Tehran / Washington / Jerusalem: Iran’s Supreme Leader Ayatollah Mojtaba Khamenei has vowed to continue attacks on Gulf targets and warned that Iran could use the threat of closing the Strait of Hormuz, a key global oil shipping route, as the war with the United States and Israel intensifies.
In his first statement since assuming the role of supreme leader, read on state television on Thursday, Khamenei said Iran would pursue retaliation for those killed in the conflict and “obtain compensation” from its enemies.
“If they refuse, we will take from their assets or destroy them to the same extent,” he said.
Khamenei did not appear on camera during the broadcast, and Israeli officials have suggested he may have been wounded in the war’s opening phase.
The escalating conflict has already rattled global energy markets.
Iran’s continued attacks on shipping routes and energy infrastructure in the Arabian Gulf have pushed Brent crude oil prices above $100 per barrel, marking a dramatic surge since the conflict began on 28 February.
At one point earlier this week, prices spiked to nearly $120 per barrel. Analysts say the disruptions could deepen if the Strait of Hormuz is closed.
The narrow waterway connects the Arabian Gulf to the Indian Ocean and handles roughly one-fifth of the world’s oil shipments, making it one of the most strategically important energy routes in the world.
Iranian President Masoud Pezeshkian suggested that the conflict would not end unless the international community recognizes Iran’s “legitimate rights,” pays reparations and guarantees that Iran will not face further attacks.
According to Iranian officials, Tehran intends to continue targeting energy infrastructure and shipping in the region as leverage against the United States and Israel.
Meanwhile, Iran-backed Hezbollah militants fired around 200 rockets from Lebanon toward northern Israel, triggering air-raid sirens across several areas.
Israel responded with another wave of air strikes targeting locations in Tehran and southern Lebanon. Lebanese authorities say at least 11 people were killed in the latest strikes.
Israel’s military has also warned residents in a large area of southern Lebanon to evacuate their homes ahead of potential military operations.
Officials instructed civilians to move north of the Zahrani River, roughly 35 miles (56 km) from the Israeli border.
The humanitarian impact of the war is rapidly escalating.
The UN refugee agency estimates that up to 3.2 million people have been displaced in Iran, many fleeing from Tehran and other major cities toward northern regions and rural areas.
In Lebanon, at least 759,000 people have been internally displaced due to ongoing Israeli strikes and cross-border fighting.
US President Donald Trump said Washington intends to “finish the job,” despite claiming that Iran has already been “virtually destroyed.”
American and Israeli air strikes continue to target Iranian military facilities, missile sites and infrastructure across the country.
At the same time, Iranian officials insist they will not back down.
Iran’s parliamentary speaker Mohammad Bagher Qalibaf warned on social media that any attempt by foreign forces to seize Iranian islands would make the Arabian Gulf “run with the blood of invaders.”
The intensifying conflict has raised fears of a wider regional war involving multiple actors across the Middle East.
With shipping traffic through the Strait of Hormuz already disrupted and global oil markets on edge, analysts warn that a prolonged conflict could trigger a major energy and economic shock worldwide.
বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ। ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী। ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে, স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে। কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে। কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি। মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।
Etihad News,online : f you’re planning on travelling abroad this summer, then you’re going to want to know all the latest travel advice to ensure your journey is as smooth as possible. While recent global events affected travel across the country earlier this year, operations have since largely returned to normal at UAE airports. However, during the busy summer travel period, local airlines have issued key travel warnings to help you have a smooth journey, and several foreign-based airlines still aren’t travelling to Dubai. We’ve rounded up all the latest advice you need to know before you head to the airport. Emirates has urged travellers to arrive at least three hours early at DXB during the busy summer travel period. In a travel update, Dubai’s biggest airline is expecting a high volume of passengers travelling from Dubai International Airport throughout the summer months. Additionally, Emirates has introduced new comprehensive travel insurance which provides free rebookings on other airlines during conflict-related cancellations, robust medical expense protection and free 30-day trip extensions. The