Brand logo light
বিনোদন

পরীমণির ঈদ স্মৃতি: আবেগ, পরিবার আর ভালোবাসার গল্প

পরীমণির ঈদ স্মৃতি: আবেগ, পরিবার আর ভালোবাসার গল্প

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ২২, ২০২৬ 0
পরীমণি
পরীমণি

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম আলোচিত নাম পরীমণি আবারও আলোচনায়। তবে এবার কোনো সিনেমা বা বিতর্ক নয়, বরং একেবারে ব্যক্তিগত অনুভূতির জায়গা থেকে করা একটি সামাজিকমাধ্যম পোস্ট ঘিরেই তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

শনিবার (২১ মার্চ) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তুলে ধরেছেন চাঁদ রাতের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে ঈদের সকালের আবেগঘন মুহূর্ত। পোস্টটি প্রকাশের পরপরই তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিকমাধ্যমে, সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোচনার।


চাঁদ রাত: প্রস্তুতি আর প্রতীক্ষা

পরীমণির পোস্টে চাঁদ রাত যেন শুধুই একটি ধর্মীয় বা সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক গভীর আবেগের প্রতীক।

তিনি লিখেছেন—ঈদের আগের রাত মানেই ব্যস্ততা, প্রস্তুতি, আনন্দ আর এক ধরনের অদৃশ্য উত্তেজনা। নতুন পোশাক গুছিয়ে রাখা, ঘর পরিষ্কার করা, প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো—সবকিছু মিলিয়ে চাঁদ রাত যেন উৎসবের প্রথম ধাপ।

তার বর্ণনায় ফুটে উঠেছে একেবারে ঘরোয়া পরিবেশ—যেখানে তারকা পরিচয়ের বাইরে একজন সাধারণ মানুষের অনুভূতিই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।


ঈদের সকাল: আনন্দের নতুন রূপ

ঈদের সকাল নিয়ে পরীমণির অভিজ্ঞতা আরও বেশি জীবন্ত।

সকালের ব্যস্ততা, নামাজের প্রস্তুতি, অতিথি আপ্যায়ন—সবকিছু মিলিয়ে দিনটি তার কাছে এখন এক ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, এখন ঈদ মানেই শুধু নিজের আনন্দ নয়, বরং অন্যদের খুশি রাখার দায়িত্বও। তার ভাষায়, “ঈদের দিনে বাসায় মেহমান আসে, তাদের আপ্যায়ন করার চেষ্টা করি। আবার কাছের মানুষদের বাসায়ও যাই।”

এই অংশটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে, কারণ এতে একজন তারকার ব্যক্তিগত জীবনের বাস্তব চিত্র উঠে এসেছে।


 শৈশবের ঈদ: আনন্দ আর অপূর্ণতার মিশেল

পরীমণির পোস্টের সবচেয়ে আবেগঘন অংশটি ছিল তার শৈশবের স্মৃতি নিয়ে।

তিনি স্মরণ করেছেন—

  • ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারানোর কষ্ট
  • নানা-নানু ও মামাদের স্নেহে বেড়ে ওঠা
  • ঈদের দিনে সেলামি পাওয়ার আনন্দ
  • বন্ধুদের সঙ্গে দিনভর ঘোরাঘুরি

তবে এই আনন্দের মাঝেও একটি শূন্যতা সবসময় অনুভব করতেন তিনি।

তার কথায়, “বাবা-মা না থাকার কষ্ট সবসময় অনুভব করতাম।”

এই স্বীকারোক্তি সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক সহানুভূতি তৈরি করেছে।


বর্তমান জীবন: দর্শকের ভালোবাসাই শক্তি

বর্তমান সময়ের ঈদ তার কাছে অনেকটাই বদলে গেছে।

তিনি বলেন, এখন দর্শকদের ভালোবাসাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। বিশেষ করে ঈদে যদি তার কোনো সিনেমা মুক্তি পায়, তাহলে আনন্দ আরও বেড়ে যায়।

এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট—তার পেশাগত জীবন এবং ব্যক্তিগত অনুভূতি একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।


 সামাজিকমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া: ‘রিয়েল লাইফ ঈদের গল্প’

