Brand logo light

সম্পাদকীয়

ইত্তেহাদ নিউজ
ইত্তেহাদ নিউজ: সাংবাদিকতায় এক নতুন দিগন্ত

ইত্তেহাদ ডেস্ক :  ডিজিটাল বিপ্লবের এই যুগে যখন সংবাদের বন্যা চারিদিকে, তখন সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য করা পাঠকদের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। ঠিক এই বাস্তবতায় ২০২০ সালে জন্ম নেয় ‘ইত্তেহাদ নিউজ’ (Etihad.news)। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে এটি কেবল একটি নিউজ পোর্টাল হিসেবে নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতি, গভীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।   সততা ও নিরপেক্ষতার চার বছর ২০২০ সালে বৈশ্বিক মহামারীর সেই ক্রান্তিলগ্নে ইত্তেহাদ নিউজ তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এর মূলমন্ত্র ছিল— ‘সবার আগে সঠিক সংবাদ’। বর্তমান সময়ে যখন ‘ক্লিকবেট’ সাংবাদিকতার জোয়ার চলছে, তখন ইত্তেহাদ নিউজ তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং নৈতিক সাংবাদিকতার ধারা বজায় রেখে পাঠকদের আস্থা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা ভাষাকে সম্মানের সাথে তুলে ধরাই ছিল এই সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক লক্ষ্য।   অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা: ইত্তেহাদ স্পেশাল ইত্তেহাদ নিউজের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর ‘অনুসন্ধানী সেল’। সাধারণ সংবাদের আড়ালে থাকা পর্দার পেছনের সত্য তুলে আনতে তারা বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে দুর্নীতি, অর্থ পাচার এবং ভূ-রাজনৈতিক কূটনীতি নিয়ে তাদের করা ধারাবাহিক প্রতিবেদনগুলো দেশে এবং বিদেশে ব্যপক সাড়া ফেলেছে।  পেশাদার নিউজরুম ফরম্যাট অনুসরণ করে প্রতিটি তথ্যের দুই বা ততোধিক সূত্র যাচাই করার প্রথা ইত্তেহাদ নিউজকে অন্যান্য অনলাইন পোর্টাল থেকে আলাদা করেছে।   প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের বিশ্বস্ত সারথি মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপ, কিংবা আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া— বিশ্বের যেখানেই বাংলাদেশি প্রবাসীরা রয়েছেন, সেখানেই পৌঁছে গেছে ইত্তেহাদ নিউজের প্রতিনিধিরা। প্রবাসীদের ভিসা সমস্যা, আইনি জটিলতা কিংবা সফলতার গল্পগুলো নিয়মিতভাবে ‘প্রবাসী জীবন’ বিভাগে স্থান পায়। ইত্তেহাদ নিউজের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি কেবল সংবাদ প্রচার করে না, বরং প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।   আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিধর দেশগুলোর সমীকরণ— ইত্তেহাদ নিউজের বিশ্লেষণী প্রতিবেদনগুলো পাঠকদের গভীর ধারণা প্রদান করে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর তথ্যের ওপর কেবল নির্ভর না করে, নিজস্ব বিশ্লেষক দলের মাধ্যমে তারা ভূ-রাজনৈতিক খবরের ‘ইনসাইট’ প্রদান করে, যা সাধারণ পাঠকের কাছে আন্তর্জাতিক জটিল বিষয়গুলোকে সহজবোধ্য করে তোলে।   ডিজিটাল উদ্ভাবন ও আধুনিক সাংবাদিকতা Etihad.news-এর ওয়েবসাইটটি অত্যন্ত ব্যবহারবান্ধব (User-friendly)। মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয় ভার্সনেই এটি দ্রুত লোড হয়, যা পাঠকদের বিরামহীন পড়ার অভিজ্ঞতা দেয়। মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতার অংশ হিসেবে তারা এখন ভিডিও রিপোর্ট এবং পডকাস্টের দিকেও মনোযোগ দিচ্ছে। আধুনিক SEO টেকনিক ব্যবহারের ফলে গুগল নিউজ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ইত্তেহাদ নিউজের উপস্থিতি অত্যন্ত জোরালো।   চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একটি আন্তর্জাতিক বাংলা সংবাদমাধ্যম পরিচালনা করা সহজ নয়। বিভিন্ন দেশের সেন্সরশিপ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেড়াজালে থেকেও ইত্তেহাদ নিউজ তাদের সাহসিকতা বজায় রেখেছে। প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ইত্তেহাদ নিউজ কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা আগামীতে আরও শক্তিশালী গ্রাউন্ড-রিপোর্টিং নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চায় এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহার করে পাঠকদের রুচি অনুযায়ী সংবাদ পরিবেশন করার লক্ষ্যে কাজ করছে।   ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) আজ আর কেবল একটি নাম নয়, এটি একটি প্রতিষ্ঠান। সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং গণমানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে এটি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ডিজিটাল যুগের গোলকধাঁধায় যারা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ সংবাদ খুঁজছেন, তাদের জন্য ইত্তেহাদ নিউজ হতে পারে এক নির্ভরযোগ্য গন্তব্য।   শেষ কথা: ইত্তেহাদ নিউজ বিশ্বাস করে, সাংবাদিকতা কোনো ব্যবসায়িক পণ্য নয়, বরং এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। এই দায়বদ্ধতা নিয়েই তারা এগিয়ে যাবে শতবর্ষী ঐতিহ্যের দিকে।  