airline has also made the decision to cancel flights EK835, EK837 and EK839 to Bahrain and flights EK853, EK855, EK857 and EK9859 to Kuwait until further notice. The airline has also issued several tips for travellers during the summer months to ensure a smooth journey. These are: Arrive three hours early: Emirates flights all depart from Terminal 3 of one of the world’s busiest international airports. The airline has advised all passengers to arrive three hours before their scheduled departure time Register for Biometrics smart gates: Anyone travelling with Emirates is advised to check in up to two days before they’re due to depart and use the airline’s official app to register for the Biometrics path at DXB. Registration takes a few minutes and enables passengers to move quickly through the airport’s smart gates. Drop off luggage in the city: Those travelling with Emirates can check in luggage between four and 24 hours early by dropping it off at the airline’s City Check In and Travel Store at DIFC. The DIFC store will be open from 8am until midnight starting from July 1. Early check-in is also available at Ajman Central Bus Terminal. Get luggage collected early: The airline has also advised that travellers can make more room in their car and minimise tasks at the airport by arranging for Emirates to pick up luggage from their home, hotel or office up to 24 hours early. The airline’s Home Check-In service is complimentary for first-class customers and Platinum Skywards members. Don’t take any restricted items: Emirates has warned passengers to take note of its restricted items – including recently introduced rules surrounding power banks. Any items accidentally carried on board could lead to significant delays when travelling. Smart bags are allowed in the cabin if the battery is removable and within the cabin baggage size and weight limits. Take the metro: Emirates has advised travellers to make use of the Dubai Metro to avoid traffic delays. The metro stops at Emirates Terminal 3 and is open between 5am and midnight from Monday to Thursday and on Saturday, from 5am to 1am on Fridays and from 8am until midnight on Sundays. Similarly, flydubai is expecting Dubai International Airport to be busier than usual as travellers embark on their summer holidays. The airline’s latest travel update advises holidaymakers to arrive at DXB four hours before their flight is due to depart. Check-in will close an hour before departure times, while airport security is expected to be busy as DXB braces for hundreds of thousands of daily travellers. To save time at the airport, flydubai has advised its customers to ensure their contact details are up to date, encouraged online check-ins and reminded travellers of the airline’s baggage allowances. flydubai’s self-service kiosks are in Terminal 2, where baggage tags can be printed off before proceeding to the dedicated bag drop desk. Boarding alerts, gate changes and any other flight notifications can be sent directly to your phone using the airline’s app. The airline’s customer advisory is now as follows: Ensure your contact details are up to date via the “Manage your booking” section. Check in online between 48 hours and 75 minutes before the departure time of your flight from Dubai. You can also opt for a Home Check-in service or use the City Check-in service at flydubai’s Travel Shop in Sharjah. Remember to check your booking for your baggage allowances. Arrive at the airport at least 4 hours before your flight departs. Please note that check-in closes 60 minutes before the departure time of your flight. Save time at the airport by self-service kiosks in Terminal 2, where you can print your baggage tag and complete check-in (if you have not completed online check-in already), before proceeding directly to the dedicated bag drop desk. Regularly check the flight information screens for your departure gate and ensure that you are at the gate in plenty of time to board your flight. Download the flydubai app (on App Store or Google Play) to receive flight notifications, including gate changes and boarding alerts. If you’re unable to make your flight, then you can: Cancel your booking and request a full refund to the original form of payment or voucher. This can also be done through Manage Your Booking. Refunds are likely to be issued as a flydubai voucher to use for future travel. Rebook on an alternative flight to the same destination, up to 10 days from the original travel date. This can be done through Manage Your Booking. Etihad continues to operate a comprehensive commercial flight schedule from Zayed International Airport in Abu Dhabi. The airline is currently operating between the UAE capital and around 80 destinations across the GCC, Africa, Asia, Australia, Europe and North America. If your flight has been delayed and you’re likely to miss a connecting flight then Etihad will manage the rebooking of your next flight for you. If your next flight is operated by a separate airline, then you need to get in touch with them to discuss your options. If your flight has been cancelled, then Etihad