, কিন্তু গড়ন ছিল ছোটদের মতো। একজন ফুটবলারের জন্য যেটা সরাসরি ক্যারিয়ারে প্রতিবন্ধক।   মেসির বাবা-মা অনেক চেষ্টা করেছিলেন—চিকিৎসা চালিয়ে যেতে, খেলা চালু রাখতে। কিন্তু তখন আর্জেন্টিনায় এ চিকিৎসা খরচ এত বেশি ছিল যে তাদের পক্ষে চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।   ঠিক তখনই—মেসির জীবন বদলে দেয় বার্সেলোনা ক্লাব। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ক্লাবটি মেসির প্রতিভা দেখে তাকে স্পেনে নিয়ে আসে, তার চিকিৎসা, থাকা–খাওয়াসহ সব দায়িত্ব নেয়। এবং সেই ছোট্ট ছেলেটা নিজের সীমাবদ্ধতা সঙ্গী করেই খেলা চালিয়ে যেতে থাকে, প্রতিদিন আরও পরিশ্রম করতে থাকে।   ⏳ কেউ যখন বলত "তুমি অনেক ছোট", তখন মেসি বলত না কিছু—জবাব দিত মাঠে গোল দিয়ে।   🎯 শেখা: জীবনে সীমাবদ্ধতা থাকবে—তা শারীরিক, আর্থিক বা মানসিক। কিন্তু সেগুলোই যদি তোমাকে থামিয়ে দেয়, তাহলে তুমি হেরে যাবে। আর যদি সেই সীমাবদ্ধতা থেকেই শক্তি পাও, তাহলে একদিন সেই বাধাই হবে তোমার সাফল্যের প্রেক্ষাপট। মেসির মতো কেউ যদি ছোট শরীরে বিশাল স্বপ্ন বয়ে নিয়ে চলতে পারে—তাহলে তুমিও পারো।   ২. প্রতিদিন উন্নতি করাই বড় সাফল্য   লিওনেল মেসির জীবনজুড়ে এক জিনিস সবসময় একই থেকেছে—প্রতিদিন একটু ভালো হওয়ার চেষ্টা। সে কখনো বলে না “আমি সেরা” কিংবা “আমার আর শেখার কিছু নেই।” বরং তার প্রতিটি অনুশীলন, প্রতিটি ম্যাচ যেন আরও উন্নত হওয়ার এক নতুন সুযোগ।   ছোটবেলা থেকেই মেসি নিজেকে প্রতিদিন একটু করে গড়ে তুলেছে। ⚽ সে শুধু গোল করাকে দক্ষতা মনে করত না, বরং পাস, ড্রিবল, স্পিড, ফিটনেস—সবকিছুতে সে নিজেকে সময় দিয়েছে। আর এখানেই তার আসল জাদু। 🎥 একটা উদাহরণ দেখি:   মেসি একবার বলেছিল, “আমি কখনো নিজেকে নিখুঁত ভাবি না। আমি জানি, কালকে আরও ভালো করা যাবে।” এই মনোভাবই তাকে করেছে ইতিহাসের সবচেয়ে কনসিসটেন্ট (স্থায়ী সাফল্যমণ্ডিত) ফুটবলারদের একজন।   📚 শেখা:   আজ তুমি যেখানে আছ, সেটাই শেষ না। প্রতিদিন ১% উন্নতি হলেও, এক বছর পরে তুমি থাকবে ৩৭ গুণ উন্নত অবস্থানে। (এটা কিন্তু গাণিতিক সত্য, ১.01ⁿ = 37.78 যখন n = 365!)   মেসির গল্প বলে, “সেরা হওয়া জরুরি নয়—প্রতিদিন একটু করে ভালো হওয়াটাই আসল।” তুমি যদি নিয়ম করে নিজের পড়াশোনা, কাজ, স্কিল বা মানসিকতা একটু একটু করে ঠিক করো, তাহলে সাফল্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।   ৩. নম্রতা ও ধৈর্যই প্রকৃত শক্তি   আজকের দুনিয়ায় সফলতা মানেই যেন বাহাদুরি, শিরোনামে থাকা, ক্যামেরার সামনে নিজেকে জাহির করা। কিন্তু লিওনেল মেসি যেন এর একদম উল্টো — তিনি সবসময় শান্ত, নম্র, চুপচাপ কাজ করে যান। কখনো রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়ান না, গোল করার পরও অহংকার দেখান না, কথার চেয়ে পারফরম্যান্সেই বিশ্বাস রাখেন।   তার ক্যারিয়ারে অনেক সময় এসেছে যখন তিনি চাইলেই রাগ করতে পারতেন, কথা বলতেই পারতেন।   ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে হেরে গেছেন ৩ বার কোপা আমেরিকার ফাইনাল খুইয়েছেন ২০২1 সালের আগে দেশের জার্সিতে কোনো ট্রফিই ছিল না কিন্তু তারপরও তিনি দলের প্রতি বিশ্বাস হারাননি, অভিমান করলেও মাঠ ছাড়েননি।   তার ধৈর্য আর আত্মনিয়ন্ত্রণ তাকে করেছে "লিডার", কেবল খেলোয়াড় নয়। 🌿 শেখা:   নম্রতা কখনো দুর্বলতা নয়। বরং সেটা এমন এক শক্তি, যা তোমাকে ভিতর থেকে গড়ে তোলে। আর ধৈর্য? সেটা হলো সাফল্যের আগে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।   যখন চারপাশের মানুষ তোমাকে ছোট করে দেখে, ফল আসছে না, বারবার হেরে যাচ্ছো— তখনো যদি তুমি ভেঙে না পড়ে সামনে এগিয়ে যাও, তাহলেই একদিন জয় আসবেই।   মেসির জীবন বলে, "চুপ থেকে কাজ করো, কথা বলবে তোমার ফলাফল।"   ৪. পরিশ্রমের বিকল্প নেই   অনেকে ভাবে, মেসি হয়তো ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভার অধিকারী। ঠিক কথা। কিন্তু শুধু প্রতিভা থাকলেই কি কেউ ইতিহাসের সেরা হয়ে ওঠে? না। মেসির প্রতিভার চেয়েও বড় জিনিস হলো তাঁর নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম।   ⚽ ছোটবেলার গল্প:   মাত্র ৮ বছর বয়স থেকেই মেসি প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা অনুশীলন করতেন। বার্সেলোনায় যাওয়ার পর তিনি যখন অনেক তরুণ খেলোয়াড়ের মধ্যে পড়ে গেলেন, তখনও তিনিই সবচেয়ে আগে মাঠে যেতেন, সবার পরে প্র্যাকটিস শেষ করতেন।   একবার এক কোচ বলেছিলেন— "মেসির সবচেয়ে বড় গুণ, সে খেলার পরে একাই মাঠে দাঁড়িয়ে ড্রিবলিং আর ফিনিশিং প্র্যাকটিস করত। যখন সবাই বিশ্রাম নিচ্ছে, তখন সে কাজ করত চুপচাপ।"   💼 বড় হওয়ার পরও থেমে যাননি   ইনজুরি থেকে ফিরে জিমে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রতিটি ম্যাচের ভিডিও দেখে ভুল খুঁজে বের করা নিজের খেলা নিয়ে সর্বদা সিরিয়াস — যেন সে নতুন এক শিক্ষার্থী   সে কারণেই এত বছর পরেও, এত কিছু জেতার পরেও মেসি আজও ভয়ংকর ধারাবাহিক ও কার্যকর।   🔥 শেখা:   আমরা অনেকেই সফলতার শর্টকাট খুঁজি। কিন্তু মেসি বলেন না, “আমি ছোট ছিলাম, তাই ছাড় পাচ্ছি।” তিনি বিশ্বাস করেন, “প্রতিভা যখন পরিশ্রমকে সঙ্গে পায়, তখনই সে কিংবদন্তি হয়ে ওঠে।”   তুমি যদি শুধু স্বপ্ন দেখো, কিন্তু পরিশ্রম না করো — তাহলে সেটা কেবল কল্পনা। আর যদি প্রতিদিন একটু একটু করে চর্চা করো, চেষ্টা চালিয়ে যাও — তাহলে স্বপ্ন একদিন বাস্তব হবেই।   ৫. নিজের লক্ষ্য জানলে দুনিয়া জিতে নেওয়া যায়   প্রতিভা, পরিশ্রম, নম্রতা—এসব থাকলেও যদি জীবনের লক্ষ্য পরিষ্কার না থাকে, তাহলে মানুষ মাঝপথেই হারিয়ে যায়। কিন্তু মেসি শুরু থেকেই জানতেন—তিনি শুধু ভালো খেলোয়াড় হতে চান না, তিনি দেশের জন্য, নিজের ভালোবাসার ক্লাবের জন্য ইতিহাস গড়তে চান।   🎯 বার্সেলোনার প্রতি দায়বদ্ধতা অনেক ক্লাব প্রচুর টাকায় মেসিকে নিতে চেয়েছিল। তবু তিনি বার্সেলোনায় থেকে গেছেন ২১ বছর—শুধু পেশাদারিত্ব নয়, ভালোবাসা আর লক্ষ্য ছিল দলের সঙ্গে বড় কিছু করার।   🇦🇷 আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চাপানো স্বপ্ন বারবার হেরেছেন—বিশ্বকাপ ফাইনাল, কোপা আমেরিকা ফাইনাল। ম্যাচ শেষে কেঁদেছেন, দেশের সমালোচনা শুনেছেন, রাগ করে অবসরও নিয়েছিলেন। তবু ফিরে এসেছেন। কেন? কারণ তাঁর লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে কিছু জেতা। দেশের জন্য ইতিহাস গড়া। এবং ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা আর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জিতে সেটা করে দেখিয়েছেন।   📚 শেখা: আমরা জীবনে অনেক কিছুই করতে চাই—ভালো রেজাল্ট, ভালো ক্যারিয়ার, নাম, খ্যাতি। কিন্তু যদি পরিষ্কার লক্ষ্য না থাকে, তাহলে মনোযোগ ছড়িয়ে যায়, উৎসাহ হারিয়ে যায়। তুমি যদি জানো, কোথায় যেতে চাও—তাহলে রাস্তা খুঁজে পাবে। আর যদি লক্ষ্যই না ঠিক করো, তাহলে দুনিয়ার কোনো GPS-ও তোমাকে পৌঁছে দিতে পারবে না।   মেসির জীবন বলে— "কোনো কিছুই অসম্ভব না, যদি তুমি জানো তুমি কিসের জন্য লড়ছো।"     উপসংহার   লিওনেল মেসির জীবন কেবল একজন ফুটবলারের ট্রফি আর রেকর্ডের গল্প নয় — এটা এক শান্ত, আত্মবিশ্বাসী, পরিশ্রমী মানুষের গল্প, যে নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করেছে লক্ষ্যে পৌঁছাতে।   আমরা সবাই জীবনে কোথাও না কোথাও আটকে যাই— 👉 কখনো শরীর, কখনো পরিস্থিতি, কখনো নিজের ভিতরের ভয় আমাদের থামিয়ে দেয়। কিন্তু মেসি শিখিয়ে দিয়েছেন, “যদি তুমি চুপচাপ নিজের পথে থাকো, পরিশ্রম চালিয়ে যাও, এবং লক্ষ্য না ভুলো — তাহলে একদিন পুরো দুনিয়া তোমার পাশে দাঁড়াবে।”   🧠 এই লেখায় যা শিখলাম: ✅ সীমাবদ্ধতা কোনো বাধা না ✅ উন্নতি করতে হয় ধীরে ধীরে ✅ নম্রতা আর ধৈর্য আসল শক্তি ✅ পরিশ্রম ছাড়া কিছুই সম্ভব নয় ✅ স্পষ্ট লক্ষ্য থাকলে হার মানে না   ✨ শেষ কথা: "জাদু নেই, shortcut নেই — আছে কেবল বিশ্বাস, পরিশ্রম আর নিজের স্বপ্নে দাঁতে দাঁত চেপে লেগে থাকা।"   তুমি যদি আজ থেকে নিজের জীবনের লক্ষ্য ঠিক করো, পরিশ্রম শুরু করো—তাহলে একটা সময় এসে তুমি নিজেকেই চিনতে পারবে না। কারণ তখন তুমি আর ‘সাধারণ’ থাকবা না — তুমি হবো নিজের জীবনের ‘মেসি’।