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
বরিশাল সোনালী ব্যাংক জিয়া পরিষদে
বরিশালে সোনালী ব্যাংক জিয়া পরিষদের নামে অপ-প্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ

গত ১৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখ ""দেশের খবর ""নামক একটি ফেসবুক পেজসহ বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় 'জিয়া পরিষদের নামে  যে তথ্য ও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ন ভূয়া, মিথ্যা, ভীক্তিহীন এবং বানোয়াট।   প্রতিবাদ জানিয়েছেন জিয়া পরিষদ,সোনালী ব্যাংক পিএলসি, বরিশাল ও ঝালকাঠি জেলা কমিটি (প্রস্তাবিত)  এর  আলতাফ হোসেন ,এস এম মোস্তাফিজুর রহমান ও আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম।  এক প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেন,ঢাকা কেন্দ্রীক একটি চক্র স্থানীয় ফ্যাসিস্ট এবং তাদের  দোসরদের সহযোগিতায়  আমাদের স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া প্যাডে তথাকথিত বদলির  লিস্ট তৈরি করত: আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের নিকট মিথ্যা, ভুল ও বানোয়াট তথ্য সরবরাহ করেছে যা তাদের চলমান ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ। আমরা যদি লিস্ট দিয়ে থাকি তাহলে তা অবশ্যই জিএম ইনচার্জ, বরিশালের নিকট সংরক্ষিত থাকবে। বিষয়টি যাচাই করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা উক্ত ভূয়া, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। জিয়া পরিষদ বরিশাল এবং ঝালকাঠি জেলা কমিটি বিগত কোন সময়েই কোন অন্যায় কাজ কে সহযোগিতা করেনি।  এমনকি ভবিষ্যতে ও করবে না।  নিবেদক, ১)মো: আলতাফ হোসেন , ২)এস এম মোস্তাফিজুর রহমান  ৩) আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম  জিয়া পরিষদ, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, বরিশাল ও ঝালকাঠি জেলা কমিটি (প্রস্তাবিত) ।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ইত্তেহাদ নিউজ
ইত্তেহাদ নিউজ: আন্তর্জাতিক বাংলা অনলাইন সাংবাদিকতায় নতুন দিগন্ত

  বাংলা ভাষাভিত্তিক আন্তর্জাতিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ঘটনাবলি তুলে ধরছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ইত্তেহাদ নিউজ। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় দৃঢ় অবস্থান ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিষয় অনুসন্ধানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়, যাতে জনগণ প্রকৃত তথ্য জানতে পারে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এই সংবাদমাধ্যম। নৈতিক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে— সততা ও নির্ভুলতা: সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়। নিরপেক্ষতা: কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন করা হয়। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পরিচয় গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকে। মিথ্যা সংবাদ বর্জন: বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রকাশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর সমাজের প্রান্তিক ও নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে ইত্তেহাদ নিউজ। কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করাই এই সংবাদমাধ্যমের অন্যতম লক্ষ্য। বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। যেমন— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত ধর্ম, প্রযুক্তি ও মিডিয়া ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংবাদমাধ্যম। স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ইত্তেহাদ নিউজ বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একটি শক্তিশালী মাধ্যম। তাই যেখানে অন্যায় ও অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় এই সংবাদমাধ্যম। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতার চর্চার মাধ্যমে সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠা করাই ইত্তেহাদ নিউজের অঙ্গীকার। 📌 আরও সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও বিশেষ ফিচার পেতে ভিজিট করুন: 👉 https://www.etihad.news

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ইত্তেহাদ নিউজ
ইত্তেহাদ নিউজ: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সাহসী ও নির্ভরযোগ্য একটি বাংলা অনলাইন সংবাদমাধ্যম

বাংলা ভাষাভিত্তিক একটি জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news)। প্রবাসীদের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনার খবর তুলে ধরার পাশাপাশি আধুনিক ডিজিটাল সাংবাদিকতার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে ইত্তেহাদ নিউজ। অল্প সময়ের মধ্যেই সততা, সাহসিকতা ও নির্ভরযোগ্যতার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এই সংবাদমাধ্যম। ইত্তেহাদ নিউজ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশে সব সময় সোচ্চার। সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি আধুনিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক বিষয়গুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উপস্থাপন করে আসছে।  নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অঙ্গীকার ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) সাংবাদিকতার নৈতিকতা (Ethics) কঠোরভাবে অনুসরণ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা সাংবাদিকতার মূল নীতিগুলো মেনে সংবাদ প্রকাশ করে আসছে— সততা ও নির্ভুলতা: যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই (Fact-check) করা হয়। নিরপেক্ষতা: রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পক্ষপাত ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন। গোপনীয়তা রক্ষা: সংবাদসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে নাম গোপন রাখা হয়। ক্ষতি না করা: রাষ্ট্র, সমাজ কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রয়োজনীয় সম্মানহানি হয়—এমন কোনো সংবাদ বা ছবি প্রকাশ করা হয় না। মিথ্যা ও প্রপাগান্ডা বর্জন: ইত্তেহাদ নিউজ কখনোই অসত্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে না।  নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। সমাজের বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরে মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করাই এই সংবাদমাধ্যমের মূল লক্ষ্য।  বহুমাত্রিক সংবাদ পরিবেশন ইত্তেহাদ নিউজ নিয়মিত গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করছে— বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের খবর রাজনীতি ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অর্থনীতি, খেলাধুলা ও বিনোদন সম্পাদকীয় ও মতামত মিডিয়া, ধর্ম ও প্রযুক্তি ফিচার, ভ্রমণ, শিক্ষা, সাহিত্য ও স্বাস্থ্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মার্জিত ভাষা ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনার কারণে ইত্তেহাদ নিউজ বর্তমানে অনলাইন মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী একটি নিউজ পোর্টাল হিসেবে পরিচিত।  স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে সোচ্চার ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news) বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং এটি অধিকার আদায়ের একটি আন্দোলন। তাই যেখানে অনিয়ম, সেখানেই প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় ইত্তেহাদ নিউজ। সততা, ন্যায্যতা ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতা চর্চায় পাঠক ও সাংবাদিকদের উৎসাহিত করাই এই প্ল্যাটফর্মের অঙ্গীকার।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৬, ২০২৬ 0
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

সম্প্রতি বরিশালের আঞ্চলিক বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ঐশী মঞ্জিল’ শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি মোঃ মীজানুর রহমান বাদল, বর্তমানে বানারীপাড়া উপজেলা ভূমি অফিসে সার্ভেয়ার হিসেবে কর্মরত আছি। দীর্ঘ সরকারি চাকরি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। প্রতিবেদনে খাস জমি, নামজারি ও রেকর্ড সংশোধন সংক্রান্ত কাজে অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বরিশাল নগরীর উত্তর সাগরদী ইসলামপাড়া সড়কে নির্মিত আমার ভবন ‘ঐশী মঞ্জিল’ সম্পূর্ণ বৈধ উপায়ে নির্মিত। আমার পিতার পেনশনের অর্থ এবং আমার দীর্ঘদিনের বৈধ উপার্জনের সমন্বয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সম্পদের তথ্য নিয়মিত আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে।বৈধ উপার্জনেকে সন্দেহজনক আখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিকর। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, আমার সুনাম ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।  প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।  মো. মীজানুর রহমান বাদল।  সার্ভেয়ার, বানারীপাড়া উপজেলা ভূমি অফিস।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৩, ২০২৬ 0
Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

বরিশাল সিটিতে বিএনপির মেয়র মনোনয়ন ঘিরে হিসাব–নিকাশ

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও  বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও  বি এম কলেজ এর  সাবেক জি এস  এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা।  নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।  

অর্থনীতি

ফ্যামিলি কার্ড

আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড এর গুরুত্ব

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১৩, ২০২৬ 0




অপরাধ

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্স

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সে ২৫২ ‘ভূতুড়ে’ রেশন কার্ড, আত্মসাৎ প্রায় ৪ কোটি টাকা

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১৫, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ও অম্লতা বেড়ে চলেছে।

১৫টি ‘জলবায়ু ঝুঁকি’তে আছে বাংলাদেশ

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0