বাংলা ভাষাভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news)। প্রবাসীদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে ইত্তেহাদ নিউজ। অল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও নির্ভরযোগ্যতার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এই সংবাদমাধ্যম।
ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি আধুনিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক বিষয়গুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উপস্থাপন করে আসছে।
ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার নৈতিকতা (Ethics) কঠোরভাবে অনুসরণ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা সাংবাদিকতার মূল নীতিগুলো মেনে সংবাদ প্রকাশ করে আসছে—
সততা ও নির্ভুলতা: যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই (Fact-check) করা হয়।
নিরপেক্ষতা: রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন।
গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে নাম গোপন রাখা হয়।
ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন কোনো সংবাদ বা ছবি প্রকাশ করা হয় না।
মিথ্যা ও প্রপাগান্ডা বর্জন: ইত্তেহাদ নিউজ কখনোই অসত্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে না।
ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। সমাজের বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরে মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করাই এই সংবাদমাধ্যমের মূল লক্ষ্য।
ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিত গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করছে—
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ
এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর
রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন
সম্পাদকীয় ও মতামত
মিডিয়া, ধর্ম ও প্রযুক্তি
ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা, সাহিত্য ও স্বাস্থ্য
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মার্জিত ভাষা ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনার কারণে ইত্তেহাদ নিউজ বর্তমানে অনলাইন মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী একটি নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত।
ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি অধিকার আদায়ের একটি আন্দোলন। তাই যেখানে অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় ইত্তেহাদ নিউজ। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতা চর্চায় পাঠক ও সাংবাদিকদের উৎসাহিত করাই এই প্ল্যাটফর্মের অঙ্গীকার।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ। ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী। ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে, স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”
মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও বি এম কলেজ এর সাবেক জি এস এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা। নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ এবং টাইমস অব ইসরায়েলসহ একাধিক গণমাধ্যমও সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তবে, এই দাবি প্রকাশ পাওয়ার পর পরই ইরান সরকার কঠোর ভাষায় তার নেতার জীবিত থাকার দাবি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আলম জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনি এখনো বেঁচে আছেন এবং তিনি পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আরও বলা হয়, তিনি দেশের সেনাবাহিনী এবং সরকারের নেতা হিসেবে দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। খামেনি বেঁচে আছেন, দৃঢ়তার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন:ইরানের গণমাধ্যমের দাবি এদিকে, এনবিসিতে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইরানের প্রায় সব কর্মকর্তা জীবিত, সুস্থ ও নিরাপদ স্থানে আছেন।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান আবারও তাদের নেতার বেঁচে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন বা শূন্যতা তৈরি হতে পারে, তবে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এর পাশাপাশি, ইরান সরকার তাদের সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান নিয়ে প্রাথমিকভাবে কোনো বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এ ঘটনার পর বিশ্বের নজর তেহরানে, এবং এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।