আয়ান তাহরিম জুন ২৬, ২০২৫ 0
এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩-২ গোলে হারিয়ে চমক দেখালো বাংলাদেশ হকি দল। এই জয়ের মাধ্যমে পয়েন্ট তালিকায় এক ধাপ ওপরে উঠে এলো স্বাগতিকরা। প্রথম কোয়ার্টারেই বাংলাদেশ এগিয়ে যায় অধিনায়ক রাসেল মাহমুদের করা পেনাল্টি কর্নার থেকে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে পাকিস্তান সমতায় ফেরে, তবে তৃতীয় কোয়ার্টারে জোড়া গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। শেষ মুহূর্তে একটি গোল শোধ করলেও হারের হাত থেকে রক্ষা পায়নি পাকিস্তান। গোলদাতারা: বাংলাদেশ: রাসেল মাহমুদ (১টি), আশরাফুল ইসলাম (১টি), মিলন হোসেন (১টি) পাকিস্তান: আব্বাস হায়দার (২টি) রক্ষণে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক নাহিদ হোসেন ম্যাচজুড়ে অসাধারণ সেভ করে দর্শকদের মন জয় করেন। বিশেষ করে চতুর্থ কোয়ার্টারে টানা তিনটি পেনাল্টি কর্নার রুখে দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। কোচের মন্তব্য ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের প্রধান কোচ মামুনুর রশিদ বলেন, "এই জয় শুধুমাত্র একটি ম্যাচ নয়, এটি আমাদের মানসিক দৃঢ়তার প্রতীক। আমাদের ছেলেরা আজ অসাধারণ খেলেছে।" টেবিল অবস্থা এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ এখন ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে হলে আগামী ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে জিততেই হবে। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড: বাংলাদেশ ৩ – ২ পাকিস্তান গোলদাতারা: বাংলাদেশ: রাসেল (৮’), আশরাফুল (২৯’), মিলন (৩৮’) পাকিস্তান: আব্বাস হায়দার (৩২’, ৫৫’) বাংলাদেশ হকি দলের এমন জয় ক্রিকেটমুখী দেশটিতে নতুন করে আশার আলো জাগাচ্ছে। এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এরকম পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
ফ্রান্সকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন, তরুণদের জয়জয়কার

ইউরো ২০২৪-এর উত্তেজনাপূর্ণ কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। ম্যাচে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন তরুণ স্ট্রাইকার লামিন ইয়ামাল, যিনি ইউরো ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েন। ম্যাচের শুরুতে ফ্রান্স আক্রমণাত্মক খেললেও ১৫ মিনিটে এমবাপ্পের পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন র‍্যান্ডাল কলো মুয়ানি। তবে স্পেন দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়। ২৫ মিনিটে পেদ্রির দুর্দান্ত ক্রস থেকে সমতায় ফেরান অলমো। এরপর ৩৪ মিনিটে দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে গোল করে ইতিহাস গড়েন ইয়ামাল। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স বারবার আক্রমণ চালালেও স্পেনের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দৃঢ়তা সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। তরুণদের উত্থান স্পেনের এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে তাদের তরুণ খেলোয়াড়রা। ১৬ বছর বয়সী ইয়ামাল, ২১ বছরের পেদ্রি এবং ২২ বছর বয়সী গাভির মিলে গড়া মিডফিল্ড দারুণ খেলেছে পুরো ম্যাচজুড়ে। কোচের প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে স্পেন কোচ লুইস ডে লা ফুয়েন্তে বলেন, "আমাদের তরুণরা দেখিয়ে দিয়েছে স্পেন ফুটবলের ভবিষ্যৎ কতটা উজ্জ্বল। তারা ভয়ডরহীন খেলে নিজেদের প্রমাণ করেছে।" ফাইনালের দিকে তাকিয়ে স্পেন এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে উঠলো স্পেন, যেখানে তারা মুখোমুখি হবে জার্মানি ও পর্তুগালের মধ্যকার বিজয়ীর। বিশ্লেষকদের মতে, এভাবে খেলে গেলে স্পেন সহজেই শিরোপার অন্যতম দাবিদার হতে পারে। সংক্ষিপ্ত স্কোর: স্পেন ২ - ১ ফ্রান্স গোলদাতা: ফ্রান্স: কলো মুয়ানি (১৫’) স্পেন: অলমো (২৫’), ইয়ামাল (৩৪’)

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

Admin জুন ২৮, ২০২৫ 0
Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বরিশালে সাংবাদিকদের ওপর ডিসির ক্ষোভ: নির্বাচনী কার্ড ইস্যুতে হয়রানির অভিযোগ

বরিশালে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর যেন পাহাড়সম ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি)। পারিবারিক কলহ ও স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে অতীতে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় সাংবাদিকদের ওপর এই চটে থাকা বলে জানা গেছে। বর্তমানে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের জন্য প্রয়োজনীয় 'নির্বাচনী কার্ড' ইস্যু করাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন তিনি। কার্ড ইস্যু নিয়ে চলছে টালবাহানা ভুক্তভোগী সংবাদকর্মীদের দাবি, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরেও কার্ড দিতে নানা অজুহাতে হয়রানি করা হচ্ছে। মূলত ডিসির ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণেই মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকদের এই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বরিশালের সাংবাদিক সমাজ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং একে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। ব্যক্তিগত আক্রোশের প্রভাব পেশাগত কাজে উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে এই জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়। সেই থেকে সাংবাদিকদের প্রতি তার বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়েছে। ফলস্বরূপ, এখন সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার হরণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিশেষে বলা যায়, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়। নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর সময়ে সাংবাদিকদের অবাধ তথ্য সংগ্রহের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব। একজন সাংবাদিক লিখেছেন, বৌ পেটানো নিউজ করার মাসুল দিচ্ছে বরিশালের সাংবাদিকরা। আরেক সাংবাদিক প্রশাসনের এই প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করে লিখেছেন, ডিসি তার ক্ষমতা দেখাইছে, এখন আমাদের বরিশালের সাংবাদিকদের উচিত সবাই এক হয়ে ক্ষমতা দেখানো। কার পাশা যাবে কার টেবিলে, খেলা যে চলছে কোন লেভেলের! ​নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহের জন্য কার্ড একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথি। কিন্তু কার্ড পেতে বিলম্ব হওয়ায় মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সাংবাদিকদের অভিযোগ, ​সঠিক কারণ ছাড়াই আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। ​জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। ​স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বরিশালের সংবাদকর্মী মহলে