Brand logo light
সংবাদ

ড্রোন বনাম মিসাইল: ইরানের নতুন যুদ্ধকৌশলে বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের শাহেদ ড্রোনের চাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল: ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র বনাম যুদ্ধকৌশল

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ইরানের শাহেদ ড্রোন
ইরানের শাহেদ ড্রোন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই নতুন মাত্রা পাচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর সামরিক জোটের বিরুদ্ধে তুলনামূলক স্বল্প ব্যয়ে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, এটি আধুনিক যুদ্ধের এক নতুন কৌশল, যেখানে কম খরচের প্রযুক্তি দিয়ে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানো হচ্ছে।

বিশেষ করে ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ আত্মঘাতী ড্রোন এখন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং তাদের মিত্রদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শত শত ড্রোনে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন শত শত শাহেদ ড্রোন বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে। অত্যন্ত নিচু দিয়ে ধীরগতিতে উড়ার কারণে এগুলোকে শনাক্ত ও ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হলেও ঝাঁকে ঝাঁকে আসা সব ড্রোন প্রতিহত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফসের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন কংগ্রেস সদস্যদের এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে জানান, ইরানের কাছে এখন হাজার হাজার আত্মঘাতী ড্রোন মজুত রয়েছে।

সস্তা ড্রোন বনাম ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে ব্যয়ের পার্থক্য।

  • একটি শাহেদ ড্রোন তৈরির খরচ প্রায় ৩৫ হাজার ডলার

  • অন্যদিকে একটি প্যাট্রিয়ট বা থাড ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ কয়েক মিলিয়ন ডলার

ফলে একটি সস্তা ড্রোন ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যয় করতে হচ্ছে বহু গুণ বেশি অর্থ। এতে যুদ্ধের সামগ্রিক ব্যয় দ্রুত বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর পর প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ব্যয় গড়ে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি। যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে ব্যয় হয়েছিল প্রায় চার বিলিয়ন ডলার

ইরানের নতুন যুদ্ধকৌশল

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখন মূলত ড্রোনের ঝাঁক ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্লান্ত করে দেওয়ার কৌশল গ্রহণ করেছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে ফেলা।

এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এখন ড্রোন ধ্বংসের পাশাপাশি সেগুলোর উৎক্ষেপণস্থল বা লঞ্চিংপ্যাড ধ্বংস করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

ড্রোন যুদ্ধের নতুন যুগ

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক স্টিভ ফেল্ডস্টাইনের মতে, এই সংঘাত বিশ্বকে ড্রোন যুদ্ধের নতুন যুগে প্রবেশ করাচ্ছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতের যুদ্ধে মানববিহীন বিমান বা ড্রোনের ব্যবহার আরও বাড়বে এবং এটি প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের কাছে প্রায় ৮০ হাজার ড্রোনের মজুত রয়েছে এবং প্রতিদিন ৪০০-৫০০ ড্রোন ব্যবহার করা সম্ভব। এ হিসাবে শুধু ড্রোন দিয়েই দেশটি কয়েক মাস যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। বিশ্লেষকদের মতে, এটি এমন এক যুদ্ধ যেখানে দ্রুত বিজয় পাওয়া কঠিন।

অনেকে মনে করছেন, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধের কৌশল নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।


Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

বরিশাল সিটিতে বিএনপির মেয়র মনোনয়ন ঘিরে হিসাব–নিকাশ

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও  বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও  বি এম কলেজ এর  সাবেক জি এস  এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা।  নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।  

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত: ইসরায়েলি কর্মকর্তার দাবি, ইরান বলছে বেঁচে আছেন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ এবং টাইমস অব ইসরায়েলসহ একাধিক গণমাধ্যমও সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তবে, এই দাবি প্রকাশ পাওয়ার পর পরই ইরান সরকার কঠোর ভাষায় তার নেতার জীবিত থাকার দাবি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আলম জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনি এখনো বেঁচে আছেন এবং তিনি পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আরও বলা হয়, তিনি দেশের সেনাবাহিনী এবং সরকারের নেতা হিসেবে দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।   খামেনি বেঁচে আছেন, দৃঢ়তার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন:ইরানের গণমাধ্যমের দাবি এদিকে, এনবিসিতে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইরানের প্রায় সব কর্মকর্তা জীবিত, সুস্থ ও নিরাপদ স্থানে আছেন।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান আবারও তাদের নেতার বেঁচে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন বা শূন্যতা তৈরি হতে পারে, তবে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এর পাশাপাশি, ইরান সরকার তাদের সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান নিয়ে প্রাথমিকভাবে কোনো বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এ ঘটনার পর বিশ্বের নজর তেহরানে, এবং এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

