Brand logo light
বাংলাদেশ

ভয়াল ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস: ১৯৭১-এর সেই কালরাত, শহীদদের প্রতি জাতির গভীর শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ভয়াল ২৫ মার্চ
ভয়াল ২৫ মার্চ

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই বিভীষিকাময় রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র ও মুক্তিকামী বাঙালির ওপর চালায় ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস হত্যাযজ্ঞ। ঘুমন্ত মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি, অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি করা হয় এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি।

সেই রাতেই রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে তৎকালীন ইপিআরের সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, শ্রমিকসহ অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন। পুরো জাতি স্তব্ধ ও বাগরুদ্ধ হয়ে পড়ে এই বর্বরতায়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর বাণীতে ২৫ মার্চকে জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, “২৫ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে নৃশংস অধ্যায়। এই গণহত্যা পুরো জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।”

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে বিদ্রোহ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সশস্ত্র প্রতিরোধে উদ্বুদ্ধ করে। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ, যা দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতার বিজয়ে পরিণত হয়।

তিনি তরুণ প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইতিহাসের নিষ্ঠুরতার পাশাপাশি বীরত্বগাথাও জানতে হবে। একই সঙ্গে তিনি একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে ২৫ মার্চকে একটি সুপরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এই হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মধ্য দিয়েই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।” তিনি স্বাধীনতার মূল্যবোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৫ মার্চের গণহত্যার ইতিহাস জানা ছাড়া স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করা সম্ভব নয়।” তিনি একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

এদিকে আজ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে গণহত্যা দিবস পালিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণার আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এলাকায় ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে গণহত্যা বিষয়ক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এছাড়া মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনটি উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্বালন, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

ভয়াল ২৫ মার্চের সেই কালরাত স্মরণ করে জাতি আজও শোকাহত। একই সঙ্গে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধায় নত হয়ে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে পুরো জাতি।

Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

বরিশাল সিটিতে বিএনপির মেয়র মনোনয়ন ঘিরে হিসাব–নিকাশ

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও  বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও  বি এম কলেজ এর  সাবেক জি এস  এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা।  নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ

View more
সন্তানদের এতিম করতে চাই না, দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি
সিন্ডিকেটের হুমকিতে দেশ ছাড়লেন নবীন ফ্যাশনের এমডি নবীন

ঢাকা, ২৫ মার্চ: সিন্ডিকেটের হুমকি ও চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন কম দামে পাঞ্জাবি-পায়জামা বিক্রি করে আলোচনায় আসা ‘নবীন ফ্যাশন’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফেজ এনামুল হাসান নবীন (নবীন হাশেমি)। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে বিদেশে পাড়ি জমান তিনি। বিষয়টি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিশ্চিত করেন। বিমানবন্দর থেকে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, “সিংহের মতো বাঁচতে চাই, কিন্তু সিন্ডিকেটের গুলিতে সন্তানদের এতিম করতে চাই না। তাই দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে হয়তো একদিন ফিরব, ইনশাআল্লাহ।” এর আগে একই দিন বিকেলে রাজধানীর মগবাজারের বিশাল সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশ ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি। দোকান বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নবীন হাশেমির অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন নম্বর থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তাকে জানানো হয়—তার কাছে থাকা কিছু ভিডিও মুছে ফেলতে হবে, অন্যথায় তার সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে একটি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রবাস জীবন শেষে করোনার সময় দেশে ফিরে ব্যবসা শুরু করেন। তাদের লক্ষ্য ছিল কম দামে ভালো মানের পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। প্রতিষ্ঠানের আয়ের একটি অংশ গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হতো। নবীন হাশেমি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, হিজড়া সম্প্রদায় এবং মাদকাসক্তি থেকে ফিরে আসা মানুষ কাজ করেন। ফলে সরবরাহকারীরাও কম দামে পণ্য দিতেন এবং তারা মাত্র ৩০০ টাকায় পাঞ্জাবি ও পায়জামা বিক্রি করতে সক্ষম হন। তার অভিযোগ, পাশের দোকান ‘প্রিন্স’-এর মালিক মাইকেলসহ একটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাদের দোকান বন্ধ করে দেয় এবং ক্রেতাদের হয়রানি করে। সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয়—এই মার্কেটে ৪ হাজার ৫০০ টাকার কমে পাঞ্জাবি এবং ১ হাজার ৫০০ টাকার কমে পায়জামা বিক্রি করা যাবে না। সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, নানা বাধা ও হুমকির মধ্যেও ব্যবসা পরিচালনা করলেও কখনো কোনো সহায়তা পাননি। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে গেলেই ভয়ভীতি ও নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হলেন আব্দুর রশীদ মিয়া

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে আব্দুর রশীদ মিয়ার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, মিল্ক ভিটায় মহাব্যবস্থাপক এনায়েত করিম

