Brand logo light
স্বাস্থ্য

শেবাচিমে আওয়ামীপন্থী কর্মচারীদের আধিপত্য বহাল, বিতর্কের কেন্দ্রে ওয়ার্ড মাস্টার ফেরদৌস

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস
ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) ঘিরে আবারও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুবিধাভোগী ও দমন-পীড়নে জড়িত একাধিক কর্মচারী এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। কেউ কেউ রাজনৈতিক ভোল পাল্টে বিএনপি বা জামায়াতপন্থী পরিচয় ধারণ করলেও বাস্তবে আগের প্রভাব-প্রতিপত্তি অটুট রয়েছে বলে হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সম্প্রতি চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের একটি কমিটি অনুমোদনের লক্ষ্যে একটি মহল বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার-এর দ্বারস্থ হয়। তাদের অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আপত্তি থাকায় তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরবর্তীতে তারা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লা-এর মাধ্যমে কমিটি অনুমোদন করান। অভিযোগ রয়েছে, কমিটির শীর্ষে দু-একজন বিএনপিপন্থী থাকলেও অধিকাংশ সদস্যই ঘোর আওয়ামীপন্থী।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম মল্লিক ওরফে ফেরদৌস। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১ মার্চ ঔষধ চুরির সময় যৌথবাহিনীর হাতে আটক হন তিনি। এ ঘটনায় তৎকালীন উপ-পরিচালক ডা. সুভাষ দাশ কোতোয়ালি থানায় এজাহার (নং-৩২৫৯/০৭) দায়ের করেন। সেখানে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকার ঔষধ চুরির অভিযোগ উল্লেখ ছিল। তবে পরবর্তীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ-এর হস্তক্ষেপে অভিযোগ থেকে রেহাই পান বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া ২০২১ সালে করোনা ওয়ার্ড থেকে ১০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার চুরির অভিযোগও ওঠে ফেরদৌসের বিরুদ্ধে। তৎকালীন সহকারী পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তদন্তে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললেও বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ-এর হস্তক্ষেপে তা আলোর মুখ দেখেনি।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, মন্ত্রণালয় থেকে একাধিকবার বদলির আদেশ এলেও তা কার্যকর হয়নি। বরং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার অব্যাহত ছিল। জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ৩ আগস্ট চৌমাথা এলাকায় বিএনপি নেতা জিয়া শিকদারের ওপর হামলার সময়ও তাকে দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস। তিনি বলেন, “আমাকে যৌথবাহিনী আটক করেছিল, এটা সত্য। তবে মামলায় আমি খালাস পেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” তিনি অভিযোগগুলো তদন্তের দাবি জানান।

এ বিষয়ে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শেবাচিম হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আব্দুল মোনেম সা’দ বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বলেন, “বিতর্কিত কয়েকজনের ডিউটি পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে জনবল সংকট থাকায় তাদের দিয়েই সেবা চালাতে হচ্ছে। ডিজি হেলথ থেকে জনবল পরিবর্তন করা হলে সেবার মান আরও উন্নত হবে।”

হাসপাতাল ঘিরে এ ধরনের অভিযোগ জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে বিতর্কিত ব্যক্তিরা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল থাকেন—সে বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Popular post
ফারুকীর সম্পদ কমেছে, তিশার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি: সম্পদ বিবরণী ঘিরে আলোচনা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের পর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদের হিসাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে স্বামী ফারুকীর সম্পদ কমলেও স্ত্রী তিশার সম্পদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র। প্রকাশিত খতিয়ান অনুযায়ী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ এক বছরে অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তিশার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ টাকা। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সেই সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫০১ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৪১ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। এক বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ কমেছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন তার মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী বা স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। একই সময়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পদে এমন ভিন্নমুখী পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় দম্পতি হওয়ায় তাদের এই আয়-ব্যয়ের হিসাব এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক নির্বাচন: বিএনপি এগিয়ে, জামায়াতের উত্থান ও তরুণ ভোটারদের প্রভাব