বাংলা ভাষাভিত্তিক আন্তর্জাতিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ঘটনাবলি তুলে ধরছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ইত্তেহাদ নিউজ। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় দৃঢ় অবস্থান ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিষয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, যাতে জনগণ প্রকৃত তথ্য জানতে পারে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এই সংবাদমাধ্যম। নৈতিক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে— সততা ও নির্ভুলতা: সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়। নিরপেক্ষতা: কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন করা হয়। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পরিচয় গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকে। মিথ্যা সংবাদ বর্জন: বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রকাশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর সমাজের প্রান্তিক ও নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে ইত্তেহাদ নিউজ। কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করাই এই সংবাদমাধ্যমের অন্যতম লক্ষ্য। বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। যেমন— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত ধর্ম, প্রযুক্তি ও মিডিয়া ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ইত্তেহাদ নিউজ বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একটি শক্তিশালী মাধ্যম। তাই যেখানে অন্যায় ও অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় এই সংবাদমাধ্যম। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতার চর্চার মাধ্যমে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করাই ইত্তেহাদ নিউজের অঙ্গীকার। 📌 আরও সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও বিশেষ ফিচার পেতে ভিজিট করুন: 👉 https://www.etihad.news
গত দশকে ইন্টারনেটের ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে গেছে। এক ক্লিকেই তথ্য পাওয়া, শেখা ও বিনোদনের সুযোগ ইন্টারনেটকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ করে দিয়েছে। তবে ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা শুধু ব্যবহারের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়; সার্চের প্রযুক্তিও ক্রমবর্ধমান উন্নতি করেছে। প্রাথমিক সময়ে ইয়াহু, আর্চি, লাইকোস এবং আল্টা ভিস্তার মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলো জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুগল সার্চ ইঞ্জিন প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি সার্চ ইঞ্জিনগুলোর ব্যবহার অনেকাংশে কমে গেছে। গুগল মূলত যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এটি শুধু সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং ইন্টারনেটের তথ্য ব্যবস্থাপনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ইন্টারনেটে কিছু খুঁজতে হলে বিশ্বজুড়ে গুগলই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। ক্রম শব্দ যতবার সার্চ করা হয়েছে ১ Facebook ১.৪ বিলিয়ন ২ Youtube ১.২ বিলিয়ন ৩ Google ৫৯৪.১ মিলিয়ন ৪ Gmail ৪২৮.৬ মিলিয়ন ৫ Amazon ৩৫০.৭ মিলিয়ন ৬ Weather ২৯৯.৪ মিলিয়ন ৭ Hotmail ২৭২.১ মিলিয়ন ৮ Translate ২৬৬.৭ মিলিয়ন ৯ google translate ২৪৩.৬ মিলিয়ন ১০ Instagram ২২৪.৭ মিলিয়ন ১১ Traductor ২২০.৯ মিলিয়ন ১২ Fb ২১৪ মিলিয়ন ১৩ Whatsapp web ২০৯.৭ মিলিয়ন ১৪ Clima ২০১.৮ মিলিয়ন ১৫ Cricbuzz ১৪২.৪ মিলিয়ন ১৬ google maps ১৪১.৫ মিলিয়ন ১৭ Yahoo ১২৬.৬ মিলিয়ন ১৮ Maps ১০৮.১ মিলিয়ন ১৯ Netflix ১০৫.৭ মিলিয়ন ২০ yahoo mail ১০৫ মিলিয়ন ২১ Ebay ১০০.১ মিলিয়ন ২২ you tube ৯৪.৮ মিলিয়ন ২৩ Twitter ৯১.৯ মিলিয়ন ২৪ Tiempo ৯১.৪ মিলিয়ন ২৫ Вк ৯০.১ মিলিয়ন ২৬ Yt ৮৩.১ মিলিয়ন ২৭ Facebook login ৮২.৯ মিলিয়ন ২৮ Погода ৮২.১ মিলিয়ন ২৯ Tradutor ৮০.১ মিলিয়ন ৩০ Outlook ৭৪.১ মিলিয়ন ৩১ Переводчик ৬৫.৪ মিলিয়ন ৩২ Whatsapp ৬৫ মিলিয়ন ৩৩ Walmart ৬৪.৮ মিলিয়ন ৩৪ Coronavirus ৬৪.৪ মিলিয়ন ৩৫ Meteo ৬৯.৬ মিলিয়ন ৩৬ Livescore ৫৮.৫ মিলিয়ন ৩৭ BBC News ৫৬.৬ মিলিয়ন ৩৮ News ৫৬.৩ মিলিয়ন ৩৯ previsão do tempo ৫৬.১ মিলিয়ন ৪০ Satta ৫৬.১ মিলিয়ন ৪১ satta king ৫৫.৭ মিলিয়ন ৪২ Sarkari result ৫৫.৭ মিলিয়ন ৪৩ Ютуб ৫৩.৮ মিলিয়ন ৪৪ Roblox ৫২.৬ মিলিয়ন ৪৫ google traduction ৫২.২ মিলিয়ন ৪৬ Olx ৫০.৬ মিলিয়ন ৪৭ satta Matka ৪৫.৮ মিলিয়ন ৪৮ Pinterest ৪৫.৩ মিলিয়ন ৪৯ Restaurants ৪৪.৯ মিলিয়ন ৫০ Wetter ৪৪.