Brand logo light

কুয়েত

কুয়েতে ইরানের হামলায় ৬ মার্কিন সেনা নিহত
কুয়েতে ইরানের হামলায় ৬ মার্কিন সেনা নিহত

কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত আমেরিকান সেনার সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত রোববার (১ মার্চ) এই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তিন সৈন্য নিহতের খবর জানিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।   পরবর্তী তিনজনের মধ্যে একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে মারা যান। বাকি দুইজনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক বিবৃতিতে জানান, কুয়েতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো একটি মার্কিন বাঙ্কারে সরাসরি আঘাত হানে। ওই সময় মার্কিন বাহিনীর পাল্টা হামলা পরিচালনা করার প্রস্তুতির মধ্যেই এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।   তিনি আরও জানান, ইরানি এই হামলায় কুয়েতের বায়ানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হতাহতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।মার্কিন প্রশাসন এই ঘটনার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৪, ২০২৬ 0
বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করে ইরান
মার্কিন ঘাঁটিই হামলার লক্ষ্য,প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে নয় : ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যুদ্ধ অবস্থায় নেই ইরান। আমাদের সামরিক হামলা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে (মার্কিন ঘাঁটি) লক্ষ্য করে করা হচ্ছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে নয়। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উচিত ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চাপ দেওয়া।  যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক প্রতারণা করেছে অভিযোগ এনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যখন আলোচনা চলছিল তার মধ্যেও তারা ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিতভাবে বিমান হামলা চালিয়েছে। অথচ সামরিক সংঘাত এড়ানোর জন্য এ আলোচনা করা হচ্ছিল। এসময় আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ার করে বলেন, উপসাগরীয় যে দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সে ঘাঁটিই ইরানের জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তু। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের ওপর হামলা চালাচ্ছি না, মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছি। হোটেলে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সৈন্যদের আমাদের লক্ষ্যবস্তু থেকে বাঁচাবে না।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস কার্ল ভিনসন
মধ্যপ্রাচ্যে ১৯টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি

মধ্যপ্রাচ্যে ১৯টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি: ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় কোন কোন ঘাঁটি ঝুঁকিতে? মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘদিনের। বর্তমানে অঞ্চলজুড়ে অন্তত ১৯টি স্থানে মার্কিন সামরিক স্থাপনা রয়েছে। সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সদস্য এসব ঘাঁটিতে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা নতুন করে বাড়ায় এই ঘাঁটিগুলো সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। তেহরান ইতোমধ্যে সতর্ক করেছে—যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে বা হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে। এসব ঘাঁটি মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড United States Central Command (সেন্টকম)-এর অধীনে পরিচালিত হয়। কাতার: আল উদেইদ—সবচেয়ে বড় ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি কাতারের Al Udeid Air Base। এখানে সেন্টকমের ফরওয়ার্ড হেডকোয়ার্টার ও বিমান বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড রয়েছে। ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তানে মার্কিন অভিযানে এই ঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এখানে মার্কিন বিমান বাহিনীর ৩৭৯তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে। প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা এখানে অবস্থান করছেন। সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি এড়াতে ঘাঁটি থেকে বহু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাহরাইন: পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর বাহরাইনে অবস্থিত United States Fifth Fleet-এর সদরদপ্তর পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর ও আরব সাগরে মার্কিন নৌ তৎপরতা পরিচালনা করে। এই ঘাঁটি ‘ন্যাভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি বাহরাইন’ নামে পরিচিত। প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনা এখানে মোতায়েন রয়েছে। এ অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ USS Carl Vinson-এর মতো সুপারক্যারিয়ারও চলাচল করে। এছাড়া রয়েছে মাইন বিধ্বংসী জাহাজ ও কোস্টগার্ডের দ্রুতগামী নৌযান। কুয়েত: লজিস্টিক ও অপারেশনাল হাব কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি কেন্দ্র। এখানে অবস্থিত Camp Arifjan সেন্টকমের লজিস্টিক হাব হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে Ali Al Salem Air Base ঘাঁটিতে মার্কিন ৩৮৬তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে। শুধু এই দুই ঘাঁটিতেই প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। এখানে ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোনও মোতায়েন রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত: আল ধাফরা ঘাঁটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের Al Dhafra Air Base একটি কৌশলগত বিমান ঘাঁটি। এখানে মার্কিন ৩৮০তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং রয়েছে, যা গোয়েন্দা নজরদারি ও যুদ্ধ বিমান অভিযানে সহায়তা করে। ইরাক: সীমিত কিন্তু কৌশলগত উপস্থিতি ইরাকে একসময় এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে প্রায় আড়াই হাজারে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন বাহিনী মূলত Islamic State-এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে কাজ করছে। তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয় Al Asad Airbase ও Erbil Air Base থেকে। গাজা যুদ্ধ শুরুর পর এসব ঘাঁটি ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। সিরিয়া: পুনরুত্থান ঠেকাতে সীমিত উপস্থিতি সিরিয়ায় প্রায় দুই হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। তাদের মূল লক্ষ্য ইসলামিক স্টেটের পুনরুত্থান ঠেকানো। ২০২৪ সালের শেষদিকে Bashar al-Assad ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়া নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সিরিয়ার ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। আঞ্চলিক উত্তেজনা ও ঝুঁকি ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনা, লোহিত সাগরে ইয়েমেনের হুথিদের হামলা এবং গাজা সংঘাত—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্য এখন অস্থির সময় পার করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ালে এসব ঘাঁটি তাৎক্ষণিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে কাতার, বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিগুলো কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ঝুঁকিও বেশি।   মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় এই অঞ্চলে মার্কিন সেনা সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা আবারও এসব ঘাঁটির নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতির বড় নজরকাড়া বিষয়।   মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বহু দশকের পুরোনো এবং বর্তমানে তা মূলত United States Central Command (সেন্টকম)-এর অধীনে পরিচালিত হয়। ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা, ইসরায়েল–ইরান সংঘাত, এবং ইয়েমেনের হুথিদের হামলার প্রেক্ষাপটে এসব ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নিচে প্রধান দেশভিত্তিক মার্কিন ঘাঁটি ও উপস্থিতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো: 🇶🇦 কাতার আল উদেইদ এয়ার বেস: অঞ্চলের বৃহত্তম মার্কিন ঘাঁটি। এখানে সেন্টকম ও মার্কিন বিমান বাহিনীর ফরওয়ার্ড হেডকোয়ার্টার রয়েছে। অতীতে ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তান অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রায় ১০,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সম্ভাব্য ইরানি হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় কিছু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়। 🇧🇭 বাহরাইন মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। স্থাপনাটির নাম ন্যাভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি বাহরাইন। পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর ও আরব সাগর এলাকায় মার্কিন নৌ তৎপরতা এখান থেকে পরিচালিত হয়। প্রায় ৯,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। গভীর জলে সুপারক্যারিয়ারসহ বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ চলাচল করে। 🇰🇼 কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অন্যতম বড় কেন্দ্র। ক্যাম্প আরিফজান: সেন্টকমের গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল ও লজিস্টিক হাব। আলী আল-সালেম এয়ার বেস: ৩৮৬তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে। মোট প্রায় ১৩,৫০০ মার্কিন সেনা (এই দুটি ঘাঁটিতে) অবস্থান করছে। ড্রোন ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম মজুদ রয়েছে। 🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাত আল ধাফরা এয়ার বেস: গোয়েন্দা নজরদারি ও কমব্যাট এয়ার অপারেশনে গুরুত্বপূর্ণ। ৩৮০তম এয়ার এক্সপিডিশনারি উইং মোতায়েন রয়েছে। উন্নত ড্রোন ও যুদ্ধবিমান ব্যবহৃত হয়। 🇮🇶 ইরাক মার্কিন সামরিক বাহিনীর ঘাঁটি: কোথায় ও কেন গুরুত্বপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির ক্ষেত্রে Iraq এখনো একটি কৌশলগত কেন্দ্র। যদিও ২০০৩ সালের পরের সময়ের তুলনায় বর্তমানে মার্কিন সেনা সংখ্যা অনেক কম, তবুও দেশটিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি সক্রিয় রয়েছে। বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা ইরাকে মোতায়েন আছেন। তাদের প্রধান মিশন জঙ্গি গোষ্ঠী Islamic State-এর পুনরুত্থান ঠেকানো এবং ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করা। 🔹 ১. আল আসাদ বিমান ঘাঁটি (Al Asad Airbase) Al Asad Airbase ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলের আনবার প্রদেশে অবস্থিত। এটি ইরাকে মার্কিন বাহিনীর অন্যতম বৃহত্তম ঘাঁটি। ড্রোন, নজরদারি বিমান ও সামরিক অভিযানের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ২০২০ সালে ইরান এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যা দুই দেশের উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।  

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত
কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ সতর্কতা

উপসাগরীয় এলাকায় সম্প্রতি যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রেক্ষিতে কুয়েতে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতার আহ্বান জানিয়েছে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস। ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে নিম্নলিখিত নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে: সামরিক স্থাপনার কাছাকাছি না যাওয়া: কুয়েতের সামরিক স্থাপনার আশপাশে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। নিজ বাসায় অথবা নিরাপদ স্থানে অবস্থান: বিপদ কাটার আগ পর্যন্ত সবাইকে তাদের নিজ নিজ বাসায় বা নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদ কাটার আগে বাইরে না যাওয়া: অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে রাখা: নগদ টাকা, কুয়েতের সিভিল আইডি, স্বাস্থ্য বীমা কার্ড, প্রয়োজনীয় ঔষধ, মোবাইল ফোন, মোবাইল চার্জার, শুকনো খাবার এবং পানি সবসময় সঙ্গে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা: কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস সকল প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিককে কুয়েতি আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতির কোনো ছবি বা ভিডিও শেয়ার না করতে অনুরোধ করা হয়েছে। জরুরি যোগাযোগের জন্য: দূতাবাসের হটলাইন নম্বর: +965 69920013 +965 66516404 কুয়েতের আইন এবং সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আবারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ  বিমান
ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ হামলা:বাহরাইন-কুয়েত ও কাতারে বাংলাদেশ থেকে বিমান চলাচল বন্ধ

ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ গড়ে তোলে তেহরান। এরই অংশ হিসেবে ইসরাইলে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। একইসঙ্গে বাহরাইন, আরব আমিরাত, কুয়েত ও কাতারে মার্কিন সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় তেহরান। একইসঙ্গে সৌদি আরবের রিয়াদে হামলার খবরও পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে বাংলাদেশ থেকে বিমান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে, কাতারে থাকা নাগরিকদের নিরাপদে থাকার আহ্বান জানিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।  

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

বরিশাল সিটিতে বিএনপির মেয়র মনোনয়ন ঘিরে হিসাব–নিকাশ

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও  বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও  বি এম কলেজ এর  সাবেক জি এস  এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা।  নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।  

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত: ইসরায়েলি কর্মকর্তার দাবি, ইরান বলছে বেঁচে আছেন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ এবং টাইমস অব ইসরায়েলসহ একাধিক গণমাধ্যমও সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তবে, এই দাবি প্রকাশ পাওয়ার পর পরই ইরান সরকার কঠোর ভাষায় তার নেতার জীবিত থাকার দাবি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আলম জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনি এখনো বেঁচে আছেন এবং তিনি পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আরও বলা হয়, তিনি দেশের সেনাবাহিনী এবং সরকারের নেতা হিসেবে দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।   খামেনি বেঁচে আছেন, দৃঢ়তার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন:ইরানের গণমাধ্যমের দাবি এদিকে, এনবিসিতে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইরানের প্রায় সব কর্মকর্তা জীবিত, সুস্থ ও নিরাপদ স্থানে আছেন।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান আবারও তাদের নেতার বেঁচে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন বা শূন্যতা তৈরি হতে পারে, তবে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এর পাশাপাশি, ইরান সরকার তাদের সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান নিয়ে প্রাথমিকভাবে কোনো বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এ ঘটনার পর বিশ্বের নজর তেহরানে, এবং এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

Top week

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি
ইত্তেহাদ এক্সক্লুসিভ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত: ইসরায়েলি কর্মকর্তার দাবি, ইরান বলছে বেঁচে আছেন

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ১, ২০২৬ 0