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং কিছু সমীকরণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক। দলটির নিয়মিত প্রায় ৪ কোটি ভোটার এখন নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজছেন। সিআরএফ বা বিইপিওএস জরিপ বলছে, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায় ৩০ শতাংশ আওয়ামী ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে দেশজুড়ে সুষম জনসমর্থন থাকা বিএনপি আসন জয়ের ক্ষেত্রে জামায়াতের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে বিএনপির এই সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের মনোনয়ন না পাওয়া ৯২ জন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, তরুণ ভোটার বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিশাল সমর্থন জামায়াতে ইসলামীর শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ, যাদের বড় একটি অংশ প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। এই তরুণরা যদি দলবেঁধে কেন্দ্রে উপস্থিত হন, তবে নির্বাচনী ফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবশেষে, প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটার এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে। দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের মূল পূর্বাভাস, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে এবং জামায়াতে ইসলামী ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব এবং তরুণ ভোটারদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আসন সংখ্যায় বড় ধরনের হেরফের হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৩৫০ একরের ঘাঁটিটিতে সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্য থাকতে পারবে। গাজার ‘বোর্ড অব পিস’র নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, বোর্ড অব পিসে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। যে স্থানটি ঘাঁটি করার জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে সেখানে আইএসএফের সদস্যরা থাকবে। বোর্ড অব পিসের প্রধান হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সংগঠনটির আংশিক নেতৃত্ব দেবেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারার্ড কুশনার।দ্য গার্ডিয়ান বোর্ড অব পিসের নথি পর্যালোচনা করে জানায়, ধাপে ধাপে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে। সবকিছু শেষ হলে ঘাঁটিটি ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৫ বর্গমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ঘাঁটিটির চারপাশে ট্রেইলার সংযুক্ত ২৬টি সাঁজোয়া নজরদারি টাওয়ার থাকবে। এছাড়া একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংকার ও অস্ত্র রাখার গুদাম থাকবে। পুরো ঘাঁটিটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হবে। সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার একটি শুষ্ক সমতলভূমিতে। সেখানে ইসরায়েলি হামলার চিহ্ন রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধাতবের ধ্বংসাবশেষ।  ওই এলাকার ভিডিও পর্যালোচনা করেছে দ্য গার্ডিয়ান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘাঁটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি ছোট দলকে ইতোমধ্যেই এলাকাটি দেখানো হয়েছে। ওই দলটি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী।    ইন্দোনেশিয়া সরকার গাজায় আট হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আরও তিন নেতার ওই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল গাজার সাময়িক স্থিতিশীলতার জন্য অস্থায়ীভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। নিরাপত্তা কাউন্সিলই বোর্ড অব পিসের মূল হোতা। গাজার সীমান্ত ও শান্তি প্রণয়নে কাজ করবে আইএসএফ। এছাড়া বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে তারা। যদি গাজায় ফের সংঘর্ষ হয়, ইসরায়েল বোমা হামলা চালায় অথবা হামাস হামলা চালায় সেক্ষেত্রে আইএসএফ কি করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের যে শর্ত দিয়েছে সেটির জন্য আইএসএফ কাজ করবে কিনা তাও স্পষ্ট না। ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে ২০ এর অধিক দেশ যোগ দিয়েছে। তবে, এখনও অনেক পরাশক্তি এর থেকে দূরে রয়েছে। জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংগঠনটির স্থায়ী নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রুটজার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আদিল হক বলেন, “বোর্ড অব পিস এক ধরনের আইনি কল্পসত্তা। নামমাত্রভাবে এর নিজস্ব আন্তর্জাতিক আইনগত সত্তা রয়েছে, যা জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। কিন্তু বাস্তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছামতো ব্যবহারের জন্য একটি ফাঁপা খোলসমাত্র।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজা পুনর্গঠনে যে অর্থায়ন ও শাসন কাঠামো হচ্ছে তা অস্বচ্ছ। কয়েকজন ঠিকাদার গার্ডিয়ানকে জানান, গাজায় কাজ করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের প্রায়শ আলোচনা সরকারি ইমেলের বদলে সিগন্যালের মাধ্যমে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য মতে, ঘাঁটি নির্মাণের সিদ্ধান্তটি বোর্ড অব পিসের। এতে সহায়তা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘাঁটিতে তৈরি বাংকার নেটওয়ার্কের মতোন কাজ করবে। প্রতিটি বাংকারের ২৪ মিটারের হবে। উচ্চতা থাকবে আড়াই মিটার। এগুলো এমনভাবে করা হবে যেন সেনা সদস্যরা আশ্রয় নিতে পারে। স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজায় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল রয়েছে। সেগুলোর আদলে নেটওয়ার্ক করতে চাওয়া হচ্ছে। পিস অব বোর্ডের নথি পর্যালোচনা করে এমন দাবি করছে গার্ডিয়ান। সংবাদ মাধ্যমটি বলছে,  স্থানটির ভূ-ভৌত জরিপ পরিচালনা করবে ঠিকাদাররা। নথির এক অংশে ‘হিউম্যান রেমিয়েনস প্রোটোকল’র কথা বলা হয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, সন্দেহভাজন মানব অবশিষ্ট বা সাংস্কৃতিক নিদর্শন পাওয়া গেলে অবিলম্বে সেই এলাকায় সব কাজ বন্ধ করতে হবে। চুক্তি কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনার জন্য অবিলম্বে জানাতে হবে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের ধারণা, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ঘাঁটির জন্য যে স্থানটি বিবেচিত করা হচ্ছে সেটির মালিক কে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, দক্ষিণ গাজার বেশিরভাগ অংশ  বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘের অনুমান, যুদ্ধ চলাকালীন ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ফিলিস্তিনের জমিতে সরকারের অনুমতি না নিয়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনকে দখল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান আইনজীবী এবং প্রাক্তন শান্তি আলোচক দিয়ানা বুট্টু। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কার অনুমতিতে তারা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে।” বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বোর্ড অব পিসের কথা টানেন। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সামরিক ঘাঁটির চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও মার্কিন সেনা স্থলভাগে যাবে না। আমরা লিক হওয়া নথি নিয়ে আলোচনা করবো না।”

