গৌরনদীতে বোমার বিস্ফোরণে এসআই-কনস্টেবলসহ আহত ৩


বরিশাল অফিস : বরিশালের গৌরনদীতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের রাখা হাতবোমার বিস্ফোরণে পুলিশের এক এসআই ও এক কনস্টেবলসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদেরকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. কামাল হোসেন (৪২), কনস্টেবল মো. মিজান (৩০), বাড়ির মালিক মো. মাসুম হাওলাদার (৪২)।
প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ, এলাকাবাসী ও আহত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বড় কসরা গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজু হাওলাদারের ছেলে মাসুম হাওলাদারের বসতঘর সংলগ্ন পশ্চিম পাশের পাকা টয়লেটের ভেতরে অজ্ঞাতনানা দুর্বৃত্তরা দুটি ব্যাগে ভরে অনেকগুলো হাতবোমা (ককটেল) রেখে টয়লেটটির দরজায় তালা মেরে আটকে রেখে যায়। সকালে ঘুম থেকে জেগে টয়লেটটি তালাবদ্ধ দেখে মাসুম প্রতিবেশীদের জানায়। তাদের পরামর্শে মাসুম সকাল ৯টার দিকে টয়লেটটির তালা ভাঙেন। তখন টয়লেটটির ভেতরে দুটি ব্যাগভর্তি লাল টেপে মোড়ানো অনেকগুলো কৌটা রাখা দেখতে পান। এগুলো দেখে তিনি থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. কামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।
আহত বাড়ির মালিক মাসুম হাওলাদার জানান, এসআই কামাল হোসেন তখন আমাকে দিয়ে ব্যাগ দুটি টয়লেটের ভেতর থেকে বাইরে বের করান। পরে ব্যাগ দুটি বালতির পানিতে রাখতে বললে আমি বালতির পানিতে রাখি। একটি কৌটা ভেসে উঠলে এসআই কামাল একটি লাঠি দিয়ে খোঁচা মেরে সেটিকে মাটিতে ফেলেন।
এসময় বিকট শব্দে সেটি বিস্ফোরিত হলে আমরা আহত হই। সকাল আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। বোমা বিস্ফোরণে এসআই, কনস্টেবলসহ তিনজন আহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
* সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন। ভিজিট করুন : http://www.etihad.news