৭ মিলিয়ন গুগল সার্চের কাজের পদ্ধতি গুগল কীভাবে কাজ করে তা বোঝার জন্য অ্যালগরিদম ও আর্কিটেকচার জানা জরুরি। গুগল সার্চের ফলাফল তৈরি করার জন্য প্রধানভাবে তিনটি উপাদান ব্যবহার করে: স্পাইডার বা ক্রলার: এটি একধরনের স্বয়ংক্রিয় বট, যা ওয়েবের বিভিন্ন পেজ ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে ইনডেক্সে রাখে। সার্চ রেজাল্টে কোন ওয়েবসাইট প্রদর্শিত হবে, তা এই স্পাইডার নির্ধারণ করে। কীওয়ার্ড ডাইরেক্টরি: গুগলের বিশাল আয়তনের কীওয়ার্ড ডাইরেক্টরি সার্চ রেজাল্ট সাজানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করে। অ্যালগরিদম: ব্যবহারকারীর সার্চ রেজাল্ট প্রদর্শনের জন্য গুগল অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এই অ্যালগরিদম নিশ্চিত করে যে, ব্যবহারকারী যেই শব্দটি সার্চ করেছেন, সেই শব্দযুক্ত কনটেন্ট বা ওয়েবসাইটই তালিকার শুরুর দিকে দেখানো হবে। গুগল ট্রেন্ডস: কোন কীওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি সার্চ হয় গুগলে কোন বিষয় বা কীওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হচ্ছে, তা জানতে গুগল ট্রেন্ডস (Google Trends) ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয়। এখানে গ্রাফ ও মানচিত্রের মাধ্যমে প্রতিটি অঞ্চলে কী কী শব্দ সার্চ হচ্ছে, তা সহজেই দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি জানতে পারবেন কোন শব্দ কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, বা সময়ের সঙ্গে কী কীওয়ার্ডের সার্চ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা ৫০টি শব্দের তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে, যা বিভিন্ন নিউজ ও অনলাইন গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেট ও সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি তথ্যের সহজলভ্যতা ও ট্রেন্ড বিশ্লেষণও আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। গুগল সার্চ শুধুমাত্র তথ্য খোঁজার মাধ্যম নয়, এটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মনোভাব ও আগ্রহের প্রতিফলনও। গুগল ট্রেন্ডস ব্যবহার করে ব্যবসা, শিক্ষা, মিডিয়া ও গবেষণার জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব।
এআইয়ের যুগে ডিজিটাল নিরাপত্তা সুরক্ষায় করণীয় বর্তমান যুগ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI)। আমরা যখন আমাদের জীবনকে সহজ করতে এআইয়ের ওপর নির্ভর করছি, ঠিক তখন সাইবার অপরাধীরাও একে বানাচ্ছে তাদের শক্তিশালী অস্ত্র। আগে সাইবার হামলা মানেই ছিল বানান ভুলে ভরা ইমেইল বা অদ্ভুত লিংকে ক্লিক করার প্রলোভন। কিন্তু এখন এআইয়ের যুগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আর কেবল পাসওয়ার্ড বদলে সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন একটি মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তিগত যুদ্ধক্ষেত্র। এআই যখন বিপদের নাম এআই এখন এমন সব ফিশিং ইমেইল তৈরি করতে পারে যা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি কোনো প্রতারকের কাজ। একে বলা হচ্ছে হাইপার-পার্সোনালাইজড স্ক্যাম। শুধু তাই নয়, ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপনার পরিচিত কারও কণ্ঠস্বর বা ভিডিও হুবহু নকল করে আপনার কাছে টাকা চাওয়া হতে পারে। আপনার দীর্ঘদিনের চেনা মানুষের কণ্ঠস্বরই হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে বড় ফাঁদ। এর পাশাপাশি, এআই ব্যবহার করে হ্যাকাররা এখন কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে লাখ লাখ পাসওয়ার্ড ভাঙার চেষ্টা (Brute Force Attack) করতে পারছে। আধুনিক সুরক্ষা আমরা এতদিন মনে করতাম একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা অ্যান্টি-ভাইরাসই যথেষ্ট। কিন্তু এআইয়ের যুগে এই ধারণাটি একটি বিপজ্জনক ভুল। এখন প্রয়োজন জিরো ট্রাস্ট আর্কিটেকচার। অর্থাৎ কাউকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস না করা। এমনকি আপনার অফিসের বস বা পরিবারের সদস্যের কাছ থেকে আসা ডিজিটাল অনুরোধও যাচাই করা প্রয়োজন। করণীয় মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) : শুধু পাসওয়ার্ডে ভরসা না করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা অ্যাপ-ভিত্তিক টু-ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করুন। মানসিক সচেতনতা বা হিউম্যান ফায়ারওয়াল প্রযুক্তির চেয়েও বড় সুরক্ষা হলো আপনার সাধারণ জ্ঞান। কোনো জরুরি অনুরোধে বিচলিত না হয়ে আগে অফলাইনে বা ভিন্ন মাধ্যমে তার সত্যতা যাচাই করুন। এআই-চালিত নিরাপত্তা সরঞ্জাম : কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো, এআইয়ের হামলা ঠেকাতে এআই-ভিত্তিক সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন; যা অস্বাভাবিক প্যাটার্ন শনাক্ত করতে পারে। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট কমানো : ইন্টারনেটে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যত কম থাকবে, এআই আপনাকে টার্গেট করা তত কঠিন হবে। প্রযুক্তি যত উন্নত হবে, আক্রমণ তত সূক্ষ্ম হবে। আমরা যদি মনে করি আধুনিক সব টুলস আমাদের বাঁচিয়ে দেবে, তবে আমরা ভুল করছি। এআইয়ের এই যুগে মানুষের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো তার সন্দেহ করার ক্ষমতা এবং যাচাই করার প্রবণতা। মনে রাখবেন, ডিজিটাল নিরাপত্তার যুদ্ধে প্রযুক্তির চেয়েও আপনার সচেতনতা বেশি কার্যকর।