বরিশাল সিটিতে বিএনপির মেয়র মনোনয়ন ঘিরে হিসাব–নিকাশ

মামুনুর রশীদ নোমানী,বরিশাল: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বরিশাল সিটি করপোরেশন এর নির্বাচন স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন এবং চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরেই বরিশাল নগরজুড়ে এখন এক ধরনের নীরব রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে নদী তীরের আড্ডা—সবখানেই আলোচনা একটাই: আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী? দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সিটি করপোরেশন শুধু একটি প্রশাসনিক ইউনিট নয়; এটি বরিশালের রাজনৈতিক স্পন্দনের কেন্দ্র। আর তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, হিসাব–নিকাশ আর ভেতরের নীরব লবিং। দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র অবস্থান ও কৌশল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দলটির সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা : বিএনপির ভেতরে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে এম শহিদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডঃ মীর জাহিদুল কবির জাহিদ,মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লাহ,বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন,বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চান ও  বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাড.নজরুল ইসলাম খান রাজন। এছাড়া বরিশাল মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি ও  বি এম কলেজ এর  সাবেক জি এস  এ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান শামীম আলোচনায় রয়েছেন। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী: দলীয় সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব পাবে অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা।  নির্দিষ্ট কেউকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবদ্ধ নয়। কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতা নীরবে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং জনসম্পৃক্ততা এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। অন্যদিকে দলীয় একটি সূত্র জানায়, এবার বিএনপিকে এমন প্রার্থী দিতে হবে যিনি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য। কারণ, মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়টিও রাজনৈতিক সমীকরণে বিবেচনায় রাখতে হবে। দলীয় কৌশল ও চ্যালেঞ্জ : বিএনপি সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, নির্বাচন অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে প্রার্থী নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে— *ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা, *জেল জুলম,মামলা হামলা নির্যাতন, *রাজনৈতিক অবস্থান। এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের নির্বাচনে বিভক্তি বা বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। ভোটারদের প্রত্যাশা : বরিশাল নগরবাসীর প্রধান দাবি— * জলাবদ্ধতা নিরসন, * সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, * পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, * কর্মসংস্থান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, মেয়র প্রার্থীদের জন্য এসব ইস্যু হবে নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিপাদ্য। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও দলীয় কৌশলই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বরিশালের রাজনীতির বাতাসে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী সুর। বিএনপি শক্ত প্রার্থী দিলে নগর রাজনীতিতে জমে উঠতে পারে লড়াই।এখন সবার দৃষ্টি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। কে হবেন বিএনপির ‘নগর সেনাপতি’তার উত্তর মিললেই বরিশাল সিটির নির্বাচনী সমীকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য,বরিশাল সিটি করপোরেশ নির্বাচনে ২০১৩ সালে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন তৎকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব কামাল।২০১৮ সালে আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরোয়ার দল থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত হোন সাদিক আব্দুল্লাহ। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।  