ভয়াল ২৫ মার্চ

ভয়াল ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস: ১৯৭১-এর সেই কালরাত, শহীদদের প্রতি জাতির গভীর শ্রদ্ধা

বিচারকের ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক, শাহবাগ থানায় জিডি

সাইবার সুরক্ষা আইনে গ্রেপ্তার ৬
কিশোরগঞ্জে সাইবার প্রতারণা, অনলাইন জুয়া ও মাদক—৬ যুবক গ্রেপ্তার

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সাইবার সুরক্ষা আইনে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বড়ভিটার বড়ডুমরিয়া পাইকারটারী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সাজু খান (৩৫), একই গ্রামের মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে আসাদুজ্জামান (৪০), মহির উদ্দিনের ছেলে তানভীর আহমেদ মিজান (৩০), দেলোয়ার হোসেনের ছেলে তানজিদ হোসেন (২৪), সাদুরারপুল গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (৩০) এবং উত্তর বড়ভিটা ডাংগাপাড়া গ্রামের মৃত মকছুদার রহমানের ছেলে আলাল ইসলাম (৩৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী রিপন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড়ভিটা বাজার এলাকার একটি ঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে কয়েকজন যুবক ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিল। তিনি আরও জানান, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে ভিসা পাইয়ে দেওয়া, নকল পাসপোর্ট তৈরি, চাকরি দেওয়ার নামে ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদান, চাকরিতে যোগদান ও বিদেশ গমনের কাগজপত্র তৈরি এবং ব্যাংক লোন পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিল। এসব কাজে তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করত। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে অনলাইন ক্যাসিনো কার্যক্রমে জড়িত থাকার প্রমাণও পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তারা মাদক সেবন করছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে প্রতারণা, অনলাইন জুয়া খেলা এবং মাদক সেবনের কথা স্বীকার করেছেন। কিশোরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল কুদ্দুছ জানান, তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার বিকেলে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

কে এই ১১ মামলার আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

খুলনায় তেল সংকট

খুলনায় তেল সংকট তীব্র: পেট্রল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, সীমিত সরবরাহে চরম ভোগান্তি

অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৫ দিনের রিমান্ড

কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীন ইসলাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীন ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দ্বীন ইসলাম (৩৫) নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দ্বীন ইসলাম কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের বাসিন্দা সফিকুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার শিমরাইল গ্রামে মঙ্গলবার দুপুরে বেশ কয়েকজনের একটি সংঘবদ্ধ দল দ্বীন ইসলামকে তার নিজ বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বুড়ি নদী পার করে পাশের কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার গাঙ্গেরকুট এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে পরিবারের সদস্যরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কসবা থানার পুলিশ বিষয়টি বাঙ্গরা থানাকে অবহিত করলে পুলিশ দ্বীন ইসলামকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দ্বীন ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ নামে একটি পেজ পরিচালনা করতেন। তিনি বিভিন্ন জায়গায় নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিতেন।   নিহতের বাবা সফিকুল ইসলাম ও মা পারুল বেগম জানান, মাদকসেবন, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করতো তাদের ছেলে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে। দ্বীন ইসলাম নিহতের ঘটনায় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবদুল আওয়াল ও তার সহযোগীরা জড়িত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে মেহারী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবদুল আওয়াল বলেন, দ্বীন ইসলাম খারাপ প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে কসবা থানাসহ বিভিন্ন থানয় বহু মামলাও রয়েছে। ফেসবুকে একটি পেজ খুলে মানুষের বিরুদ্ধে ভিডিও দিতো। তবে তিনি শুনেছেন কে বা কারা তাকে মারধর করে নদীর পাড়ে পাশের থানার সীমানায় ফেলে রেখেছে।   কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, কয়েকজন ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে হত্যা করে নদীর ধারে ফেলে রেখেছে বলে শুনেছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, দ্বীন ইসলামের নামে কসবা থানায় মাদক, চুরি ও ডাকাতিসহ প্রায় ১০টি মামলা রয়েছে। তবে হত্যার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
আশরাফুল ইসলাম

অনুসন্ধানী সাহসী সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম আর নেই,দাফন সম্পন্ন

কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

ঈদের ছুটিতে প্রাণ ফিরছে কুয়াকাটায়,উপচে পড়া ভিড়

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১২

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২, আহত অন্তত ১০ : চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

অর্থনীতি

তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ৪৭ ব্লকে আন্তর্জাতিক দরপত্র

বাংলাদেশে ৪৭টি তেল-গ্যাস ব্লকে আন্তর্জাতিক দরপত্র শিগগির: এলএনজি নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0




অপরাধ

বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের নমুনা সংগ্রহকারী গ্রেফতার

বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের নমুনা সংগ্রহকারী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২০, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা  দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন

সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0