পরীমণির পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিকমাধ্যমে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।

অনেক ব্যবহারকারী তার এই লেখাকে “রিয়েল লাইফ ঈদের গল্প” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

কিছু সাধারণ প্রতিক্রিয়া:

  • “এটা আমাদের সবার গল্প”
  • “তারকারাও যে এত সাধারণভাবে ভাবেন, সেটা ভালো লাগলো”
  • “ঈদের আসল অনুভূতি এখানে পাওয়া যায়”

এই প্রতিক্রিয়াগুলো থেকে বোঝা যায়, তার পোস্টটি শুধু বিনোদন নয়—মানুষের আবেগের সঙ্গেও গভীরভাবে সংযুক্ত হয়েছে।


 বিশ্লেষণ: কেন ভাইরাল হলো এই পোস্ট?

১. ব্যক্তিগত সত্যতা

পরীমণি তার পোস্টে কোনো কৃত্রিমতা রাখেননি। বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং আবেগ সরাসরি প্রকাশ করেছেন।

২. সার্বজনীন অনুভূতি

ঈদ সবার জন্যই বিশেষ। তাই তার অভিজ্ঞতা সহজেই মানুষের সঙ্গে মিলে গেছে।

৩. তারকা পরিচয়ের বাইরে মানবিক দিক

একজন গ্ল্যামারাস অভিনেত্রীর পরিবর্তে একজন সাধারণ মানুষের গল্প উঠে এসেছে।

৪. নস্টালজিয়া ফ্যাক্টর

শৈশবের স্মৃতি সবসময়ই মানুষের মনে দাগ কাটে।


 বিনোদন জগতে এর প্রভাব

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তারকারা এখন শুধুমাত্র সিনেমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।

সামাজিকমাধ্যমের মাধ্যমে তারা সরাসরি দর্শকদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।

পরীমণির এই পোস্ট সেই প্রবণতার একটি শক্ত উদাহরণ, যেখানে—

  • ব্যক্তিগত জীবন
  • পেশাগত পরিচয়
  • সামাজিক যোগাযোগ

সবকিছু একসঙ্গে কাজ করছে।

 

পরীমণির এই পোস্ট শুধুমাত্র একটি ফেসবুক আপডেট নয়, বরং এটি এক ধরনের সামাজিক প্রতিচ্ছবি।এখানে যেমন রয়েছে একজন তারকার ব্যক্তিগত জীবন, তেমনি রয়েছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সংযোগ।ঈদ, পরিবার, ভালোবাসা এবং শৈশবের স্মৃতি—সব মিলিয়ে এই পোস্টটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য আবেগঘন দলিল।আর সেই কারণেই এটি এখন শুধু ভাইরাল নয়, বরং অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে নিজের জীবনের প্রতিফলন।

 
Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

বরিশাল সিটিতে বিএনপির মেয়র মনোনয়ন ঘিরে হিসাব–নিকাশ

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও  বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও  বি এম কলেজ এর  সাবেক জি এস  এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা।  নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।  

নিজেস্ব প্রতিবেদক

বিনোদন

View more
পূর্ণিমা
তারায় তারায় পূর্ণিমা

নাগরিক টিভিতে প্রচার হবে তারকাদের অংশগ্রহণে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘তারায় তারায়’। ঈদের দিন থেকে প্রতিদিন রাত ১০টায় নাগরিক টিভি’র পর্দায় এই অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে। ঈদের দ্বিতীয় দিন ‘তারায় তারায়’ আয়োজনে দেখা যাবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমাকে। ইতিমধ্যে নাগরিক টিভি’র প্রধান কার্যালয়ে তিনি অনুষ্ঠানের রেকর্ডিং শেষ করেছেন।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ২২, ২০২৬ 0
পরীমণি

পরীমণির ঈদ স্মৃতি: আবেগ, পরিবার আর ভালোবাসার গল্প

কেয়া পায়েল

নতুন ছবি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন কেয়া পায়েল

অপু বিশ্বাস

চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি এখন ‘ডাস্টবিন’ ছাড়া কিছুই না :চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস

সুনেরাহ বিনতে কামাল
সুনেরাহ–আরশ জুটির নতুন নাটক ‘পরমা সুন্দরী’ দর্শক আগ্রহে

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল বর্তমানে সিনেমার পাশাপাশি নাটক ও ওটিটি কনটেন্টে নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেতা আরশ খান–এর সঙ্গে তার জুটি বেশ আলোচনায় রয়েছে। এ জুটির একাধিক নাটক ইতোমধ্যে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছে। এই জনপ্রিয় জুটিকে এবার দেখা গেল নতুন একটি নাটকে। সম্প্রতি জি-সিরিজ–এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে ‘পরমা সুন্দরী’ নামের নাটকটি। নাটকটি নির্মাণ করেছেন মোহন আহমেদ এবং এর গল্প লিখেছেন ইশতিয়াক আহমেদ। নাটকটিতে প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ ও আরশ। পাশাপাশি বিভিন্ন চরিত্রে দেখা গেছে মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, ইমেল হক, আয়েশা সিদ্দিকা, এসএইচ মামুন, মুন্না খান, রেজাউল ইসলাম বিয়াজ ও জাবেদ গাজীসহ আরও কয়েকজন শিল্পীকে। চলচ্চিত্র থেকে অভিনয়ের শুরু অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল অভিনয়ে অভিষেক করেন সিনেমার মাধ্যমে। তার প্রথম চলচ্চিত্র ন ডরাই মুক্তির পরই ব্যাপক আলোচনায় আসে। এই সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর থেকে চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটক ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। ‘পরমা সুন্দরী’ নিয়ে সুনেরাহর প্রত্যাশা নতুন নাটকটি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সুনেরাহ। তিনি বলেন, “এর আগেও আমি মোহন আহমেদের পরিচালনায় একটি নাটকে কাজ করেছি এবং সেটি থেকে ভালো সাড়া পেয়েছি। তাই বিশ্বাস ছিল নতুন নাটকটিও দর্শকের আগ্রহে থাকবে। গল্প ও উপস্থাপনায় একটি আলাদা ধরণ রয়েছে, যা সহজেই দর্শকের মনে দাগ কাটতে পারে।” বাস্তব জীবনের ছোঁয়া অভিনেতা আরশ খান জানান, নাটকটির গল্প সমকালীন জীবনধারাকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়েছে। তার ভাষায়, “দর্শকের ভালো লাগা ও মন্দ লাগার বিষয় মাথায় রেখেই ‘পরমা সুন্দরী’ নির্মাণ করা হয়েছে। গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে চেনা মানুষের ছায়া খুঁজে পাওয়া যাবে। তাই ঘটনাগুলোও দর্শকের কাছে অচেনা বা অবাস্তব মনে হবে না।” জুটিকে ঘিরে আলোচনা সাম্প্রতিক সময়ে আরশ খান ও সুনেরাহর জুটিকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। তবে দুজনই বিষয়টিকে কৌশলে সামলে নিয়ে বারবার জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ছাড়া অন্য কোনো সম্পর্ক নেই। আলোচিত নাটক এর আগে এই জুটির বেশ কয়েকটি নাটক দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ‘একজন অন্তর্বর্তীকালীন প্রেমিকা’, ‘কাপল’, ‘৭ দিনের প্রেম’, ‘প্রজাপতি মন’, ‘পাগল প্রেম’, ‘আঁতকা’, ‘সিম্প্যাথি’, ‘হৃদয়ে ফাগুন’, ‘আমি তুমি, তুমি আমি’, ‘শ্যাওলা ফুল’ ও ‘ফিরে আসা ভালোবাসা’। নতুন নাটক ‘পরমা সুন্দরী’ও সেই ধারাবাহিকতায় দর্শকের আগ্রহ কাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৬, ২০২৬ 0
সুনেরাহ বিনতে কামাল  Copied from: https://rtvonline.com/

‘আমি হাসবো এবং খুশি থাকবো’

তমা মির্জা

ইকরার আত্মহত্যা : তমা মির্জার খোলা চিঠি নিয়ে শোবিজে তোলপাড়

আফরা ইভনাথ খান ইকরা ও অভিনেতা যাহের আলভী।

যাহের আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা, পিতার অভিযোগ পরিকল্পিত হত্যার

সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া ও নির্যাতনের অভিযোগ
সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া, মাদকাসক্তি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ

বাংলাদেশি ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আফজাল সুজন আবারও চাঞ্চল্যকর এক অভিযোগের শিকার হয়েছেন। তার স্ত্রী জান্নাত দীপ্তি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি বিস্ফোরক স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি অভিযোগ তুলেছেন, তার স্বামী আফজাল সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া, মাদকাসক্তি এবং শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ। দীপ্তির দাবি, আফজাল সুজন বর্তমানে মডেল সুমাইয়া খন্দকার তৃষ্ণার সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। এ বিষয়ে প্রমাণ হিসেবে তিনি তৃষ্ণার সঙ্গে সুজনের অশালীন কথোপকথন এবং আপত্তিকর ছবির স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, দীপ্তি তার শরীরে আঘাতের চিহ্নসহ ছবি পোস্ট করে অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ ৬ বছরের সংসার জীবনে তাকে প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। দীপ্তি জানান, তার অসুস্থ বাবার সামনে এবং নিজের বাড়িতে সুজন তাকে মারধর করতেন। এমনকি, তিনি যখন গর্ভবতী ছিলেন, তখন আফজাল সুজন অন্য একটি নারীর সঙ্গে ৪-৫ মাস লিভ-ইন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। দীপ্তি জানান, তিনি সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এতদিন চুপ ছিলেন, তবে সুজনের মিথ্যা অপবাদ সহ্য করতে না পেরে তিনি অবশেষে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন। এদিকে, আফজাল সুজন তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘টাকার লোভে সংসার ছাড়ার’ অভিযোগ তুলেছেন। এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দীপ্তি প্রশ্ন তুলেছেন, "একজন জালিমের ঘর ছেড়ে শান্তিতে বাঁচার চেষ্টা করা কি চরিত্রের দোষ?" দীপ্তি আরও বলেন, "আত্মহত্যা করলেই কি সমাজ আমাকে ভালো বলত?" এছাড়া, দীপ্তি জানিয়েছেন যে, মিডিয়াতে তার স্বামীর ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার ভয়ে সুজন তাকে তালাক দিতে চাইছেন না এবং তাকে সামাজিকভাবে মর্যাদাহীন করার চেষ্টা করছেন। অভিনেতা আফজাল সুজন এই বিষয়ে মুখ খুলতে অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, "এই বিষয়ে আমি এখন কিছু বলতে চাই না। আমি নিজেই সবার সঙ্গে কথা বলব, ওইটুকু পর্যন্ত সময় আমাকে দিন।" তবে, তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মডেল তৃষ্ণা কোনো সাড়া দেননি। বর্তমান পরিস্থিতি এ ঘটনার পর, আফজাল সুজন বর্তমানে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ২০১৮ সালে ঈগল মিউজিকের ব্যানারে ক্যারিয়ার শুরু করা এই অভিনেতা বর্তমানে বাংলাদেশী টেলিভিশন নাটকগুলিতে নিয়মিত অভিনয় করছেন। তার স্ত্রীর এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পর, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত, এই অভিযোগগুলো নিয়ে কোন আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়নি, তবে মিডিয়া ও শোবিজ অঙ্গনে এই বিতর্কে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ২, ২০২৬ 0
শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি

আইনের দ্বারস্থ জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী

অভিনেত্রী শবনম বুবলী

ব্যস্ত অভিনেত্রী শবনম বুবলী

নেহা কক্কড়

প্রতারণার শিকার নেহা কক্কড়

অর্থনীতি

তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ৪৭ ব্লকে আন্তর্জাতিক দরপত্র

বাংলাদেশে ৪৭টি তেল-গ্যাস ব্লকে আন্তর্জাতিক দরপত্র শিগগির: এলএনজি নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১৯, ২০২৬ 0




অপরাধ

বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের নমুনা সংগ্রহকারী গ্রেফতার

বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের নমুনা সংগ্রহকারী গ্রেফতার

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ২০, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা  দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন

সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১৯, ২০২৬ 0