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত: ইসরায়েলি কর্মকর্তার দাবি, ইরান বলছে বেঁচে আছেন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ এবং টাইমস অব ইসরায়েলসহ একাধিক গণমাধ্যমও সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তবে, এই দাবি প্রকাশ পাওয়ার পর পরই ইরান সরকার কঠোর ভাষায় তার নেতার জীবিত থাকার দাবি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আলম জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনি এখনো বেঁচে আছেন এবং তিনি পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আরও বলা হয়, তিনি দেশের সেনাবাহিনী এবং সরকারের নেতা হিসেবে দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।   খামেনি বেঁচে আছেন, দৃঢ়তার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন:ইরানের গণমাধ্যমের দাবি এদিকে, এনবিসিতে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইরানের প্রায় সব কর্মকর্তা জীবিত, সুস্থ ও নিরাপদ স্থানে আছেন।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান আবারও তাদের নেতার বেঁচে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন বা শূন্যতা তৈরি হতে পারে, তবে এখনো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এর পাশাপাশি, ইরান সরকার তাদের সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান নিয়ে প্রাথমিকভাবে কোনো বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এ ঘটনার পর বিশ্বের নজর তেহরানে, এবং এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

নিজেস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য

View more
ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস
শেবাচিমে আওয়ামীপন্থী কর্মচারীদের আধিপত্য বহাল, বিতর্কের কেন্দ্রে ওয়ার্ড মাস্টার ফেরদৌস

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) ঘিরে আবারও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুবিধাভোগী ও দমন-পীড়নে জড়িত একাধিক কর্মচারী এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। কেউ কেউ রাজনৈতিক ভোল পাল্টে বিএনপি বা জামায়াতপন্থী পরিচয় ধারণ করলেও বাস্তবে আগের প্রভাব-প্রতিপত্তি অটুট রয়েছে বলে হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। হাসপাতাল সূত্র জানায়, সম্প্রতি চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের একটি কমিটি অনুমোদনের লক্ষ্যে একটি মহল বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার-এর দ্বারস্থ হয়। তাদের অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আপত্তি থাকায় তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরবর্তীতে তারা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লা-এর মাধ্যমে কমিটি অনুমোদন করান। অভিযোগ রয়েছে, কমিটির শীর্ষে দু-একজন বিএনপিপন্থী থাকলেও অধিকাংশ সদস্যই ঘোর আওয়ামীপন্থী। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম মল্লিক ওরফে ফেরদৌস। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১ মার্চ ঔষধ চুরির সময় যৌথবাহিনীর হাতে আটক হন তিনি। এ ঘটনায় তৎকালীন উপ-পরিচালক ডা. সুভাষ দাশ কোতোয়ালি থানায় এজাহার (নং-৩২৫৯/০৭) দায়ের করেন। সেখানে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকার ঔষধ চুরির অভিযোগ উল্লেখ ছিল। তবে পরবর্তীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ-এর হস্তক্ষেপে অভিযোগ থেকে রেহাই পান বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া ২০২১ সালে করোনা ওয়ার্ড থেকে ১০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার চুরির অভিযোগও ওঠে ফেরদৌসের বিরুদ্ধে। তৎকালীন সহকারী পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তদন্তে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললেও বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ-এর হস্তক্ষেপে তা আলোর মুখ দেখেনি। হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, মন্ত্রণালয় থেকে একাধিকবার বদলির আদেশ এলেও তা কার্যকর হয়নি। বরং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার অব্যাহত ছিল। জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ৩ আগস্ট চৌমাথা এলাকায় বিএনপি নেতা জিয়া শিকদারের ওপর হামলার সময়ও তাকে দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস। তিনি বলেন, “আমাকে যৌথবাহিনী আটক করেছিল, এটা সত্য। তবে মামলায় আমি খালাস পেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” তিনি অভিযোগগুলো তদন্তের দাবি জানান। এ বিষয়ে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শেবাচিম হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আব্দুল মোনেম সা’দ বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বলেন, “বিতর্কিত কয়েকজনের ডিউটি পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে জনবল সংকট থাকায় তাদের দিয়েই সেবা চালাতে হচ্ছে। ডিজি হেলথ থেকে জনবল পরিবর্তন করা হলে সেবার মান আরও উন্নত হবে।” হাসপাতাল ঘিরে এ ধরনের অভিযোগ জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে বিতর্কিত ব্যক্তিরা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল থাকেন—সে বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ইত্তেহাদ নিউজ : মার্চ ৩, ২০২৬ 0
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

জিম্মিরোগীরা : চিকিৎসা সেবা পেতে পদে পদে ভোগান্তি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ বিশ্বেশ্বরী সরকারি পাইলট হাইস্কুলের ৬ সাবেক শিক্ষার্থী ডাক্তার

একই স্কুলের ৬ শিক্ষার্থী ৪৮তম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে

অ্যালার্জি বেড়েছে

শহরে অ্যালার্জি বেড়েছে, মূল কারণ তিনটি

বস্তিবাসীর মানসিক রোগে চিকিৎসা
বস্তিবাসীর মানসিক রোগে চিকিৎসা গ্রহণের হার বেড়েছে ৫ গুণ

রাজধানীর কড়াইল বস্তির তালতলা এলাকার বাসিন্দা মশুরা বেগম, বয়স ৫০। তিনি একজন কবিরাজ। আগে জন্ডিসসহ নানা রোগের ঝাড়ফুঁক দিতেন। তার স্বামী বিটিসিএলে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কাজ করেন। তাদের তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ছিল একটি সাধারণ জীবন। তবে একসময় তার স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়ে গুরুতর মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। প্রথমদিকে মশুরা মনে করেছিলেন, স্বামীর ওপর জিন ভর করেছে। তাই ঝাড়ফুঁক দেন। তাতে কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে শ্যামলীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখানে দুই বছরের চিকিৎসায় স্বামী সুস্থ হয়ে ওঠেন। পরে ছেলে ও মেয়ের ক্ষেত্রেও একই উপায় অবলম্বন করেন। তাদেরও হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। এখন তারা তিনজনই অনেকটা সুস্থ। মশুরার অভিজ্ঞতা তাকে বদলে দেয়। এখন তিনি নিজেই অন্যদের হাসপাতালে যেতে উৎসাহ দেন। যারা যেতে চান না, তাদের সঙ্গে করে নিয়ে যান। কড়াইল বস্তির ভেতরেই মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে মশুরার মতো আরও ১৫৩ জন মানুষ সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।এই পরিবর্তন এসেছে যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনআইএইচআরের অর্থায়নে পরিচালিত চার বছর মেয়াদি ‘ট্রান্সফর্মিং একসেস টু কেয়ার ফর সিরিয়াস মেন্টাল ডিজঅর্ডারস ইন স্লাম’ (ট্রান্সফর্ম) প্রকল্পের কারণে। বাংলাদেশে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে টেলিসাইকিয়াট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক লিমিটেড (টিআরআইএন)। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বস্তিবাসীদের মধ্যে গুরুতর মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়ানো। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রথাগত নিরাময়কারী, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী ও ওষুধ বিক্রেতাদের দুটি দলে ভাগ করে মোট ১৫৩ জনকে তিন দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এতে তারা মানসিক রোগ চিহ্নিত করতে এবং রোগীকে সঠিক জায়গায় রেফার করতে সক্ষম হন।   বেলতলা এলাকার ফার্মেসি পরিচালনাকারী লিমা আক্তার বলেন, আগে মানসিক সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া হতো না; কিন্তু এখন মানুষ চিকিৎসা নিতে আগ্রহী। তিনি জানান, রোগীর উপসর্গ দেখে প্রয়োজন হলে ট্রান্সফরম প্রকল্পের রেফারাল স্লিপ দিয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে পাঠিয়ে দেন। তবে আগের মতো সচেতনতামূলক কার্যক্রম এখন আর নেই। তার মতে, লিফলেট, পোস্টার ও ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রচারের মাধ্যমে আরও রোগীকে উৎসাহ দেওয়া সম্ভব। তমিজ মিয়া, বয়স ৭০। একজন প্রথাগত নিরাময়কারী ছিলেন। আগে ঝাড়ফুঁক দিতেন, ভাবতেন রোগীকে ‘জিন ধরেছে’। ট্রেনিং নেওয়ার পর এখন তিনি রোগীদের হাসপাতালে পাঠান। বলেন, ‘এই রোগের চিকিৎসা আছে, হাসপাতালে গেলে ভালো হয়, খরচও লাগে না।’ প্রকল্পের আগে বছরে ৩৩ জন বস্তিবাসী মানসিক রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন। সচেতনতা বৃদ্ধির পর এক বছরে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫৭ জন। প্রকল্পটি আরও কয়েক বছর চালিয়ে নেওয়ার দাবি বস্তিবাসীর। টিআরআইএনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. তানজির রশিদ বলেন, কড়াইল বস্তিতে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ মানুষের বসবাস; কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ছিল প্রচণ্ড ঘাটতি। মানুষ মূলত কবিরাজ, ফার্মেসি বা কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীর কাছেই যান। তাই তাদেরই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর তারা সচেতনতা ছড়িয়ে দেন। এক বছরেই চিকিৎসা নেওয়ার হার প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে যায়। তিনি বলেন, প্রকল্পটি চার বছরের জন্য ছিল। আরও কিছুদিন চালানো গেলে মানসিক রোগ নিয়ে কুসংস্কার কমবে এবং বস্তিবাসী নিয়মিত সঠিক চিকিৎসার পথ বেছে নেবে। এই প্রকল্পের সফলতায় শুধু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৫৩ জন নন, সুস্থ হওয়া পরিবারের সদস্যরাও এখন সচেতনতায় অংশ নিচ্ছেন। ফলে কড়াইল বস্তির ভেতরেই মানসিক রোগ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ছানি অপারেশন