নিজেস্ব প্রতিবেদক

সংবাদ

View more
কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত
কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত

কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন কর্মী হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রবাসে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে পররাষ্ট্র দপ্তর। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘নিরাপদে সম্ভব হলে কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকেরা বাণিজ্যিক বা অন্য কোনো উপায়ে দ্রুত দেশ (কুয়েত) ত্যাগ করুন। যারা দেশ (কুয়েত) ত্যাগ করতে পারছেন না, তাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’ সূত্র: বিবিসি

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ইরানের শাহেদ ড্রোন

ইরানের শাহেদ ড্রোনের চাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল: ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র বনাম যুদ্ধকৌশল

মার্কিন ট্যাঙ্কারে আঘাত করেছে ইরান

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা: মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলার দাবি আইআরজিসির, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের জাহাজকে হুঁশিয়ারি

অত্যাধুনিক অস্ত্র

অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো এখনও ব্যবহার করেনি ইরান: রিপোর্ট

কুয়েতে ইরানের হামলায় ৬ মার্কিন সেনা নিহত
কুয়েতে ইরানের হামলায় ৬ মার্কিন সেনা নিহত

কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত আমেরিকান সেনার সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত রোববার (১ মার্চ) এই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তিন সৈন্য নিহতের খবর জানিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।   পরবর্তী তিনজনের মধ্যে একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে মারা যান। বাকি দুইজনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক বিবৃতিতে জানান, কুয়েতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো একটি মার্কিন বাঙ্কারে সরাসরি আঘাত হানে। ওই সময় মার্কিন বাহিনীর পাল্টা হামলা পরিচালনা করার প্রস্তুতির মধ্যেই এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।   তিনি আরও জানান, ইরানি এই হামলায় কুয়েতের বায়ানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হতাহতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।মার্কিন প্রশাসন এই ঘটনার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৪, ২০২৬ 0
অত্যাধুনিক রাডার

কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক রাডার ধ্বংসের দাবি ইরানের

দুবাইয়ের মার্কিন দূতাবাসে আগুন

দুবাইয়ের মার্কিন দূতাবাসে আগুন

ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করে ইরান
মার্কিন ঘাঁটিই হামলার লক্ষ্য,প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে নয় : ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যুদ্ধ অবস্থায় নেই ইরান। আমাদের সামরিক হামলা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে (মার্কিন ঘাঁটি) লক্ষ্য করে করা হচ্ছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে নয়। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উচিত ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চাপ দেওয়া।  যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক প্রতারণা করেছে অভিযোগ এনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যখন আলোচনা চলছিল তার মধ্যেও তারা ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিতভাবে বিমান হামলা চালিয়েছে। অথচ সামরিক সংঘাত এড়ানোর জন্য এ আলোচনা করা হচ্ছিল। এসময় আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ার করে বলেন, উপসাগরীয় যে দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সে ঘাঁটিই ইরানের জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তু। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের ওপর হামলা চালাচ্ছি না, মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছি। হোটেলে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সৈন্যদের আমাদের লক্ষ্যবস্তু থেকে বাঁচাবে না।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৩, ২০২৬ 0
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত তেহরানের গান্ধী হাসপাতাল

হাসপাতাল ও স্কুলে হামলা: আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ দাবি ইরানের, শতাধিক নিহতের অভিযোগ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের যুদ্ধবিরতির আহ্বান: ইরান সংঘাতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তার প্রতিশ্রুতি

লেবাননে হেজবুল্লাহবিরোধী অভিযান ইসরায়েলের

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত চরমে:লেবাননে হেজবুল্লাহ নিষিদ্ধ, ইউরোপে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি