Brand logo light
বাংলাদেশ

বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে নির্মিত সড়কের ইট তুলে নিল ঠিকাদার,এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ১১, ২০২৬ 0
নির্মিত সড়কের ইট তুলে নিল ঠিকাদার
নির্মিত সড়কের ইট তুলে নিল ঠিকাদার

ইত্তেহাদনিউজ,অনলাইনবগুড়ার গাবতলী উপজেলায় একটি সড়কে অস্থায়ীভাবে বসানো ইট সফর শেষে তুলে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি ছিল মূল উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নেওয়া একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চৌকির খাল হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পৈতৃক বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মিটার কাঁচা সড়কে সফরের আগে ইট ও বালু ফেলে চলাচলের উপযোগী করা হয়। সফর শেষ হওয়ার পর ওই সড়ক থেকে ইটগুলো অপসারণ করা হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সড়কটি পাকাকরণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) গত অর্থবছরে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করেনি। এমন পরিস্থিতিতে সফর উপলক্ষে দ্রুত অস্থায়ীভাবে ইট বিছানো হলেও পরে তা সরিয়ে নেওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে আবারও দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে।

তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সড়কে স্থায়ী উন্নয়নকাজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই অস্থায়ী সোলিং করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে এলজিইডি বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান জানান, সড়কে স্থায়ীভাবে ইট বসানো হয়নি; বরং ভাড়া করা ইট ব্যবহার করে অস্থায়ী সোলিং করা হয়েছিল। মূল প্রকল্পের কাজ শুরু করার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পরে সেই ইট অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইট ক্রয়ের পরিবর্তে ভাড়া নেওয়ার কারণে ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। পাশাপাশি সড়কটির স্থায়ী কার্পেটিং কাজ বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রকৌশল কর্মকর্তাদের দাবি, পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ এবং অস্থায়ী ব্যবস্থাকে স্থায়ী উন্নয়নকাজের বিকল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, স্থায়ী কাজ শুরু না হওয়া পর্যন্ত কাঁচা সড়কে চলাচলের ভোগান্তি থেকে তাদের মুক্তি মিলছে না। ফলে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি এবং কাজ শুরুর সময়সূচি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

সংসার সামলাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন রোজিনা

বাসস : বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় রোজিনা। অভাব সংসার, তাই এক এতিম যুবকের সাথে বাবা-মা বিয়ে দেন তাকে। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিকশা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে ওই চোখের দৃষ্টি শক্তিও কমতে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিকশা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া ও খাবারের পাশাপাশি মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে যায়। দিশেহারা হয়ে পরেন রোজিনা। এক পর্যায়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালানোর চেস্টা করেন। কিন্তু সুবিধা করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামী রফিকুলের কাছেই হাতেখড়ি। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছেই অটোরিকশা চালানোর শিক্ষা নেন তিনি। পরে গ্রামের পথে নেমে পড়েন অটোরিকশা নিয়ে। ৫-৬ দিন এভাবে হাত পাকা করে একদিন টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এরপর শুরু করেন অটোরিক্সা চালানোর ব্যতিক্রমী জীবন সংগ্রাম। এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের বাসিন্দা রোজিনা টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস থেকে আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ডে যাত্রী আনা নেয়া করেন। যানজটের কারণে শহরে পুরুষ চালকরা যেখানে হিমসিম খায়, সেখানেই বিগত ৫ বছর ধরেই নির্বিঘেœ অটোরিকশা চালাচ্ছেন তিনি। টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় দিনে দুই ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর অনুমতি দিয়েছে পৌরসভা। সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী ডাকছেন রোজিনা। কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড সর্বত্রই যাত্রী আনানেয়া করেন তিনি। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অন্য অটো চালকদের দাঁড় করতে না দিলেও রোজিনাকে বাঁধা দেননা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে সবাই তার প্রতি সহানুভুতিশীল। ট্রাফিক পুলিশসহ অন্য অটোচালকরাও তাকে সহযোগিতা করেন। রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দুর্ঘটনায় পড়বে। কিন্তু আমি খুব সাবধানে অটো চালাই। দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিকশা চালকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করে। অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে চড়েছি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়েও ভালো অটো চালান। নারী সংগঠক সেরাজুম মনিরা বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিকশা চালাচ্ছেন। আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো ভাবেই যে পিছিয়ে নেই, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। রোজিনা বলেন, অটো চালানোর এই সিদ্ধান্তটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ৫ ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কিন্তু কি করবো, অভাবের সংসার! এখন ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনেছি। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্থায়নে প্রশাসন সেখানে ঘর তুলে দিয়েছে। শুরুতে যারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও যে কিছু করতে পারে, তা প্রমাণ করেছি। আমার বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে, ছোট মেয়ে পড়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধার দেনা শোধ করতে হবে। তাই থেমে গেলো চলবে না। আমি অটোরিকশা চালিয়েই দুই সন্তানকে মানুষ করতে চাই।’ ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বাবুল সরকার বলেন, সরকার রোজিনাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে। শুরুতে যারা তাকে নিয়ে নানান কথা বলতো, এখন তার সংকল্প ও মানষিক দৃঢ়তা দেখে থেমে গেছে। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী চালক রোজিনাকে কেউ যেন বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে সব সময় নজর রাখে ট্রাফিক পুলিশ। আমরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। ওই নারী এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে আসেন নাই। যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করেন অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

কুড়িগ্রামের তাজু ভাই ২.০: ‘সরকারি রেটে জিলাপি’ প্রশ্নে ভাইরাল এক নির্মাণশ্রমিকের গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে উঠে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তাইজুল ইসলাম, যিনি অনলাইনে পরিচিত ‘তাজু ভাই ২.০’ নামে। মাত্র একটি ভিডিও—যেখানে তিনি এক দোকানিকে প্রশ্ন করেন, “জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে?”—এই সরল উপস্থাপনাই তাকে রাতারাতি ভাইরাল করে তোলে।  কয়েক ঘণ্টায় ফলোয়ার লাখ ছাড়াল রোববার রাত পর্যন্ত তার ফেসবুক অনুসারী ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই তা বেড়ে এক লাখের বেশি হয়ে যায়। ভাইরাল ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখবার দেখা হয়েছে।  কী ছিল সেই ভিডিওতে? ভিডিওতে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর নারায়ণপুর বাজারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় তিনি জিলাপির দাম জানতে চান। তার কথাগুলো ছিল একেবারেই সহজ ও গ্রাম্য ভঙ্গিতে— “সাদাডা কত, লালডা কত? সরকারি রেটে বেচতেছেন?” এই সরল প্রশ্নই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।  কোথা থেকে উঠে এলেন তাজু ভাই? কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি দুর্গম গ্রামে জন্ম তার। ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত এই অঞ্চলে পৌঁছাতে এখনও কয়েকটি নৌঘাট পার হতে হয়। দারিদ্র্যের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়া হয়নি তার। পেশায় তিনি একজন নির্মাণশ্রমিকের সহকারী (হেলপার)। কাজের ফাঁকে ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার শখ। ব্যক্তিগত সংগ্রাম তাইজুল ইসলামের পরিবারে ছয় ভাই-বোন। তিনি সবার বড়। তার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবার চালাতে তাকে ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না, কিন্তু আমাদের এলাকায় কেউ আসে না—তাই নিজেরাই ভিডিও বানাই।” ভাইরাল হওয়ার পেছনের উদ্দেশ্য তাইজুলের দাবি, তার ভিডিও শুধুই বিনোদনের জন্য নয়। তিনি চান তার এলাকার অবহেলিত মানুষের কথা প্রশাসনের নজরে আসুক। “আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক,”—বলছেন তিনি।  মিশ্র প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার সরলতা ও বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা প্রশংসা করছেন আবার কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন তবে এসব সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ

View more
অলিম্পিক সিমেন্ট কারখানা বিক্রির গুঞ্জন: চাকরি হারানোর শঙ্কায় শ্রমিকদের আন্দোলন

বরিশাল অফিস :    অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার্স লিমিটেড কারখানা বিক্রির সম্ভাবনা ঘিরে শ্রমিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বাড়ছে। চাকরির নিরাপত্তা এবং দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কারখানার প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শ্রমিকরা। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, গণমাধ্যমে কারখানা বিক্রির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তারা বিষয়টি নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে মৌখিকভাবে বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তবে কারখানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বর্তমান শ্রমিকদের চাকরি বহাল থাকবে কি না কিংবা দুই মাসের বকেয়া বেতন, ওভারটাইমসহ অন্যান্য পাওনা কীভাবে পরিশোধ করা হবে—সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন শত শত শ্রমিক ও কর্মচারী। শ্রমিকদের মূল দাবি কী? সমাবেশে বক্তারা বলেন, কারখানা বিক্রি হলে শ্রমিকদের চাকরি অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন মালিকের কাছে প্রতিষ্ঠান হস্তান্তর করতে হবে। একই সঙ্গে বকেয়া বেতন, ওভারটাইম এবং অন্যান্য আর্থিক পাওনা দ্রুত পরিশোধের নিশ্চয়তা দিতে হবে।   আরও পড়ুন:   এ্যাংকর সিমেন্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ এ্যাংকর সিমেন্টে ৪০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ : বন্ধ হতে যাচ্ছে এ্যাংকর সিমেন্ট ফ্যাক্টরী বরিশালে এ্যাংকর সিমেন্ট ফ্যাক্টরী বন্ধ হতে যাচ্ছে : বাড়ছে পাওনাদারদের ভিড়,গা ঢাকা দিয়েছে  এ্যাংকর সিমেন্টের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, আর্থিক সংকট,উৎপাদন বন্ধ      তাদের দাবি, মালিকপক্ষের নীরবতা শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত শ্রমিকদের জীবিকা ও পরিবার নির্ভর করছে এই চাকরির ওপর। ফলে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হলে তা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট ডেকে আনতে পারে। সমাবেশে কারা ছিলেন? অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার্স লিমিটেড শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (রেজি নং বরিশাল-৫৪) সভাপতি সেলিম সর্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী, বাসদ নেতা শহিদুল শেখ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা দপ্তর সম্পাদক শহিদুল হাওলাদারসহ বিভিন্ন শ্রমিক নেতা। এছাড়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পাভেল হাওলাদার, সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক লিটন, হান্নান হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান শাহীন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল হাওলাদার বক্তব্য রাখেন। সামনে আরও কর্মসূচির ঘোষণা শ্রমিক নেতারা জানান, দাবি আদায়ে প্রয়োজন হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৯ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সমাবেশ থেকে বরিশালের শ্রমিক, পেশাজীবী ও সাধারণ জনগণকে ওই কর্মসূচিতে সংহতি জানানোর আহ্বান জানানো হয়। প্রশ্নের মুখে শ্রমিক অধিকার শ্রম বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় গেলে শ্রমিকদের চাকরি, বকেয়া মজুরি এবং আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শ্রমিকদের অভিযোগ অনুযায়ী, যদি মালিকপক্ষ এ বিষয়ে স্বচ্ছ অবস্থান না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। অলিম্পিক সিমেন্ট কারখানা বিক্রির সম্ভাবনা ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ কী হবে, আর তাদের পাওনা ও চাকরির নিশ্চয়তা কে দেবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ১১, ২০২৬ 0
বরগুনা জেলা পরিষদ ডাকবাংলো

বরগুনায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় ৭ দিন পর হত্যা মামলা, তদন্তে নতুন মোড়

বিদ্যালয়ে না গিয়েও ২৩ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন বিএনপি নেতা

বিদ্যালয়ে না গিয়েও ২৩ বছর ধরে বেতন নিচ্ছেন টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ও প্রধান শিক্ষক সেলু

মাহদী হাসান

‘বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’ বলা মাহদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায়

মোহাম্মদ আশরাফুল আলম
ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক, নজরদারি জোরদারের উদ্যোগ

ইত্তেহাদনিউজ,অনলাইন : বাংলাদেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর অন্যতম ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল আলমকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ৪৯(১)(ঘ)(আ) অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ইসলামী ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষক হিসেবে মোহাম্মদ আশরাফুল আলম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। পাশাপাশি তিনি নিয়মিতভাবে ব্যাংকের কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংককে তথ্য ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রদান করবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই উদ্যোগ ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে আস্থা, শৃঙ্খলা ও কার্যকর তদারকি আরও সুদৃঢ় করতে সহায়তা করবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের এই পদক্ষেপ দেশের ব্যাংকিং খাতে নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ১১, ২০২৬ 0
নির্মিত সড়কের ইট তুলে নিল ঠিকাদার

বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে নির্মিত সড়কের ইট তুলে নিল ঠিকাদার,এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা

সাজ্জাদ পারভেজ

সমাজসেবা অধিদপ্তরের বরিশাল আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হলেন সাজ্জাদ পারভেজ

পটুয়াখালী পৌর ভূমি অফিসের তহশিলদার শাহজাহানের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

পটুয়াখালীতে তহশিলদার শাহজাহান শিকদারের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি

বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় সিদ্ধান্ত: পাঁচ এনবিএফআইয়ে প্রশাসক, ২৭ হাজার আমানতকারীর টাকার কী হবে?

ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : বাংলাদেশের ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) খাতে দীর্ঘদিনের সংকটের পর এবার কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বছরের পর বছর খেলাপি ঋণ, দুর্বল সুশাসন, অর্থ আত্মসাৎ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থতার অভিযোগে জর্জরিত পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক বসিয়ে অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে সংকটে থাকা নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। কোন পাঁচ প্রতিষ্ঠান অবসায়নের পথে? বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে যেসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো হলো— এফএএস ফাইন্যান্স ফারইস্ট ফাইন্যান্স আভিভা ফাইন্যান্স পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অন্যদিকে— বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স জিএসপি ফাইন্যান্স প্রাইম ফাইন্যান্স —এই চার প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ হিসেবে আরও তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। ২৭ হাজার আমানতকারী, ২,৭০০ কোটি টাকার অনিশ্চয়তা বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অবসায়নের সিদ্ধান্ত হওয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৭ হাজার ব্যক্তি আমানতকারীর প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করা হবে। এরপর প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে সম্পদ, দায় এবং আদায়যোগ্য অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেওয়া হবে। প্রশাসক নিয়োগের পর ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক ব্যক্তি আমানতকারী সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে। খেলাপি ঋণের ভয়াবহ চিত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ঋণ পোর্টফোলিও কার্যত ধসে পড়েছে। প্রতিষ্ঠান খেলাপি ঋণের হার এফএএস ফাইন্যান্স ৯৯.৯৯% ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ৯৯.৪৪% ফারইস্ট ফাইন্যান্স ৯৮.৫০% পিপলস লিজিং প্রায় ৯৫% আভিভা ফাইন্যান্স ৯৩.৯৩% অর্থনীতিবিদদের মতে, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ২০-৩০ শতাংশ অতিক্রম করলেই তা টিকে থাকার সক্ষমতা হারাতে শুরু করে। সেখানে এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রায় পুরো ঋণপোর্টফোলিওই অকার্যকর হয়ে গেছে। কীভাবে এ অবস্থায় পৌঁছালো প্রতিষ্ঠানগুলো? বাংলাদেশের আর্থিক খাতে গত এক দশকে সংঘটিত কয়েকটি বড় কেলেঙ্কারির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কিছু এনবিএফআই। খাতসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং পরিচালনা পর্ষদের অনিয়মের সুযোগে বিপুল অঙ্কের ঋণ বিতরণ করা হয়, যার বড় অংশই পরে খেলাপিতে পরিণত হয়। সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হলো পিকে হালদার কেলেঙ্কারি। অভিযোগ রয়েছে, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (বর্তমানে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিকে হালদার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। তদন্তে পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্স এবং বিআইএফসির মতো প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে আসে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সংকট কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিনের দুর্বল তদারকি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং জবাবদিহিতার অভাবের ফল। কেন এখন কঠোর হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক? ২০২৫ সালের মে মাসে উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে বিভিন্ন পর্যায়ের মূল্যায়নে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। এর ভিত্তিতে ধাপে ধাপে প্রতিষ্ঠানগুলোর সংখ্যা কমিয়ে অবশেষে পাঁচটিকে অবসায়ন প্রক্রিয়ার জন্য চূড়ান্তভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে নতুন "রেজল্যুশন ফ্রেমওয়ার্ক" বা সংকটাপন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও বন্ধের কাঠামোর প্রথম বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামনে কী হতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একদিকে আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজার থেকে সরিয়ে খাতকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে—যেসব প্রতিষ্ঠানের সম্পদের বড় অংশই খেলাপি ঋণে আটকে আছে, সেখানে আমানতকারীদের অর্থ কত দ্রুত এবং কতটুকু উদ্ধার করা সম্ভব হবে? বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, বছরের পর বছর ধরে অনিশ্চয়তায় থাকা হাজার হাজার আমানতকারীর আস্থা পুনরুদ্ধার করা এবং প্রমাণ করা যে আর্থিক খাতে অনিয়মের পরিণতি শেষ পর্যন্ত জবাবদিহিতার মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ৯, ২০২৬ 0
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

ইসলামী ব্যাংকে চাকরিচ্যুতি, নিয়োগ বিতর্ক ও শেয়ার মালিকানা: পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইসলামী ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংকে সিআরআর ঘাটতি, গ্রাহকদের উত্তোলনে কমেছে আমানত: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা আবেদন

পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

পাবনায় সন্তানের সামনে গুলি করে হত্যা মাদ্রাসা কর্মী আলী হোসেনকে, আতঙ্কে এলাকাবাসী

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম, কৃষি ব্যাংকে নূরুল আমিন: ব্যাংক খাতে নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৪, ২০২৬ 0




অপরাধ

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ৩০ বিলিয়ন ডলার জালিয়াতি ও অর্থপাচার অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২৪, ২০২৬ 0




কৃষি ও জলবায়ু

ধান

শেরপুরে বোরো ধানের দাম কমে লোকসানে কৃষকরা, উৎপাদন খরচও উঠছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬ 0