৯ কোটির বেশি মানুষের ছানি অপারেশন দরকার

শিশুর মলদ্বারে পলিপ

শিশুর মলদ্বারে পলিপ, সঠিক চিকিৎসা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষা

স্বাস্থ্যব্যবস্থা বড় দুর্যোগের মুখে

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা দুর্যোগের মুখে: দুর্নীতি, জনবল সংকট ও বাজেট ঘাটতি

শিশুর অটিজমের ঝুঁকি
গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে শিশুর অটিজমের ঝুঁকি!

জাপানের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পরবর্তী সময়ে মায়েরা যদি তীব্র মানসিক চাপ কিংবা বিষণ্নতায় ভোগেন, তবে তাদের সন্তানদের মধ্যে অটিজমের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  ২৩ হাজারেরও বেশি মা ও শিশুর ওপর পরিচালিত এই গবেষণায় মাতৃকালীন মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে শিশুর বিকাশের এক গভীর যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। তারা লক্ষ্য করেছেন, মায়ের মানসিক চাপের ফলে শিশুদের মধ্যে অটিজম-সদৃশ লক্ষণের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়। এই গবেষণার ফলাফলকে আরও জোরালো করতে বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের ওপর জৈবিক পরীক্ষা চালিয়েছেন, যা প্রমাণ করেছে যে মাতৃকালীন মানসিক চাপ শিশুর বিকাশে নেতিবাচক পরিবর্তন আনে। গবেষণায় অটিজমের ঝুঁকির ক্ষেত্রে লিঙ্গভেদে ভিন্নধর্মী ফল পাওয়া গেছে। সাধারণত মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের মধ্যে অটিজমের লক্ষণ বেশি দেখা গেলেও, মায়ের বিষণ্নতার প্রভাব মেয়ে শিশুদের ওপর বিশেষভাবে লক্ষণীয়।  যেসব মেয়ে শিশু মাতৃকালীন বিষণ্নতার শিকার হয়েছে, তাদের জন্মের সময় ওজন কম হওয়া এবং মায়ের সঙ্গে মানসিক বন্ধন দুর্বল হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। বিপরীতে, ছেলেদের ক্ষেত্রে মায়ের মানসিক অবস্থা নির্বিশেষে অটিজমের লক্ষণগুলো স্বাভাবিকভাবেই বেশি প্রকট ছিল। এই ঝুঁকির পেছনে জৈবিক কারণ হিসেবে অক্সিটোসিন হরমোনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন গবেষকরা। অক্সিটোসিন মূলত সামাজিক আচরণ ও মা-শিশুর আত্মিক বন্ধন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। মানসিক চাপের কারণে এই হরমোনের মাত্রায় বিঘ্ন ঘটলে তা শিশুর সামাজিক বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, যা পরবর্তীকালে অটিজমের কারণ হতে পারে।  এছাড়া ১৪০,০০০ গর্ভবতী নারীর ওপর পরিচালিত অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে বিষণ্নতা কাটানোর ওষুধ ব্যবহার করলে শিশুদের অটিজমের ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। গবেষকরা বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন যে গর্ভাবস্থায় এবং সন্তান জন্মদানের পর নিয়মিতভাবে মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। প্রাথমিক পর্যায়ে মায়েদের মানসিক সমস্যা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা গেলে শিশুদের অটিজমের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।  এই গবেষণার ফলাফল মেয়েদের মধ্যে অটিজম শনাক্তকরণের প্রচলিত পদ্ধতি এবং গর্ভাবস্থায় মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।

ইত্তেহাদ নিউজ : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বড় রূপান্তর: ‘স্বাস্থ্য–খাত সংস্কার’ ও শরীরে ‘পাখি–ফ্লু’ আঘাত

ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ছে, সতর্ক থাকার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

মেটালযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে স্বাস্থ্যঝুঁকি, হুঁশিয়ারি বিশেষজ্ঞদের