will email you to let you know about your next options. This includes rebookings for connecting flights and alternative flight options. The airline has also announced that it has cancelled flights to both Bahrain and Kuwait for operational reasons. Dubai’s updated air travel consumer rights rules The Dubai Civil Aviation Authority recently launched a new framework which will protect the rights of travellers from Dubai International Airport and Al Maktoum International Airport. Published on Tuesday April 28, the directive clearly establishes the rights of Dubai travellers when it comes to delays, cancellations and disruptions of flights. It also highlights what passengers should do in the event of lost baggage or if they’ve been denied boarding when a flight is overbooked. The directive applies to local airlines such as Emirates and flydubai, subsidiary and codeshare partners of Dubai-based airlines and any foreign airlines operating commercial transport from airports within the emirate. For a full breakdown of your rights when you travel, head here While local UAE airlines are gradually returning to full operations, travel with some of the world’s largest airlines remains impacted. The pencilled-in dates for major international airlines to resume operations to Dubai can be found below: Aegean Airlines: Wednesday October 7 Air Astana: Monday August 31 airbaltic: Saturday October 24 Air Canada: Saturday October 24 Air France: Tuesday August 18 British Airways: Sunday October 25 Cathay Pacific: Tuesday September 1 Eurowings: Saturday October 24 Finnair: Late October KLM: Saturday October 24 Korean Air: Until further notice Lufthansa: Saturday October 24 Singapore Airlines: Saturday October 24 SWISS: Saturday October 24
জেনেভা: বৈদেশিক সহায়তায় ব্যাপক কাটছাঁটের ফলে বিশ্বজুড়ে অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী জরুরি মানবিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। একই সময়ে প্রয়োজন বাড়লেও নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলো অর্থসংকটে টিকে থাকার লড়াই করছে। জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে। প্রতিবেদনটি বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বৈদেশিক সহায়তা কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে নারী ও কিশোরীদের জন্য পরিচালিত জরুরি সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আশ্রয় এবং সহিংসতা প্রতিরোধ কর্মসূচিতে। এতে বিশ্বের বহু সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে। সহায়তা কমল কেন? গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈদেশিক সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেন। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাতা দেশও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার বাজেট সংকুচিত করেছে। ইউএন উইমেন বলছে, এই অর্থসংকোচনের সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছেন যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, দারিদ্র্য ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার নারী ও কিশোরীরা। 'প্রত্যাহার করা প্রতিটি ডলার মানে একজন নারীর কাছ থেকে সহায়তা কেড়ে নেওয়া' ইউএন উইমেনের মানবিক কার্যক্রম বিভাগের প্রধান সোফিয়া কালতোর্প বলেন, "বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা নারী সংগঠনগুলো বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটের সামনের সারিতে কাজ করছে। নারী সংগঠনগুলোর জন্য প্রত্যাহার করা প্রতিটি ডলার মানে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তি, বাস্তুচ্যুত মা, স্কুলছুট হতে বাধ্য হওয়া কিশোরী এবং টিকে থাকার লড়াই করা জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে এক ডলার করে সহায়তা প্রত্যাহার করা।" সংঘাত বাড়ছে, অথচ কমছে সহায়তা ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে সশস্ত্র সংঘাত এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় ১২ কোটি নারী ও কিশোরীর মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা প্রয়োজন। কিন্তু প্রয়োজন বাড়লেও সহায়তার উৎস সংকুচিত হওয়ায় মাঠপর্যায়ের সংগঠনগুলো কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। যা বলছে জরিপ সংকটকবলিত ৫২টি দেশের নারী নেতৃত্বাধীন ও নারীর অধিকারভিত্তিক ৮৫৫টি সংগঠনের ওপর পরিচালিত জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র— ৮৪ শতাংশ সংগঠন জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেবার চাহিদা বেড়েছে। প্রতি ১০টির মধ্যে প্রায় ৯টি সংগঠন বর্তমান চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। প্রতি ৫টির মধ্যে ২টি সংগঠন আগামী এক বছরের মধ্যে আংশিক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে। ৬৫ শতাংশ নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনে কর্মীরা কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করছেন। প্রায় অর্ধেক সংগঠন জানিয়েছে, কর্মীদের মানসিক ও শারীরিক অবসাদ দ্রুত বাড়ছে। যৌন সহিংসতা বাড়ছে, ভেঙে পড়ছে সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংঘাতজনিত যৌন সহিংসতার ঘটনা দ্বিগুণ হয়েছে। অথচ একই সময়ে ভুক্তভোগীদের জন্য গড়ে ওঠা সহায়তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অর্থসংকটে ভেঙে পড়ছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৮৬ শতাংশ সংগঠন জানিয়েছে, তারা যেসব এলাকায় কাজ করছে সেখানে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে। ইউএন উইমেনের মতে, এর বাস্তব প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ। একজন নির্যাতিত নারী আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে সেটি বন্ধ দেখতে পারেন। একজন গর্ভবতী নারীকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটতে হতে পারে। আবার কোনো মা তাঁর সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তাও নাও পেতে পারেন। সংকট শুধু অর্থের নয়, অধিকারেরও ইউএন উইমেন বলছে, এই সংকট শুধু মানবিক সহায়তার সীমাবদ্ধতা নয়; এটি বিশ্বজুড়ে নারী ও কিশোরীদের অধিকার রক্ষার সংগ্রামকেও দুর্বল করে দিচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী— প্রতি ৫টি সংগঠনের একটি ইতোমধ্যে নারীর নেতৃত্ব ও লিঙ্গসমতা বিষয়ক কার্যক্রম স্থগিত করেছে। অর্ধেকের বেশি সংগঠন স্থানীয় নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করছে। সংস্থাটির ভাষ্য, নারী সংগঠনগুলোর বিলুপ্তি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং এমন এক সময়ে এটি ঘটছে, যখন বিশ্বজুড়ে নারী ও কিশোরীদের অধিকারের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া আরও জোরালো হয়ে উঠছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে কারা? প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত করছে, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে সেইসব নারী ও কিশোরীর ওপর, যারা যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, দারিদ্র্য, খাদ্যসংকট ও যৌন সহিংসতার মতো বহুমাত্রিক সংকটের মধ্যে বসবাস করছেন। অর্থায়ন কমে যাওয়ার ফলে স্থানীয় নারী সংগঠনগুলোর সক্ষমতা দুর্বল হলে শুধু জরুরি সহায়তাই নয়, দীর্ঘমেয়াদে নারীর ক্ষমতায়ন, নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নেতৃত্ব বিকাশের উদ্যোগও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা-সংকট এবার আরও স্পষ্টভাবে পানি কূটনীতির কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে। ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি কার্যত স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বলেছেন, পরিস্থিতি তৈরি হলে ভারতকে মোকাবিলায় যুদ্ধ করতেও প্রস্তুত রয়েছে পাকিস্তান। বিশ্লেষকদের মতে, পানি ইস্যু এখন শুধু সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন নয়; এটি দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন মাত্রা হয়ে উঠছে। সেনাবাহিনীর বার্তা: পানি নিরাপত্তা রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার মঙ্গলবার (৬ জুলাই) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ২৭৬তম কোর কমান্ডারস সম্মেলনে সিন্ধু পানি চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের প্রাপ্য পানি নিশ্চিত করতে সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেনাবাহিনীর এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে যে, ইসলামাবাদ পানি ইস্যুকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। উত্তেজনার সূত্র কোথায় বর্তমান সংকটের পটভূমিতে রয়েছে গত বছর পেহেলগামে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলা, যেখানে ২৬ জন নিহত হন। ওই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত একাধিক কূটনৈতিক ও নীতিগত পদক্ষেপ নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় নয়াদিল্লি ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে পানি কূটনীতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিলাওয়াল ভুট্টোর যুদ্ধের ইঙ্গিত এক জনসভায় পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি অভিযোগ করেন, ভারত সিন্ধু নদীর পানিকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। তিনি বলেন, "সিন্ধু পানি চুক্তির বিষয়ে পাকিস্তান কোনো ধরনের আপস করবে না এবং প্রয়োজন হলে যুদ্ধের পথেও যেতে প্রস্তুত থাকবে।" তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যেও নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। ভারতের অবস্থান অন্যদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত সপ্তাহে বলেন, "সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ দূর না হওয়া পর্যন্ত সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।" তিনি আরও দাবি করেন, পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে সন্ত্রাসে সমর্থন বন্ধের পদক্ষেপ নিতে হবে। ভারতের বক্তব্যে স্পষ্ট যে, তারা পানি চুক্তির বিষয়টিকে নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত উদ্বেগের সঙ্গে যুক্ত করছে। সিন্ধু পানি চুক্তি কী বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত সিন্ধু পানি চুক্তি অনুযায়ী— রাভি, বিয়াস ও শতদ্রু নদীর পানি ব্যবহারের অধিকার ভারতের। সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব নদীর পানি ব্যবহারের অধিকার পাকিস্তানের। এই চুক্তিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্যতম সফল আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কেন উদ্বিগ্ন পাকিস্তান পাকিস্তানের কৃষি উৎপাদনের বড় অংশ সিন্ধু অববাহিকার নদীগুলোর ওপর নির্ভরশীল। দেশটির সেচ ব্যবস্থা, খাদ্য উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির একটি বড় অংশ এই নদী ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ফলে চুক্তি স্থগিত হওয়ার পর পাকিস্তানের পানি নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। পানি কি নতুন ভূরাজনৈতিক অস্ত্র? দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী বিশ্লেষকদের মতে, পানি এখন কেবল পরিবেশ বা উন্নয়ন ইস্যু নয়; এটি ক্রমেই ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ হয়ে উঠছে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ, সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অভিযোগ এবং রাজনৈতিক অবিশ্বাসের সঙ্গে পানি কূটনীতি যুক্ত হওয়ায় সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোচনার পথ সংকুচিত হলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় দেশের অবস্থান কঠোর থাকায় কূটনৈতিক সমাধান কত দ্রুত সম্ভব হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।