ঐক্যের ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এমন ‘ব্যক্তিগত রোষ’ এবং ‘ক্ষমতার দাপট’ রুখতে স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনগুলো কঠোর কর্মসূচির কথা ভাবছে। নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অবিলম্বে সাংবাদিকদের কার্ড প্রদানের দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও। কে এই ডিসি খাইরুল আলম সুমন যৌতুক সংক্রান্ত মামলায় কারাবাসের অভিযোগ থাকা একজন কর্মকর্তাকে বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় প্রশাসনের ভেতর ও বাইরে বিস্ময় ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বরিশালের ডিসি  খায়রুল আলম সুমন ২৯তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা। জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব জেলার আইনশৃঙ্খলা, ম্যাজিস্ট্রেসি ও ভূমিসংক্রান্ত সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করা—যেখানে ব্যক্তিগত সুনাম ও নৈতিকতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা। তাদের ভাষ্য, যাদের ব্যক্তিগত জীবনে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, এমন কর্মকর্তাকে ডিসি পদে বসানো ইমেজ ও আস্থার প্রশ্ন তৈরি করে। আদালত ও মামলার তথ্য সূত্র অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ওই মামলায় খায়রুল আলম সুমন ও তার মা খোদেজা বেগমকে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার এসআই শাহ আলম আদালতে তাদের হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিন—উভয় আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি দীর্ঘ সময় কারাবাসে ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৫ জুন বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ২৪ মার্চ রাতে ঢাকার ওয়ারী এলাকায় খায়রুলের বাসায় তার মায়ের মাধ্যমে গরম খুন্তি দিয়ে ছেঁকা দেওয়া হয় এবং এ সময় খায়রুল আলম সুমন ভুক্তভোগীর হাত চেপে ধরেন। পরদিন ওয়ারী থানায় মামলা করা হয়। বিভাগীয় মামলা ও পদোন্নতি স্ত্রীর করা মামলার পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়েও অভিযোগ দেওয়া হলে খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এর ফলে নিয়মিত পদোন্নতি ব্যাহত হয় বলে জানা গেছে। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর উপসচিব পদে তার পদোন্নতির আদেশ জারি হলেও সেখানে ২০২৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ভূতাপেক্ষ (ব্যাকডেটেড) পদোন্নতি দেখানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নিজেকে পদোন্নতিতে বঞ্চিত দাবি করে তিনি ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি গ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত তথ্য ও ডিসির বক্তব্য খায়রুল আলম সুমনের ‘ব্যক্তিগত ডাটা শিটে’ (পিডিএস) বর্তমানে তাকে ‘অবিবাহিত’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে খায়রুল আলম সুমন বলেন, “এসব আমার ব্যক্তিগত তথ্য। আমার নামে বিভাগীয় মামলা  ছিল—সবই কর্তৃপক্ষ জানে এবং জেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি এসব নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।” প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মত জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, জেলা প্রশাসক পদটি কেবল প্রশাসনিক নয়—এটি নৈতিক নেতৃত্বেরও প্রতীক। একজন ডিসির ব্যক্তিগত জীবনে গুরুতর অভিযোগ থাকলে জেলার আইনশৃঙ্খলা ও ম্যাজিস্ট্রেসি কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশ্ন ও অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। তাদের ভাষ্য, “ডিসির সুনামটাই সবচেয়ে জরুরি।” সূত্র জানায়, খায়রুল আলম সুমন প্রবেশনার হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাকরি শুরু করেন। সে সময়ের ডিসি মো. আবদুল মান্নানের মেয়েকে তিনি বিয়ে করেছিলেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম ডিসি কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নাঙ্গলকোট, নিকলি ও বাজিতপুরে এসিল্যান্ড এবং ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বরিশালের ডিসি হিসেবে তার  নিয়োগ প্রশাসনে নৈতিকতা ও যোগ্যতার প্রশ্ন নতুন করে সামনে এনেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা ও অবস্থান প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পিআইবিতে অবসরপ্রাপ্তদের হয়রানির অভিযোগ: ডিজি ফারুক ওয়াসিফ'র অপসারন দাবী

 রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান Press Institute of Bangladesh (পিআইবি)-এর মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ-এর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, পিআইবি থেকে অবসর গ্রহণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের পাওনা সংক্রান্ত বিষয় ঝুলিয়ে রেখে মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। একাধিক সূত্র দাবি করেছে, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং তারা অভিযোগ করছেন যে তাদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা নিষ্পত্তি না করে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা চলছে। এছাড়া অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিষ্ঠানে প্রায়  ৩৪ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নীতিমালার বিষয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে পিআইবির কর্মচারী ফরিদ আহমেদ-এর সঙ্গে অমানবিক আচরণের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, তার সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই অনিয়ম দুর্নীতি অবৈধ নিয়ম বিষয়ে কথা বলায়,মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে পিআইবির সিনিয়র পরীক্ষক পারভীন সুলতানা রাব্বিকে যড়যন্ত্র ও কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করে বদলি করা হয়েছে এবং আলী হোসেনের সুনিশ্চিত  কারণ ছাড়া অবসর দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করা হয়েছে বলেও জানা যায়। এভাবে অবসরপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গেই তিনি অনুরূপ আচরণ করে থাকেন। এছাড়াও, তিনি প্রায় ৩৪ জন লোককে পিআইবিতে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন।  ডিজি ফারুক ওয়াসিফ'র অপসারন দাবী: বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি)-এর মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের অনিয়মের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে মহাপরিচালক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে অনিয়ম ও লুটপাটের মহোৎসবে পরিণত করেছেন—এমন অভিযোগ বিভিন্ন মহলে উত্থাপিত হয়েছে। তাই দ্রুত তাকে অপসারনের দাবী জানিয়েছে সাংবাদিক সমাজ। তিনি ডিজি পদে টিকে থাকার লক্ষ্যে তিনি নানামুখী তৎপরতা ও দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বলেও জানা যাচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে।তথ্যমন্ত্রীর  দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে, বিষয়টির প্রতি যাতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

Top week

বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি)
মিডিয়া

পিআইবিতে অবসরপ্রাপ্তদের হয়রানির অভিযোগ: ডিজি ফারুক ওয়াসিফ'র অপসারন দাবী

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0